ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান

যুক্তরাষ্ট্রের চাপেও সামরিক ব্যয় বাড়াতে নারাজ জার্মানি

  • আপডেট সময় : ১২:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ এপ্রিল ২০১৭
  • / 245
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের চাপ সত্ত্বেও সামরিক ব্যয় বাড়াতে রাজি নয় জার্মানি। বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে গত শুক্রবার ন্যাটোভুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকে  জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গ্যাব্রিয়েল সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন।

গ্যাব্রিয়েল বলেন, ‘জার্মানি তার জিডিপির দুই শতাংশ সামরিক খাতে ব্যয় করবে, এটা কোনও বাস্তবসম্মত কথা নয়।’ তিনি বলেন, ‘যখন খরচের পরিমাণ বাড়ানোর কথা বলা হয়, তখন উন্নয়ন খাতে আমরা যে খরচ করি, তাকেও হিসেবের খাতায় নিতে হবে। শুধু সামরিক ব্যয় দিয়ে তার পরিমাপ করা যায় না।’  প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ওয়েলস সম্মেলনে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো নিজেদের জিডিপির দুই শতাংশের সমান অর্থ জোটের প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ দিতে সম্মত হয়েছিল।

এর আগে ওই বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোকে সামরিক খাতে ব্যয় বাড়ানোর জন্য চাপ দেন। টিলারসন বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যা স্পষ্ট করে বলেছেন তা হল, ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যয়ের অনানুপাতিক ভার বহন করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আর সম্ভব নয়।’ টিলারসন ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোকে বরাদ্দ বৃদ্ধির ব্যাপারে চলতি বছরের শেষ নাগাদ পরিকল্পনা উপস্থাপনের আহবান জানান। এর পাশাপাশি টিলারসন ইউক্রেনে রুশ ‘আগ্রাসনের’ সমালোচনা করেন।

টিলারসনের মতো ন্যাটো প্রধান জেনস স্টোলটেনবার্গও জোটভুক্ত দেশগুলোর সামরিক ব্যয় বাড়াতে বলেছেন। তিনি বলেন, ‘কূটনীতি, উন্নয়ন বা আর্থিক সহযোগিতা এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি। এজন্য জিডিপির ০.৭ শতাংশ বরাদ্দ থাকার কথা নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু সামরিক খাতে যে দুই শতাংশ বরাদ্দের চুক্তি হয়েছে, তার সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। এটা উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার বিষয় নয়।’ উল্লেখ্য, আগামী ২৫ মে ব্রাসেলসে ন্যাটো জোটের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ওই সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। বিবিসি ও রয়টার্স।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রের চাপেও সামরিক ব্যয় বাড়াতে নারাজ জার্মানি

আপডেট সময় : ১২:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ এপ্রিল ২০১৭

ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের চাপ সত্ত্বেও সামরিক ব্যয় বাড়াতে রাজি নয় জার্মানি। বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে গত শুক্রবার ন্যাটোভুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকে  জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গ্যাব্রিয়েল সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন।

গ্যাব্রিয়েল বলেন, ‘জার্মানি তার জিডিপির দুই শতাংশ সামরিক খাতে ব্যয় করবে, এটা কোনও বাস্তবসম্মত কথা নয়।’ তিনি বলেন, ‘যখন খরচের পরিমাণ বাড়ানোর কথা বলা হয়, তখন উন্নয়ন খাতে আমরা যে খরচ করি, তাকেও হিসেবের খাতায় নিতে হবে। শুধু সামরিক ব্যয় দিয়ে তার পরিমাপ করা যায় না।’  প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ওয়েলস সম্মেলনে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো নিজেদের জিডিপির দুই শতাংশের সমান অর্থ জোটের প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ দিতে সম্মত হয়েছিল।

এর আগে ওই বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোকে সামরিক খাতে ব্যয় বাড়ানোর জন্য চাপ দেন। টিলারসন বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যা স্পষ্ট করে বলেছেন তা হল, ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যয়ের অনানুপাতিক ভার বহন করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আর সম্ভব নয়।’ টিলারসন ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোকে বরাদ্দ বৃদ্ধির ব্যাপারে চলতি বছরের শেষ নাগাদ পরিকল্পনা উপস্থাপনের আহবান জানান। এর পাশাপাশি টিলারসন ইউক্রেনে রুশ ‘আগ্রাসনের’ সমালোচনা করেন।

টিলারসনের মতো ন্যাটো প্রধান জেনস স্টোলটেনবার্গও জোটভুক্ত দেশগুলোর সামরিক ব্যয় বাড়াতে বলেছেন। তিনি বলেন, ‘কূটনীতি, উন্নয়ন বা আর্থিক সহযোগিতা এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি। এজন্য জিডিপির ০.৭ শতাংশ বরাদ্দ থাকার কথা নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু সামরিক খাতে যে দুই শতাংশ বরাদ্দের চুক্তি হয়েছে, তার সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। এটা উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার বিষয় নয়।’ উল্লেখ্য, আগামী ২৫ মে ব্রাসেলসে ন্যাটো জোটের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ওই সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। বিবিসি ও রয়টার্স।