ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নিষেধাজ্ঞার মুখেও সচল ইরানের ইমাম খোমেনি বিমানবন্দর

  • আপডেট সময় : ১২:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 19
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কার্যক্রম পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছে। বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রামিন কাশেফ-আজার স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বর্তমানে ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক রুটে তাদের ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার দিন হিসেবে পরিচিত গত ২৩ সেপ্টেম্বরও এই বিমানবন্দর থেকে ৬০টি ফ্লাইট সফলভাবে তাদের গন্তব্যে যাত্রা করেছে।

ইরানের এভিয়েশন খাতের ওপর গত ৮ সেপ্টেম্বর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ। এই পদক্ষেপের আওতায় ইরানের আরও ২৭টি বিমান সংস্থাকে নতুন করে নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করা হয়, যার ফলে দেশটির প্রায় সব বিমান সংস্থা মার্কিন নিয়ন্ত্রণের আওতায় চলে আসে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট সেই সময় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিলেন যে, ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে যারা জ্বালানি সরবরাহ, ল্যান্ডিং সার্ভিস বা টিকিট বিক্রির মতো কাজে জড়িত থাকবে, তারাও দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়বে। এর ফলে বিশ্ববাজার থেকে ওই কোম্পানিগুলোর বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এই কঠোর নীতির প্রভাবে ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরাকের চারটি বিমানবন্দর ইরানি ফ্লাইটের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে চলাচল স্থগিত রেখেছে। তবে এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইরানের এয়ারলাইনসগুলো রাশিয়া ও চীনের মতো দেশগুলোর গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিষেধাজ্ঞার মুখেও সচল ইরানের ইমাম খোমেনি বিমানবন্দর

আপডেট সময় : ১২:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কার্যক্রম পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছে। বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রামিন কাশেফ-আজার স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বর্তমানে ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক রুটে তাদের ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার দিন হিসেবে পরিচিত গত ২৩ সেপ্টেম্বরও এই বিমানবন্দর থেকে ৬০টি ফ্লাইট সফলভাবে তাদের গন্তব্যে যাত্রা করেছে।

ইরানের এভিয়েশন খাতের ওপর গত ৮ সেপ্টেম্বর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ। এই পদক্ষেপের আওতায় ইরানের আরও ২৭টি বিমান সংস্থাকে নতুন করে নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করা হয়, যার ফলে দেশটির প্রায় সব বিমান সংস্থা মার্কিন নিয়ন্ত্রণের আওতায় চলে আসে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট সেই সময় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিলেন যে, ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে যারা জ্বালানি সরবরাহ, ল্যান্ডিং সার্ভিস বা টিকিট বিক্রির মতো কাজে জড়িত থাকবে, তারাও দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়বে। এর ফলে বিশ্ববাজার থেকে ওই কোম্পানিগুলোর বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এই কঠোর নীতির প্রভাবে ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরাকের চারটি বিমানবন্দর ইরানি ফ্লাইটের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে চলাচল স্থগিত রেখেছে। তবে এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইরানের এয়ারলাইনসগুলো রাশিয়া ও চীনের মতো দেশগুলোর গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে।