ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাশিয়া ও চীনের উত্থান: গত ২৫ বছরে আমূল বদলে যাওয়া বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন: বিশ্বনেতাদের বরণে প্রস্তুত দিল্লি, মোদির সঙ্গে পুতিন-পেজেশকিয়ানের বৈঠক আজ একতরফা আধিপত্য রুখতে ব্রিকসের ওপর জোর দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এআই কি মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি? বড় সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা মক্কা চুক্তির পর ইয়েমেনে সৌদি জোটের ব্যাপক বিমান হামলার অভিযোগ শনিবার ভারতে শুরু হচ্ছে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন, পুতিনসহ যোগ দিচ্ছেন বিশ্বনেতারা মানুষের বর্জ্য থেকে তৈরি কংক্রিট: প্রচলিত সিমেন্টের চেয়েও বেশি শক্তিশালী ও টেকসই ৯/১১ হামলা ও ইসলামভীতি: যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও বিতর্কিত কিছু তথ্য রাজধানীর বাজারে তেলের সংকট কাটেনি, বেড়েছে আটা-ময়দা ও নিত্যপণ্যের দাম আইএমএফের ব্যয় সংকোচন নীতি নিয়ে অক্সফামের উদ্বেগ, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিকতা

ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

  • আপডেট সময় : ১২:২১:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 7
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও মো. ছরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর বাজারে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক লাভলু এবং ছরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুল হক মোল্যা ও ছরোয়ার একই পক্ষের হওয়ায় এই বিরোধ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। সোমবার বিকেলে ছরোয়ারের সমর্থক মো. টুকু মাতুব্বর বাজারে গেলে লাভলুর সমর্থকদের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়।

এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাজারে জড়ো হন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং গুরুতর অবস্থায় কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং পুনরায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই মূলত এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বর্তমানে এলাকাটি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সংঘর্ষের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও মো. ছরোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

আপডেট সময় : ১২:২১:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও মো. ছরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর বাজারে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক লাভলু এবং ছরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুল হক মোল্যা ও ছরোয়ার একই পক্ষের হওয়ায় এই বিরোধ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। সোমবার বিকেলে ছরোয়ারের সমর্থক মো. টুকু মাতুব্বর বাজারে গেলে লাভলুর সমর্থকদের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়।

এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাজারে জড়ো হন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং গুরুতর অবস্থায় কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং পুনরায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই মূলত এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বর্তমানে এলাকাটি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সংঘর্ষের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও মো. ছরোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।