ঢাকা ০২:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা নিয়ে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ হিউম্যান রাইটস

  • আপডেট সময় : ০১:৩২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 17
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মানবাধিকার সংস্কারের বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা থেকে তারা সরে এসেছে বলে অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির ভাষ্যমতে, সেপ্টেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া তিনটি নতুন আইন বাংলাদেশে মানবাধিকারের সুরক্ষাকে আরও সংকুচিত করেছে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া জনমুখী সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলোকে নতুন আইনের মাধ্যমে বাতিল বা দুর্বল করা হয়েছে। ফলে অতীতে ঘটে যাওয়া গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি রোধের আইনি কাঠামো এখন অনেকটাই অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল, যা গুম প্রতিরোধ ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা ও তদন্তের ক্ষমতা কমিয়ে নতুন আইন পাস করেছে। এছাড়া আধা-সামরিক বাহিনী র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‍্যাব বিলুপ্ত করার দাবি থাকলেও বাস্তবে শুধুমাত্র এর নাম পরিবর্তন করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) করা হয়েছে। এই বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রে পুলিশের জন্য প্রযোজ্য সুরক্ষামূলক বিধানও রাখা হয়নি।

এইচআরডব্লিউ-এর এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক এলেইন পিয়ারসন মনে করেন, নিরাপত্তা খাতের প্রকৃত সংস্কার এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের তদন্তে একটি স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন অপরিহার্য। তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসলেও নিরাপত্তা বাহিনীকে জবাবদিহিতার বাইরে রাখার মাধ্যমে অতীতের গুমের সংস্কৃতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। বিশেষ করে অতীতে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত বাহিনীর সদস্যরা নতুন নামে বহাল থাকায় উদ্বেগের জায়গা তৈরি হয়েছে।

২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক গুম ও দমন-পীড়নের ঘটনা নিয়মিত বিষয় ছিল। যদিও বর্তমানে গুমের হার কমেছে, তবে নতুন সরকারের বিরুদ্ধে শত শত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আটক রাখার অভিযোগ রয়েছে। মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করতে অন্তর্বর্তী সরকার যে কাঠামো তৈরি করেছিল, তা নতুন আইনের মাধ্যমে পুরোপুরি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনকে কেবল প্রতিবেদন তলবের সীমিত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা প্যারিস নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের ক্ষেত্রেও অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারের বিপরীত পথে হেঁটেছে বর্তমান প্রশাসন। নতুন আইনে অভিযুক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্তের ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে অন্য সংস্থার ওপর দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কমান্ড রেসপনসিবিলিটি বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়বদ্ধতার বিষয়টিকেও নতুন আইনে শিথিল করা হয়েছে, যেখানে সরাসরি নির্দেশের প্রমাণ ছাড়া অভিযুক্ত করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এসআরবি কার্যক্রম শুরু করেছে, যেখানে র‍্যাবের পুরনো ব্যাটালিয়নের সদস্য, ক্ষমতা ও নথিপত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। এমনকি বাহিনীর লোগো পরিবর্তন করলেও সাংগঠনিক কাঠামো একই রয়ে গেছে। র‍্যাবের সাতজন শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার পরেও বাহিনীর এই রূপান্তর নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বৃটেনের মতো আন্তর্জাতিক অংশীদারদের এখনই বাংলাদেশের মানবাধিকার নীতির বিষয়ে কার্যকর চাপ প্রয়োগ করা প্রয়োজন বলে মনে করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিরাপত্তা বাহিনীকে নজরদারি ও জবাবদিহিতা থেকে আড়াল করার ক্ষেত্রে নতুন সরকারের এই তৎপরতা অতীতের হত্যাকাণ্ড ও গুমের সংস্কৃতি আর ফিরে আসবে না বলে আশ্বস্ত হওয়ার কোনো সুযোগ রাখছে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সংস্থাটি আরও উল্লেখ করে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, যার মধ্যে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক গুম, সমালোচকদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তৎকালীন আইনে সরকার বা সরকার-ঘনিষ্ঠদের প্রাধান্য থাকা একটি কমিটির মাধ্যমে কমিশনারদের বাছাই করা হতো। চাকরির আরও তথ্য: এর আওতায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের ক্ষমতা, স্বাধীন নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং নিজস্ব তহবিল ও জনবল কাঠামোর ব্যবস্থা করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রথমবারের মতো নির্যাতনবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদের প্রটোকল অনুযায়ী গোপন বন্দিশালা বা আটককেন্দ্রগুলো পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে একটি জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা গঠন করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিএনপি প্রশাসন অধ্যাদেশটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হতে দেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত ৬ সেপ্টেম্বর বিরোধী আইনপ্রণেতাদের ওয়াকআউটের মধ্য দিয়ে সংসদে পাস হওয়া নতুন আইনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সরাসরি তদন্তের ক্ষমতা মানবাধিকার কমিশনকে দেয়া হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা নিয়ে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ হিউম্যান রাইটস

