ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনালে সেবা শুরু

  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 18
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা কক্সবাজার বিমানবন্দরের নবনির্মিত টার্মিনাল ভবন থেকে যাত্রীসেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে অভ্যন্তরীণ রুটের বিভিন্ন এয়ারলাইনস এই নতুন ভবন ব্যবহার করে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে। বেসরকারি এয়ারলাইন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস নতুন টার্মিনাল থেকে প্রথমবারের মতো ফ্লাইট পরিচালনার কৃতিত্ব অর্জন করেছে। সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ৭০ জন যাত্রী নিয়ে এয়ারলাইনটির একটি ফ্লাইট ঢাকা অভিমুখে উড্ডয়ন করে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী অক্টোবর মাসে টার্মিনালটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা থাকলেও যাত্রীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে উদ্বোধনের আগেই এটি খুলে দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার বিমানবন্দরের পরিচালক গোলাম মোর্তোজা হোসেন জানান, নতুন ভবনে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট স্থানান্তর করার জন্য গত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট সব এয়ারলাইনস ও বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এর আওতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা, নভোএয়ার এবং এয়ার অ্যাস্ট্রাকে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলা হয়।

নতুন এই টার্মিনাল ভবনে মোট ১৪টি চেক-ইন কাউন্টার স্থাপন করা হয়েছে। যাত্রী ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে নভোএয়ার ও এয়ার অ্যাস্ট্রাকে যৌথভাবে কাউন্টার ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে প্রয়োজনে এয়ারলাইনগুলো আলাদাভাবেও কাউন্টার ব্যবহার করতে পারবে। ইউএস-বাংলার কক্সবাজার স্টেশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মুসা আহমেদ জানান, তাদের ফ্লাইটের মাধ্যমে নতুন টার্মিনালে কার্যক্রম শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই টার্মিনাল যাত্রীসেবাকে আরও সহজ ও দ্রুততর করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত বুধবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক টার্মিনাল চালুর সার্বিক প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার পর আগামী মাসে এখান থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পর্যটক ও বিমানযাত্রীর ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবিলা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের লক্ষ্যেই এই টার্মিনাল নির্মিত হয়েছে, যা স্থানীয় পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনালে সেবা শুরু

আপডেট সময় : ০৪:১৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা কক্সবাজার বিমানবন্দরের নবনির্মিত টার্মিনাল ভবন থেকে যাত্রীসেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে অভ্যন্তরীণ রুটের বিভিন্ন এয়ারলাইনস এই নতুন ভবন ব্যবহার করে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে। বেসরকারি এয়ারলাইন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস নতুন টার্মিনাল থেকে প্রথমবারের মতো ফ্লাইট পরিচালনার কৃতিত্ব অর্জন করেছে। সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ৭০ জন যাত্রী নিয়ে এয়ারলাইনটির একটি ফ্লাইট ঢাকা অভিমুখে উড্ডয়ন করে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী অক্টোবর মাসে টার্মিনালটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা থাকলেও যাত্রীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে উদ্বোধনের আগেই এটি খুলে দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার বিমানবন্দরের পরিচালক গোলাম মোর্তোজা হোসেন জানান, নতুন ভবনে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট স্থানান্তর করার জন্য গত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট সব এয়ারলাইনস ও বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এর আওতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা, নভোএয়ার এবং এয়ার অ্যাস্ট্রাকে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলা হয়।

নতুন এই টার্মিনাল ভবনে মোট ১৪টি চেক-ইন কাউন্টার স্থাপন করা হয়েছে। যাত্রী ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে নভোএয়ার ও এয়ার অ্যাস্ট্রাকে যৌথভাবে কাউন্টার ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে প্রয়োজনে এয়ারলাইনগুলো আলাদাভাবেও কাউন্টার ব্যবহার করতে পারবে। ইউএস-বাংলার কক্সবাজার স্টেশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মুসা আহমেদ জানান, তাদের ফ্লাইটের মাধ্যমে নতুন টার্মিনালে কার্যক্রম শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই টার্মিনাল যাত্রীসেবাকে আরও সহজ ও দ্রুততর করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত বুধবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক টার্মিনাল চালুর সার্বিক প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার পর আগামী মাসে এখান থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পর্যটক ও বিমানযাত্রীর ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবিলা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের লক্ষ্যেই এই টার্মিনাল নির্মিত হয়েছে, যা স্থানীয় পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।