ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসছে

  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০১৭
  • / 264
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০১৫ সালে ঘরের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলার কথা থাকলেও নিরাপত্তা ইস্যু জনিত কারণে সিরিজটি বাতিলের ঘোষণা দেয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। পরবর্তীতে সিরিজটি ঠিক কবে হবে সেই বিষয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কিছু না বললেও দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে সম্মতি জানায় দেশটি।

বেশকিছু দিন আগে বিসিবি জানায়, আগামী আগস্টেই দুটি টেস্ট খেলতে বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া। ২২ থেকে ২৪ আগস্ট দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া এবং সিরিজের প্রথম টেস্ট আরম্ভ হবে ২৭ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। দ্বিতীয় টেস্ট হবে ৪ থেকে ৮ সেপ্টম্বর পর্যন্ত। তবে সিরিজ নিয়ে আবার তাল বাহানা শুরু করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

বেশ কয়েকদিন আগে এক বিবৃতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানায়, বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলবে কিনা সেই বিষয়ে এখনো নিশ্চয়তা দিতে পারছে না ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। সিরিজ না খেলার কারণ হিসেবে দাঁড় করায় আবারো নিরাপত্তা ইস্যু। তারা আরো জানায় বাংলাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাবেক্ষণ করতে চায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সিরিজ নিয়ে কথা বলতে শনিবার মিডিয়ার মুখোমুখি হন বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, এই মাসেই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার একটি দল নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাবেক্ষণ করতে বাংলাদেশে আসছে। পর্যাবেক্ষণের পরেই সিরিজটি হবে কিনা সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

“আমরা আশা করছি মে মাসের মাঝামাঝি কিংবা মাসের শেষের দিকে ওদের একটি প্রতিনিধি দল আমাদের এখানে আসবে এবং সিরিজ নিয়ে আমরা কি আয়োজন করছি সেটা ওরা দেখবে। যদিও এখনো নির্দিষ্ট কোনো ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়নি তবে আমাদের পরিকল্পনায় মিরপুর এবং চিটাগংই আছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসছে

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০১৭

২০১৫ সালে ঘরের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলার কথা থাকলেও নিরাপত্তা ইস্যু জনিত কারণে সিরিজটি বাতিলের ঘোষণা দেয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। পরবর্তীতে সিরিজটি ঠিক কবে হবে সেই বিষয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কিছু না বললেও দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে সম্মতি জানায় দেশটি।

বেশকিছু দিন আগে বিসিবি জানায়, আগামী আগস্টেই দুটি টেস্ট খেলতে বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া। ২২ থেকে ২৪ আগস্ট দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া এবং সিরিজের প্রথম টেস্ট আরম্ভ হবে ২৭ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। দ্বিতীয় টেস্ট হবে ৪ থেকে ৮ সেপ্টম্বর পর্যন্ত। তবে সিরিজ নিয়ে আবার তাল বাহানা শুরু করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

বেশ কয়েকদিন আগে এক বিবৃতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানায়, বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলবে কিনা সেই বিষয়ে এখনো নিশ্চয়তা দিতে পারছে না ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। সিরিজ না খেলার কারণ হিসেবে দাঁড় করায় আবারো নিরাপত্তা ইস্যু। তারা আরো জানায় বাংলাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাবেক্ষণ করতে চায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সিরিজ নিয়ে কথা বলতে শনিবার মিডিয়ার মুখোমুখি হন বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, এই মাসেই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার একটি দল নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাবেক্ষণ করতে বাংলাদেশে আসছে। পর্যাবেক্ষণের পরেই সিরিজটি হবে কিনা সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

“আমরা আশা করছি মে মাসের মাঝামাঝি কিংবা মাসের শেষের দিকে ওদের একটি প্রতিনিধি দল আমাদের এখানে আসবে এবং সিরিজ নিয়ে আমরা কি আয়োজন করছি সেটা ওরা দেখবে। যদিও এখনো নির্দিষ্ট কোনো ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়নি তবে আমাদের পরিকল্পনায় মিরপুর এবং চিটাগংই আছে।”