ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মিয়ামিতে অ্যামাজনের কার্গো বিমান দুর্ঘটনা: উদ্ধার হলো ব্ল্যাক বক্স আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটকের দাবি ইরানের সময় থাকতে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার হুঁশিয়ারি মার্কিন সেনাদের দিলেন ইরানি কর্মকর্তা ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন, তফসিল ঘোষণা একই জমিতে বেগুন ও লাউ চাষে সিরাজগঞ্জের লিটনের বাজিমাত আর্থিক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগের মুখে ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ শাহজালাল বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই: বিমানমন্ত্রী লস অ্যাঞ্জেলেসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন হলো ফোবানার ৪০তম সম্মেলন ১৫ বার প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর অ্যামাজনে কোটি টাকার চাকরি পেলেন ভারতীয় তরুণ

মিয়ামিতে অ্যামাজনের কার্গো বিমান দুর্ঘটনা: উদ্ধার হলো ব্ল্যাক বক্স

  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 1
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের একটি কার্গো বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পর এর ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও ককপিট ভয়েস রেকর্ডার উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে বিমানটি দুটি গাড়িতে আঘাত করলে পাঁচজন প্রাণ হারান। জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ডের (এনটিএসবি) প্রধান জেনিফার হোমেন্ডি জানিয়েছেন, নিহতরা ওই দুটি গাড়ির আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনার শিকার গাড়িগুলোর মধ্যে একটি ছিল পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বহনকারী ইকোনোলাইন ভ্যান, যা বিমানটির ধাক্কায় পুরোপুরি চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। ওই ভ্যানটিতে সাতজন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।

তদন্তকারীদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে বিমানবন্দরের সীমানা প্রাচীর ভেঙে একটি পাবলিক সড়কে উঠে যায়। সেখানে একটি এসইউভিকে ধাক্কা দেওয়ার পর বিমানটি আরও একটি বেড়া ভেঙে রোবোট্যাক্সি রাখা একটি এলাকায় প্রবেশ করে। এনটিএসবি প্রধান জেনিফার হোমেন্ডি দুর্ঘটনাস্থলের পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ভয়াবহ বলে বর্ণনা করেছেন। দুর্ঘটনার পরপরই বিমানবন্দরের কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে এবং শত শত ফ্লাইট বিলম্বিত হয়।

উদ্ধার করা ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও ককপিট ভয়েস রেকর্ডার এখন বিস্তারিত বিশ্লেষণের জন্য এনটিএসবির কাছে পাঠানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার আগে বিমানের গতি, উচ্চতা, দিকনির্দেশনা এবং ককপিটের কথোপকথন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে এই রেকর্ডারগুলো থেকে। জেনিফার হোমেন্ডি জানান, তদন্তের স্বার্থে ক্রুদের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন। তবে উদ্ধার অভিযান চলাকালে তদন্তকারীদের বিমানটিতে প্রবেশের কাজ কিছুটা বিলম্বিত হতে পারে, কারণ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াকেই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনার শিকার বিমানটি ১৯৯৪ সালে নির্মিত একটি বোয়িং ৭৬৭ মডেলের কার্গো বিমান। মিয়ামিভিত্তিক ২১ এয়ার এলএলসি পরিচালিত এই বিমানটি অ্যামাজনের চুক্তিভিত্তিক পণ্য পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হতো। দুর্ঘটনার সময় এটি পুয়ের্তো রিকোর সান হুয়ান থেকে মিয়ামির উদ্দেশে আসছিল। বর্তমানে এনটিএসবি তদন্তকারীরা বিমানের দুই পাইলটের শারীরিক অবস্থা যাচাই, ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দুর্ঘটনাস্থলে তদন্ত ও উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

মিয়ামিতে অ্যামাজনের কার্গো বিমান দুর্ঘটনা: উদ্ধার হলো ব্ল্যাক বক্স

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের একটি কার্গো বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পর এর ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও ককপিট ভয়েস রেকর্ডার উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে বিমানটি দুটি গাড়িতে আঘাত করলে পাঁচজন প্রাণ হারান। জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ডের (এনটিএসবি) প্রধান জেনিফার হোমেন্ডি জানিয়েছেন, নিহতরা ওই দুটি গাড়ির আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনার শিকার গাড়িগুলোর মধ্যে একটি ছিল পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বহনকারী ইকোনোলাইন ভ্যান, যা বিমানটির ধাক্কায় পুরোপুরি চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। ওই ভ্যানটিতে সাতজন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।

তদন্তকারীদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে বিমানবন্দরের সীমানা প্রাচীর ভেঙে একটি পাবলিক সড়কে উঠে যায়। সেখানে একটি এসইউভিকে ধাক্কা দেওয়ার পর বিমানটি আরও একটি বেড়া ভেঙে রোবোট্যাক্সি রাখা একটি এলাকায় প্রবেশ করে। এনটিএসবি প্রধান জেনিফার হোমেন্ডি দুর্ঘটনাস্থলের পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ভয়াবহ বলে বর্ণনা করেছেন। দুর্ঘটনার পরপরই বিমানবন্দরের কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে এবং শত শত ফ্লাইট বিলম্বিত হয়।

উদ্ধার করা ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও ককপিট ভয়েস রেকর্ডার এখন বিস্তারিত বিশ্লেষণের জন্য এনটিএসবির কাছে পাঠানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার আগে বিমানের গতি, উচ্চতা, দিকনির্দেশনা এবং ককপিটের কথোপকথন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে এই রেকর্ডারগুলো থেকে। জেনিফার হোমেন্ডি জানান, তদন্তের স্বার্থে ক্রুদের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন। তবে উদ্ধার অভিযান চলাকালে তদন্তকারীদের বিমানটিতে প্রবেশের কাজ কিছুটা বিলম্বিত হতে পারে, কারণ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াকেই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনার শিকার বিমানটি ১৯৯৪ সালে নির্মিত একটি বোয়িং ৭৬৭ মডেলের কার্গো বিমান। মিয়ামিভিত্তিক ২১ এয়ার এলএলসি পরিচালিত এই বিমানটি অ্যামাজনের চুক্তিভিত্তিক পণ্য পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হতো। দুর্ঘটনার সময় এটি পুয়ের্তো রিকোর সান হুয়ান থেকে মিয়ামির উদ্দেশে আসছিল। বর্তমানে এনটিএসবি তদন্তকারীরা বিমানের দুই পাইলটের শারীরিক অবস্থা যাচাই, ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দুর্ঘটনাস্থলে তদন্ত ও উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।