ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাগুরার শ্রীপুরে অবৈধ সার মজুত: ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও ২৮৮ বস্তা সার জব্দ র‌্যাব বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠনের বিল সংসদে পাস চীনের কিংদাও বন্দরে কার্গো জাহাজে অগ্নিকাণ্ড, নিহত অন্তত ২৫ মিয়ামিতে অ্যামাজনের কার্গো বিমান দুর্ঘটনা: উদ্ধার হলো ব্ল্যাক বক্স আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটকের দাবি ইরানের সময় থাকতে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার হুঁশিয়ারি মার্কিন সেনাদের দিলেন ইরানি কর্মকর্তা ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন, তফসিল ঘোষণা একই জমিতে বেগুন ও লাউ চাষে সিরাজগঞ্জের লিটনের বাজিমাত আর্থিক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগের মুখে ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

র‌্যাব বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠনের বিল সংসদে পাস

  • আপডেট সময় : ০৯:২১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতাধীন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার কণ্ঠভোটে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’ পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর বিলটি সংসদে উত্থাপনের পর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি কমিটির প্রতিবেদন সংসদে উত্থাপন করেন। বিলটি পাসের সময় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সাতটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়। বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বিলটির বিরোধিতা করে বলেন, র‌্যাব বিলুপ্ত করে নতুন নামে একই ধরনের বাহিনী গঠন করা হলে তা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হবে।

আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ বাহিনীর অধীনে এসআরবি নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট থাকবে। সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে প্রেষণে নিয়োগের মাধ্যমে এই ইউনিটের জনবল কাঠামো তৈরি করবে। এর সদর দপ্তর হবে ঢাকায় এবং বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা মহাপরিচালক হিসেবে ইউনিটের প্রশাসনিক, আর্থিক ও অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করবেন।

বিলের ১০ ধারা অনুযায়ী, এসআরবির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, মাদক, সাইবার অপরাধ, গুম, ভূমিদস্যুতা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং অন্যান্য বাহিনীকে সহায়তা করার ক্ষমতাও তাদের থাকবে। আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশে তারা ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত করতে পারবে।

তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত আইন অনুসরণের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। তবে ১৩ ও ১৪ ধারা অনুযায়ী, এসআরবি কোনো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি বা জব্দ করা আলামত নিজেদের হেফাজতে রাখতে পারবে না; বরং অনতিবিলম্বে নিকটবর্তী থানা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

শৃঙ্খলা ও শাস্তির বিষয়ে ১৭ ধারায় বলা হয়েছে, কর্তব্যরত অবস্থায় নেশাগ্রস্ত থাকা, সহকর্মীর ওপর হামলা, অনুমতি ছাড়া দায়িত্ব ত্যাগ বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আইনসংগত আদেশ অমান্য করা শৃঙ্খলা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া বলপূর্বক অর্থ আদায়, বেআইনি জমি দখল বা অপরাধীকে আটক করতে ব্যর্থ হওয়াও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। শাস্তিস্বরূপ বরখাস্ত, অপসারণ, বাধ্যতামূলক অবসর বা পদাবনতির মতো কঠোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছাড়া কাউকে শাস্তি দেওয়া যাবে না এবং বিভাগীয় আদেশের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগ থাকবে।

বিরোধী দলের সদস্যরা অভিযোগ প্রতিকার কমিটির গঠন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, কমিটির নেতৃত্বে এসআরবির নিজস্ব কর্মকর্তারা থাকায় এর স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। তারা অবসরপ্রাপ্ত হাইকোর্ট বিচারপতির নেতৃত্বে একটি স্বাধীন কমিটি এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, বার কাউন্সিল ও সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্ব রাখার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

আটকের বিষয়ে বিলে বলা হয়েছে, শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের যৌক্তিক কারণ থাকলে সদস্যকে আটক করা যাবে। তবে ১৫ দিনের বেশি আটক থাকলে প্রতি সাত দিন অন্তর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন দিতে হবে। প্রাথমিক প্রমাণ না থাকলে আটক সদস্যকে মুক্তি দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে। বিরোধী সদস্যরা বেসামরিক ব্যক্তিকে আটকের ক্ষেত্রে স্পষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ এবং বেআইনি আদেশ মানতে অস্বীকারকারী সদস্যদের সুরক্ষার জন্য আইনি বিধানের দাবি জানান।

র‌্যাবের জনবল, সম্পদ, রেকর্ড ও দায়-দেনা সরাসরি এসআরবিতে হস্তান্তরের বিধান নিয়েও বিরোধী দল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের আশঙ্কা, স্বাধীন নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে এই নতুন বাহিনীও র‌্যাবের মতোই বিতর্কিত হতে পারে। গুমসহ গুরুতর অপরাধের মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও আলামত সংরক্ষণের বিষয়েও তারা সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ জন্য রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচারক, আইনজীবী, ভুক্তভোগী পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠনসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিস্তৃত পরামর্শের প্রস্তাব দেয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ক্ষমতা প্রয়োগে স্বচ্ছতা, তদারকি ও কার্যকর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা: বিলের ১২ ধারায় এসআরবিকে কোনও স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ১৩ ধারায় ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী তদন্তকারী কর্মকর্তার ক্ষমতা ও দায়িত্ব ইউনিটের সাব-ইন্সপেক্টর বা তার ঊর্ধ্ব পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে দেয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে এসআরবির কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের প্রতিনিধি, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা এবং মানবাধিকার সংরক্ষণ ও বাস্তবায়নে অভিজ্ঞ একজন ব্যক্তি থাকবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিটি হাজতখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষের তথ্য গেজেটে প্রকাশ এবং হেফাজতের বিস্তারিত রেজিস্টার সংরক্ষণের প্রস্তাবও দেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

