বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথভাবে দ্বিতীয়
- আপডেট সময় : ০৭:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 9
বিশ্বের ১১৮টি দেশ ও অঞ্চলের ২ হাজার ২৯৭টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে টাইমস হায়ার এডুকেশন (THE) ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৭। এই তালিকায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে গাকৃবির অবস্থান এখন ১০০১ থেকে ১২০০-এর মধ্যে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তাদের ওয়েবসাইটে এই তালিকা প্রকাশ করে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষাদান, গবেষণার পরিবেশ, গবেষণার গুণগত মান, শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি—এই পাঁচটি প্রধান সূচক বিশ্লেষণ করে এই র্যাঙ্কিং তৈরি করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, এবারের তালিকায় সরাসরি স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়। এর বাইরে আরও ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘রিপোর্টার ইউনিভার্সিটি’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গাকৃবি বিশেষ করে ‘গুণগত শিক্ষাদান’ সূচকে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থান দখল করে নিয়েছে।
বিশ্বমঞ্চে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) এবং প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি। এর আগে সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিং ২০২৬-এ দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল গাকৃবি। এছাড়া এসডিজি-১ সূচকে বিশ্বে ৮২তম, এসডিজি-২ সূচকে ৬৬তম এবং এসডিজি-৪ সূচকে ১০১ থেকে ২০০-এর মধ্যে অবস্থান করে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের সক্ষমতার জানান দিয়েছে।
পাশাপাশি ডব্লিউইউআরআই (WURI) ২০২৬-এর ‘ফিন্যান্সিয়াল ইমপ্যাক্ট ড্রাইভেন টেকনোলজি ট্রান্সফার’ ক্যাটাগরিতে বিশ্বে ২৩তম এবং কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি সাসটেইনেবিলিটি র্যাঙ্কিংস ২০২৬-এ দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান লাভ করেছে গাকৃবি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান এই অর্জনকে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, র্যাঙ্কিংকে তারা শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মানোন্নয়নের দর্পণ হিসেবে বিবেচনা করেন এবং বিশ্বমানের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার এই প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
























