ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেতানিয়াহুকে সমর্থন নেই ট্রাম্পের, ইরান ইস্যুতে দিলেন কড়া বার্তা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি ক্যাশলেস লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার হবে সম্পূর্ণ ফ্রি শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রূপপুর প্রকল্পের বাড়তি ইউরেনিয়াম জ্বালানি মেট্রো রেলের দুই লাইন নির্মাণে ৪৬ হাজার কোটি টাকা স্বৈরাচার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি

পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিমানবন্দর ও বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা: যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ

  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 14
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে রাজ্য সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ, বিদ্যমান বিমানবন্দরগুলোর পরিকাঠামো সম্প্রসারণ এবং নতুন বন্দর তৈরির মাধ্যমে শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একটি মেগা কনক্লেভে এই উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

রাজ্যের বিমান যোগাযোগ নেটওয়ার্ককে আরও বিস্তৃত করার অংশ হিসেবে কল্যাণীতে নতুন বিমানবন্দর তৈরির জন্য জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া কোচবিহার, মালদা, বালুরঘাট এবং পুরুলিয়াকে বিমান পরিষেবার আওতায় আনার প্রক্রিয়া জোরেশোরে এগিয়ে চলছে। এই উদ্যোগ সফল হলে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলের মতো অঞ্চলগুলোর সঙ্গে রাজ্যের মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে সহজতর হবে, যা পর্যটন ও ব্যবসার প্রসারে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

বিদ্যমান বিমানবন্দরগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। বাগডোগরা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি হাসিমারা ও কলাইকুণ্ডাতে বিমান পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর করেছে। এসব প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যকে আরও বেগবান করা, যা সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিবেশকে উন্নত করবে।

বন্দর পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রেও সরকার বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। দাদনপাত্রবাড় এলাকায় নতুন বন্দর তৈরির জন্য জমি দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরে নতুন বন্দর নির্মাণের ক্ষেত্রে যে স্থবিরতা ছিল, তা কাটিয়ে নতুন পরিবহন করিডোর গড়ে তোলার মাধ্যমে শিল্পায়নের নতুন সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

পরিবহন ও অবকাঠামোর বাইরেও সামাজিক সেবার লক্ষ্যে নিউটাউনে আদানি গোষ্ঠীর সহযোগিতায় একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় দুই হাজার শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালের অর্ধেক বা ১ হাজার শয্যা দরিদ্র মানুষের জন্য প্রায় বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ রাখা হবে। বাকি শয্যাগুলো বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত হবে। সব মিলিয়ে, এই বহুমুখী প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, বন্দর ও বিমান যোগাযোগের উন্নয়ন শুধু যাত্রী পরিবহনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর ফলে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলের মতো তুলনামূলকভাবে দূরবর্তী এলাকার সঙ্গে রাজ্যের অন্যান্য অংশের যোগাযোগ আরও সহজ হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিমানবন্দর ও বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা: যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে রাজ্য সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ, বিদ্যমান বিমানবন্দরগুলোর পরিকাঠামো সম্প্রসারণ এবং নতুন বন্দর তৈরির মাধ্যমে শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একটি মেগা কনক্লেভে এই উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

রাজ্যের বিমান যোগাযোগ নেটওয়ার্ককে আরও বিস্তৃত করার অংশ হিসেবে কল্যাণীতে নতুন বিমানবন্দর তৈরির জন্য জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া কোচবিহার, মালদা, বালুরঘাট এবং পুরুলিয়াকে বিমান পরিষেবার আওতায় আনার প্রক্রিয়া জোরেশোরে এগিয়ে চলছে। এই উদ্যোগ সফল হলে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলের মতো অঞ্চলগুলোর সঙ্গে রাজ্যের মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে সহজতর হবে, যা পর্যটন ও ব্যবসার প্রসারে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

বিদ্যমান বিমানবন্দরগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। বাগডোগরা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি হাসিমারা ও কলাইকুণ্ডাতে বিমান পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর করেছে। এসব প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যকে আরও বেগবান করা, যা সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিবেশকে উন্নত করবে।

বন্দর পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রেও সরকার বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। দাদনপাত্রবাড় এলাকায় নতুন বন্দর তৈরির জন্য জমি দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরে নতুন বন্দর নির্মাণের ক্ষেত্রে যে স্থবিরতা ছিল, তা কাটিয়ে নতুন পরিবহন করিডোর গড়ে তোলার মাধ্যমে শিল্পায়নের নতুন সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

পরিবহন ও অবকাঠামোর বাইরেও সামাজিক সেবার লক্ষ্যে নিউটাউনে আদানি গোষ্ঠীর সহযোগিতায় একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় দুই হাজার শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালের অর্ধেক বা ১ হাজার শয্যা দরিদ্র মানুষের জন্য প্রায় বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ রাখা হবে। বাকি শয্যাগুলো বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত হবে। সব মিলিয়ে, এই বহুমুখী প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, বন্দর ও বিমান যোগাযোগের উন্নয়ন শুধু যাত্রী পরিবহনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর ফলে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলের মতো তুলনামূলকভাবে দূরবর্তী এলাকার সঙ্গে রাজ্যের অন্যান্য অংশের যোগাযোগ আরও সহজ হতে পারে।