ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশিদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে ভিয়েতনামের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান ছাত্র আন্দোলনে মৃত্যু: শেখ হাসিনাসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা মেঘ হয়ে ঝরে পড়ার আকুতি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরির হিড়িক, সেচ নিয়ে শঙ্কা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে রোমহর্ষক সাক্ষ্য সাবেক সেনা কর্মকর্তার চীন ও ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের গ্রীষ্মে রেকর্ড যাত্রী পরিবহন এমিরেটসের, শীতের বুকিংয়েও জোর সম্ভাবনা জাতিসংঘ অধিবেশনে মাহমুদ আব্বাসকে ভিসা দিল না যুক্তরাষ্ট্র শ্রীরামপুরে জনসভার অনুমতি পেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল

পশ্চিমবঙ্গকে ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’ বানানোর চেষ্টা হয়েছে, মন্তব্য শুভেন্দুর

  • আপডেট সময় : ১১:০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 7
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পশ্চিমবঙ্গের সনাতনী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিগত ৪৯ বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার চেষ্টা চলেছে বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার কলকাতার কেষ্টপুরে একটি গণেশ পূজা মণ্ডপ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে ৩৪ বছর বাম শাসনের অধীনে ছিল এবং পরবর্তী ১৫ বছর ছিল তৃণমূল সরকারের শাসনামল। তার মতে, গত প্রায় পাঁচ দশক ধরে রাজ্যের সাংস্কৃতিক পরিচয় বদলে ফেলার একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে।

বাম আমলের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, কমিউনিস্ট শাসনে ধর্মকে ‘আফিম’ হিসেবে অভিহিত করা হতো। সেই সময় পূজা মণ্ডপের বাইরে স্টলগুলোতে কার্ল মার্কস কিংবা ভ্লাদিমির লেনিনের বই রাখা হতো, কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দ, লোকনাথ বাবা, ভগবত গীতা বা হনুমান চালিশার কোনো অস্তিত্ব থাকত না। তারা স্পষ্টভাবে নিজেদের ধর্মে অবিশ্বাসী হিসেবে পরিচয় দিত এবং ধর্মকে অপপ্রচারের হাতিয়ার বানাত।

তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, গত ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাকে ‘জামাতিকরণ’ করার চেষ্টা হয়েছে। বিশেষ করে শাসনামলের শেষ দিকে এই প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা গেছে। পঞ্জিকার নিয়ম না মেনে বিসর্জনের তারিখ পরিবর্তন করা এবং মহররমের দোহাই দিয়ে বিজয়া দশমীর বিসর্জনে বাধা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এভাবেই ধীরে ধীরে রাজ্যের দীর্ঘদিনের পরম্পরাকে বদলে ফেলার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।

নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, এখনকার শাসনব্যবস্থা রাজ্যের হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি ও পরম্পরাগুলোকে পুনরায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। তার মতে, অতীতে যে রাজনৈতিক দলগুলো ধর্মের বিরোধিতা করেছে কিংবা রাজ্যের মূল পরিচিতি মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে, তাদের আদর্শিক লড়াইয়ে সাধারণ মানুষ ও সংস্কৃতিই ছিল বড় লক্ষ্যবস্তু। এখন সেই পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তনের প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৩৪ বছর যারা ধর্মকে আফিম বলত তারা ক্ষমতায় ছিল কমিউনিস্টদের অধীনে, আর তার পরের ১৫ বছর তারা (তৃণমূল) একে বৃহত্তর বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পশ্চিমবঙ্গকে ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’ বানানোর চেষ্টা হয়েছে, মন্তব্য শুভেন্দুর

আপডেট সময় : ১১:০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের সনাতনী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিগত ৪৯ বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার চেষ্টা চলেছে বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার কলকাতার কেষ্টপুরে একটি গণেশ পূজা মণ্ডপ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে ৩৪ বছর বাম শাসনের অধীনে ছিল এবং পরবর্তী ১৫ বছর ছিল তৃণমূল সরকারের শাসনামল। তার মতে, গত প্রায় পাঁচ দশক ধরে রাজ্যের সাংস্কৃতিক পরিচয় বদলে ফেলার একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে।

বাম আমলের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, কমিউনিস্ট শাসনে ধর্মকে ‘আফিম’ হিসেবে অভিহিত করা হতো। সেই সময় পূজা মণ্ডপের বাইরে স্টলগুলোতে কার্ল মার্কস কিংবা ভ্লাদিমির লেনিনের বই রাখা হতো, কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দ, লোকনাথ বাবা, ভগবত গীতা বা হনুমান চালিশার কোনো অস্তিত্ব থাকত না। তারা স্পষ্টভাবে নিজেদের ধর্মে অবিশ্বাসী হিসেবে পরিচয় দিত এবং ধর্মকে অপপ্রচারের হাতিয়ার বানাত।

তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, গত ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাকে ‘জামাতিকরণ’ করার চেষ্টা হয়েছে। বিশেষ করে শাসনামলের শেষ দিকে এই প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা গেছে। পঞ্জিকার নিয়ম না মেনে বিসর্জনের তারিখ পরিবর্তন করা এবং মহররমের দোহাই দিয়ে বিজয়া দশমীর বিসর্জনে বাধা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এভাবেই ধীরে ধীরে রাজ্যের দীর্ঘদিনের পরম্পরাকে বদলে ফেলার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।

নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, এখনকার শাসনব্যবস্থা রাজ্যের হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি ও পরম্পরাগুলোকে পুনরায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। তার মতে, অতীতে যে রাজনৈতিক দলগুলো ধর্মের বিরোধিতা করেছে কিংবা রাজ্যের মূল পরিচিতি মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে, তাদের আদর্শিক লড়াইয়ে সাধারণ মানুষ ও সংস্কৃতিই ছিল বড় লক্ষ্যবস্তু। এখন সেই পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তনের প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৩৪ বছর যারা ধর্মকে আফিম বলত তারা ক্ষমতায় ছিল কমিউনিস্টদের অধীনে, আর তার পরের ১৫ বছর তারা (তৃণমূল) একে বৃহত্তর বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা করেছে।