ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শরীয়তপুরে মাদক ও অনুমতিহীন কার্যক্রমের অভিযোগে ৫০ বছরের পুরোনো মেলা বন্ধ গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তির বিভেদ ফ্যাসিবাদীদের সুযোগ করে দিতে পারে: প্রধানমন্ত্রী মঈন খান ও সালাহউদ্দিন আহমদের দায়িত্ব বাড়াল সরকার ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা: নির্বাচনের পরই মিলবে সমাধান কাগজে-কলমে মুনাফা দেখালেও বেবিচকের কাছে বিমানের বকেয়া প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা জাতীয় সংসদে আরও ৪টি স্থায়ী কমিটি গঠন: সম্পন্ন হলো ৫০টি কমিটির যাত্রা ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন সামনে রেখে বড় চাপে নেতানিয়াহু, ৭ অক্টোবরের সতর্কতা নিয়ে নতুন বিতর্ক মাগুরার শ্রীপুরে অবৈধ সার মজুত: ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও ২৮৮ বস্তা সার জব্দ র‌্যাব বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠনের বিল সংসদে পাস চীনের কিংদাও বন্দরে কার্গো জাহাজে অগ্নিকাণ্ড, নিহত অন্তত ২৫

সন্দ্বীপে পুলিশ সদস্যকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনায় ও মারধরের ঘটনায় মূলহোতা গ্রেপ্তার

  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 2
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদকবিরোধী একটি পোস্টে মন্তব্য করার জেরে সন্দ্বীপে এক পুলিশ কনস্টেবলকে অপহরণ, মারধর ও চাঁদা দাবির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মো. করিমকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে সন্দ্বীপ থানা পুলিশ। রোববার গভীর রাতে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের পণ্ডিতের হাট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

ভুক্তভোগী কনস্টেবল ইসমাঈল হোসেন স্পেশাল পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এসপিবিএন-১) কর্মরত। ছুটিতে বাড়িতে থাকা অবস্থায় রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পণ্ডিতের হাটের একটি সাইকেল মেরামতের দোকানে গেলে করিমসহ ১৫-২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাকে ঘিরে ফেলে। দুর্বৃত্তরা তাকে বেধড়ক মারধর করে স্থানীয় খুশি জামে মসজিদের পাশের একটি নির্জন সড়কে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জিম্মি করে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরবর্তীতে ইসমাঈলের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মুছাপুর ইউনিয়নের ‘ধাম’ নামক একটি নির্জন এলাকাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে অপরাধের একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানো, আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করা এবং মুক্তিপণ আদায়ের মতো নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির বিরুদ্ধে। গ্রেপ্তারকৃত করিমের বিরুদ্ধে গত বছর সাংবাদিক মিলাদ উদ্দিন মুন্নাকে অপহরণ ও মারধরের ঘটনায়ও থানায় মামলা হয়েছিল।

সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হালদার জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্যের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুরো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চলছে এবং ঘটনায় জড়িত বাকিদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সন্দ্বীপে পুলিশ সদস্যকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনায় ও মারধরের ঘটনায় মূলহোতা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদকবিরোধী একটি পোস্টে মন্তব্য করার জেরে সন্দ্বীপে এক পুলিশ কনস্টেবলকে অপহরণ, মারধর ও চাঁদা দাবির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মো. করিমকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে সন্দ্বীপ থানা পুলিশ। রোববার গভীর রাতে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের পণ্ডিতের হাট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

ভুক্তভোগী কনস্টেবল ইসমাঈল হোসেন স্পেশাল পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এসপিবিএন-১) কর্মরত। ছুটিতে বাড়িতে থাকা অবস্থায় রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পণ্ডিতের হাটের একটি সাইকেল মেরামতের দোকানে গেলে করিমসহ ১৫-২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাকে ঘিরে ফেলে। দুর্বৃত্তরা তাকে বেধড়ক মারধর করে স্থানীয় খুশি জামে মসজিদের পাশের একটি নির্জন সড়কে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জিম্মি করে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরবর্তীতে ইসমাঈলের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মুছাপুর ইউনিয়নের ‘ধাম’ নামক একটি নির্জন এলাকাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে অপরাধের একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানো, আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করা এবং মুক্তিপণ আদায়ের মতো নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির বিরুদ্ধে। গ্রেপ্তারকৃত করিমের বিরুদ্ধে গত বছর সাংবাদিক মিলাদ উদ্দিন মুন্নাকে অপহরণ ও মারধরের ঘটনায়ও থানায় মামলা হয়েছিল।

সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হালদার জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্যের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুরো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চলছে এবং ঘটনায় জড়িত বাকিদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।