র‌্যাব বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠনের বিল সংসদে পাস

আপডেট সময় : ০৯:২১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতাধীন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার কণ্ঠভোটে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’ পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর বিলটি সংসদে উত্থাপনের পর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি কমিটির প্রতিবেদন সংসদে উত্থাপন করেন। বিলটি পাসের সময় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সাতটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়। বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বিলটির বিরোধিতা করে বলেন, র‌্যাব বিলুপ্ত করে নতুন নামে একই ধরনের বাহিনী গঠন করা হলে তা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হবে।

আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ বাহিনীর অধীনে এসআরবি নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট থাকবে। সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে প্রেষণে নিয়োগের মাধ্যমে এই ইউনিটের জনবল কাঠামো তৈরি করবে। এর সদর দপ্তর হবে ঢাকায় এবং বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা মহাপরিচালক হিসেবে ইউনিটের প্রশাসনিক, আর্থিক ও অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করবেন।

বিলের ১০ ধারা অনুযায়ী, এসআরবির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, মাদক, সাইবার অপরাধ, গুম, ভূমিদস্যুতা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং অন্যান্য বাহিনীকে সহায়তা করার ক্ষমতাও তাদের থাকবে। আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশে তারা ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত করতে পারবে।

তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত আইন অনুসরণের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। তবে ১৩ ও ১৪ ধারা অনুযায়ী, এসআরবি কোনো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি বা জব্দ করা আলামত নিজেদের হেফাজতে রাখতে পারবে না; বরং অনতিবিলম্বে নিকটবর্তী থানা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

শৃঙ্খলা ও শাস্তির বিষয়ে ১৭ ধারায় বলা হয়েছে, কর্তব্যরত অবস্থায় নেশাগ্রস্ত থাকা, সহকর্মীর ওপর হামলা, অনুমতি ছাড়া দায়িত্ব ত্যাগ বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আইনসংগত আদেশ অমান্য করা শৃঙ্খলা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া বলপূর্বক অর্থ আদায়, বেআইনি জমি দখল বা অপরাধীকে আটক করতে ব্যর্থ হওয়াও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। শাস্তিস্বরূপ বরখাস্ত, অপসারণ, বাধ্যতামূলক অবসর বা পদাবনতির মতো কঠোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছাড়া কাউকে শাস্তি দেওয়া যাবে না এবং বিভাগীয় আদেশের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগ থাকবে।

বিরোধী দলের সদস্যরা অভিযোগ প্রতিকার কমিটির গঠন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, কমিটির নেতৃত্বে এসআরবির নিজস্ব কর্মকর্তারা থাকায় এর স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। তারা অবসরপ্রাপ্ত হাইকোর্ট বিচারপতির নেতৃত্বে একটি স্বাধীন কমিটি এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, বার কাউন্সিল ও সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্ব রাখার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

আটকের বিষয়ে বিলে বলা হয়েছে, শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের যৌক্তিক কারণ থাকলে সদস্যকে আটক করা যাবে। তবে ১৫ দিনের বেশি আটক থাকলে প্রতি সাত দিন অন্তর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন দিতে হবে। প্রাথমিক প্রমাণ না থাকলে আটক সদস্যকে মুক্তি দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে। বিরোধী সদস্যরা বেসামরিক ব্যক্তিকে আটকের ক্ষেত্রে স্পষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ এবং বেআইনি আদেশ মানতে অস্বীকারকারী সদস্যদের সুরক্ষার জন্য আইনি বিধানের দাবি জানান।

র‌্যাবের জনবল, সম্পদ, রেকর্ড ও দায়-দেনা সরাসরি এসআরবিতে হস্তান্তরের বিধান নিয়েও বিরোধী দল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের আশঙ্কা, স্বাধীন নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে এই নতুন বাহিনীও র‌্যাবের মতোই বিতর্কিত হতে পারে। গুমসহ গুরুতর অপরাধের মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও আলামত সংরক্ষণের বিষয়েও তারা সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ জন্য রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচারক, আইনজীবী, ভুক্তভোগী পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠনসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিস্তৃত পরামর্শের প্রস্তাব দেয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ক্ষমতা প্রয়োগে স্বচ্ছতা, তদারকি ও কার্যকর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা: বিলের ১২ ধারায় এসআরবিকে কোনও স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ১৩ ধারায় ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী তদন্তকারী কর্মকর্তার ক্ষমতা ও দায়িত্ব ইউনিটের সাব-ইন্সপেক্টর বা তার ঊর্ধ্ব পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে দেয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে এসআরবির কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের প্রতিনিধি, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা এবং মানবাধিকার সংরক্ষণ ও বাস্তবায়নে অভিজ্ঞ একজন ব্যক্তি থাকবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিটি হাজতখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষের তথ্য গেজেটে প্রকাশ এবং হেফাজতের বিস্তারিত রেজিস্টার সংরক্ষণের প্রস্তাবও দেন তারা।