ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে দেশের বিমানবন্দর এ্যানি ফেরদৌসের কন্যা তাসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু ইউনিফর্মে মণ্ডপে গান গাওয়ায় প্রত্যাহার এসআই উদয়ন সকলের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক নাটোরের লালপুরে গাঁজা গাছসহ আটক এক জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালে রেডিওথেরাপির সিরিয়াল বন্ধ, বিপাকে গরিব রোগীরা রুটস ওয়ার্ল্ড অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর চূড়ান্ত তালিকায় দা নাং বিমানবন্দর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় পরাজয়ের মুখে ট্রাম্প ভালুকায় অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার তিন

দুর্নীতি মামলায় খালাস পেলেন কেজরিওয়াল

  • আপডেট সময় : ১১:০১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 78
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

দীর্ঘদিনের দুর্নীতি মামলায় ভারতের রাজধানী দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে খালাস দিয়েছেন একটি ভারতীয় আদালত।

অভিযোগ ছিল, তার প্রশাসন মদের লাইসেন্স বরাদ্দে ঘুষ নিয়েছিল। ২০২৪ সালের মার্চে গ্রেপ্তার হওয়ার পর কয়েক মাস কারাবন্দি ছিলেন ৫৭ বছর বয়সী কেজরিওয়াল। তিনি বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ক্ষমতাসীন দলের ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেন।

নয়াদিল্লি থেকে এএফপি জানায়, শুক্রবার দিল্লির আদালত কেজরিওয়াল, তার সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী মনিষ সিসোদিয়া এবং আরও ২১ জনকে সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন।

রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বেরিয়ে কেজরিওয়াল আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে।’

তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে তার দল আম আদমি পার্টি (এএপি) ধ্বংসের উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন।

কেজরিওয়াল ২০২৫ সালে বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালীন দিল্লির নির্বাচন হেরে মুখ্যমন্ত্রীর পদ হারান। ওই নির্বাচনে মোদির হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেত্রী রেখা গুপ্তা মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

কেজরিওয়াল কর্মজীবন শুরু করেছিলেন কর কর্মকর্তা হিসেবে। পরে সরকারি চাকরি ছেড়ে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হয়ে জাতীয় পরিচিতি লাভ করেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মোদির একাধিক রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ফৌজদারি তদন্ত বা বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন, যার মধ্যে দুইজন অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও রয়েছেন। ২০২৫ সালের আগস্টে সরকার একটি বিল উত্থাপন করে, যাতে কোনো রাজনীতিবিদ ৩০ দিন গ্রেপ্তার ও আটক থাকলে তাকে পদ থেকে অপসারণের প্রস্তাব রাখা হয়। বিরোধীরা একে সাংবিধানিক সুরক্ষা খর্বের চেষ্টা বলে সমালোচনা করেছে।

বাসস/এএফপি/অনু-এইচএন/১৫৫৯/-এইচএন
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দুর্নীতি মামলায় খালাস পেলেন কেজরিওয়াল

আপডেট সময় : ১১:০১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

দীর্ঘদিনের দুর্নীতি মামলায় ভারতের রাজধানী দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে খালাস দিয়েছেন একটি ভারতীয় আদালত।

অভিযোগ ছিল, তার প্রশাসন মদের লাইসেন্স বরাদ্দে ঘুষ নিয়েছিল। ২০২৪ সালের মার্চে গ্রেপ্তার হওয়ার পর কয়েক মাস কারাবন্দি ছিলেন ৫৭ বছর বয়সী কেজরিওয়াল। তিনি বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ক্ষমতাসীন দলের ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেন।

নয়াদিল্লি থেকে এএফপি জানায়, শুক্রবার দিল্লির আদালত কেজরিওয়াল, তার সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী মনিষ সিসোদিয়া এবং আরও ২১ জনকে সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন।

রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বেরিয়ে কেজরিওয়াল আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে।’

তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে তার দল আম আদমি পার্টি (এএপি) ধ্বংসের উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন।

কেজরিওয়াল ২০২৫ সালে বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালীন দিল্লির নির্বাচন হেরে মুখ্যমন্ত্রীর পদ হারান। ওই নির্বাচনে মোদির হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেত্রী রেখা গুপ্তা মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

কেজরিওয়াল কর্মজীবন শুরু করেছিলেন কর কর্মকর্তা হিসেবে। পরে সরকারি চাকরি ছেড়ে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হয়ে জাতীয় পরিচিতি লাভ করেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মোদির একাধিক রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ফৌজদারি তদন্ত বা বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন, যার মধ্যে দুইজন অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও রয়েছেন। ২০২৫ সালের আগস্টে সরকার একটি বিল উত্থাপন করে, যাতে কোনো রাজনীতিবিদ ৩০ দিন গ্রেপ্তার ও আটক থাকলে তাকে পদ থেকে অপসারণের প্রস্তাব রাখা হয়। বিরোধীরা একে সাংবিধানিক সুরক্ষা খর্বের চেষ্টা বলে সমালোচনা করেছে।

বাসস/এএফপি/অনু-এইচএন/১৫৫৯/-এইচএন
বিডিসংবাদ/এএইচএস