ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ দেশে সার উৎপাদন বাড়াতে তিনটি নতুন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা চ্যালেঞ্জের মুখেও এমিরেটস গ্রুপের ১.১ বিলিয়ন ডলার মুনাফা নেতানিয়াহুর চেয়ে জনপ্রিয় জোহরান মামদানি, বলছে জিবিএওর জরিপ ইরানের ওপর নতুন সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

কসোভোকে স্বীকৃতি দিল বাংলাদেশ

  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 317
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইউরোপে সার্বিয়া ভেঙে বের হওয়া দেশ রিপাবলিক অব কসোভোকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ১১৩ টি দেশ কসোভোকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশ ১১৪ তম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিল।

মুসলিম দেশগুলোর জোট ওআইসির ৫৭টি দেশের মধ্যে ৩৬টি দেশ এরই মধ্যে কসভোকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এসব বিবেচনায় বাংলাদেশও এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

যুগোস্লাভিয়া থেকে বের হয়ে আলাদা রাষ্ট্র সার্বিয়া ভেঙে কসভোর জন্ম ২০০৮ সালে। পূর্ব ইউরোপের দক্ষিণ পূর্ব এলাকায় ১০ হাজার ৯০৮ বর্গকিলোমিটারের দেশটি স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করে বেশ কয়েক বছর।

১৯৯০ সালেই স্বাধীনতা ঘোষণা করে কসভো। কিন্তু জাতিগত সংঘর্ষ চলতে থাকে। ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ডেটনে সম্পাদিত এক চুক্তির আওতায় বসনিয়ান যুদ্ধ শেষ হয়, কিন্তু কসভোতে সার্বদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এই সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপের দেশসমূহ কসভোর জনগণকে সাহায্য ও সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসে। ১৯৯৯ সালের ২৪ এপ্রিল সার্ব বাহিনী কসভো থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং ১৯৯৯-এর জুনে ওই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তি রক্ষার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।

২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কসভোর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারিক আদালত ২০১০ সালের ২২ জুলাই কসভোর স্বাধীনতা ঘোষণাকে সমর্থনীয় বলে অভিমত জানায়।

কসভোর এর লোক সংখ্যা ২০ লাখেরও কম। এদের মধ্যে ৯৩ শতাংশই মুসলিম। তারা প্রধানত আলবেনিয় ভাষায় কথা বলে।

বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যও কসোভোকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কসোভোকে স্বীকৃতি দিল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

ইউরোপে সার্বিয়া ভেঙে বের হওয়া দেশ রিপাবলিক অব কসোভোকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ১১৩ টি দেশ কসোভোকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশ ১১৪ তম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিল।

মুসলিম দেশগুলোর জোট ওআইসির ৫৭টি দেশের মধ্যে ৩৬টি দেশ এরই মধ্যে কসভোকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এসব বিবেচনায় বাংলাদেশও এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

যুগোস্লাভিয়া থেকে বের হয়ে আলাদা রাষ্ট্র সার্বিয়া ভেঙে কসভোর জন্ম ২০০৮ সালে। পূর্ব ইউরোপের দক্ষিণ পূর্ব এলাকায় ১০ হাজার ৯০৮ বর্গকিলোমিটারের দেশটি স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করে বেশ কয়েক বছর।

১৯৯০ সালেই স্বাধীনতা ঘোষণা করে কসভো। কিন্তু জাতিগত সংঘর্ষ চলতে থাকে। ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ডেটনে সম্পাদিত এক চুক্তির আওতায় বসনিয়ান যুদ্ধ শেষ হয়, কিন্তু কসভোতে সার্বদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এই সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপের দেশসমূহ কসভোর জনগণকে সাহায্য ও সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসে। ১৯৯৯ সালের ২৪ এপ্রিল সার্ব বাহিনী কসভো থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং ১৯৯৯-এর জুনে ওই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তি রক্ষার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।

২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কসভোর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারিক আদালত ২০১০ সালের ২২ জুলাই কসভোর স্বাধীনতা ঘোষণাকে সমর্থনীয় বলে অভিমত জানায়।

কসভোর এর লোক সংখ্যা ২০ লাখেরও কম। এদের মধ্যে ৯৩ শতাংশই মুসলিম। তারা প্রধানত আলবেনিয় ভাষায় কথা বলে।

বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যও কসোভোকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।