আপডেট সময় : ০১:৩২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানবাধিকার সংস্কারের বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা থেকে তারা সরে এসেছে বলে অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির ভাষ্যমতে, সেপ্টেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া তিনটি নতুন আইন বাংলাদেশে মানবাধিকারের সুরক্ষাকে আরও সংকুচিত করেছে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া জনমুখী সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলোকে নতুন আইনের মাধ্যমে বাতিল বা দুর্বল করা হয়েছে। ফলে অতীতে ঘটে যাওয়া গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি রোধের আইনি কাঠামো এখন অনেকটাই অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল, যা গুম প্রতিরোধ ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা ও তদন্তের ক্ষমতা কমিয়ে নতুন আইন পাস করেছে। এছাড়া আধা-সামরিক বাহিনী র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‍্যাব বিলুপ্ত করার দাবি থাকলেও বাস্তবে শুধুমাত্র এর নাম পরিবর্তন করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) করা হয়েছে। এই বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রে পুলিশের জন্য প্রযোজ্য সুরক্ষামূলক বিধানও রাখা হয়নি।

এইচআরডব্লিউ-এর এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক এলেইন পিয়ারসন মনে করেন, নিরাপত্তা খাতের প্রকৃত সংস্কার এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের তদন্তে একটি স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন অপরিহার্য। তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসলেও নিরাপত্তা বাহিনীকে জবাবদিহিতার বাইরে রাখার মাধ্যমে অতীতের গুমের সংস্কৃতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। বিশেষ করে অতীতে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত বাহিনীর সদস্যরা নতুন নামে বহাল থাকায় উদ্বেগের জায়গা তৈরি হয়েছে।

২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক গুম ও দমন-পীড়নের ঘটনা নিয়মিত বিষয় ছিল। যদিও বর্তমানে গুমের হার কমেছে, তবে নতুন সরকারের বিরুদ্ধে শত শত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আটক রাখার অভিযোগ রয়েছে। মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করতে অন্তর্বর্তী সরকার যে কাঠামো তৈরি করেছিল, তা নতুন আইনের মাধ্যমে পুরোপুরি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনকে কেবল প্রতিবেদন তলবের সীমিত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা প্যারিস নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের ক্ষেত্রেও অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারের বিপরীত পথে হেঁটেছে বর্তমান প্রশাসন। নতুন আইনে অভিযুক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্তের ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে অন্য সংস্থার ওপর দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কমান্ড রেসপনসিবিলিটি বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়বদ্ধতার বিষয়টিকেও নতুন আইনে শিথিল করা হয়েছে, যেখানে সরাসরি নির্দেশের প্রমাণ ছাড়া অভিযুক্ত করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এসআরবি কার্যক্রম শুরু করেছে, যেখানে র‍্যাবের পুরনো ব্যাটালিয়নের সদস্য, ক্ষমতা ও নথিপত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। এমনকি বাহিনীর লোগো পরিবর্তন করলেও সাংগঠনিক কাঠামো একই রয়ে গেছে। র‍্যাবের সাতজন শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার পরেও বাহিনীর এই রূপান্তর নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বৃটেনের মতো আন্তর্জাতিক অংশীদারদের এখনই বাংলাদেশের মানবাধিকার নীতির বিষয়ে কার্যকর চাপ প্রয়োগ করা প্রয়োজন বলে মনে করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিরাপত্তা বাহিনীকে নজরদারি ও জবাবদিহিতা থেকে আড়াল করার ক্ষেত্রে নতুন সরকারের এই তৎপরতা অতীতের হত্যাকাণ্ড ও গুমের সংস্কৃতি আর ফিরে আসবে না বলে আশ্বস্ত হওয়ার কোনো সুযোগ রাখছে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সংস্থাটি আরও উল্লেখ করে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, যার মধ্যে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক গুম, সমালোচকদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তৎকালীন আইনে সরকার বা সরকার-ঘনিষ্ঠদের প্রাধান্য থাকা একটি কমিটির মাধ্যমে কমিশনারদের বাছাই করা হতো। চাকরির আরও তথ্য: এর আওতায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের ক্ষমতা, স্বাধীন নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং নিজস্ব তহবিল ও জনবল কাঠামোর ব্যবস্থা করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রথমবারের মতো নির্যাতনবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদের প্রটোকল অনুযায়ী গোপন বন্দিশালা বা আটককেন্দ্রগুলো পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে একটি জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা গঠন করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিএনপি প্রশাসন অধ্যাদেশটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হতে দেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত ৬ সেপ্টেম্বর বিরোধী আইনপ্রণেতাদের ওয়াকআউটের মধ্য দিয়ে সংসদে পাস হওয়া নতুন আইনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সরাসরি তদন্তের ক্ষমতা মানবাধিকার কমিশনকে দেয়া হয়নি।