ঢাকা ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হুতিদের হামলায় অচল রিয়াদ বিমানবন্দর, বাতিল শত শত ফ্লাইট মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে নজরুলের দর্শনের ওপর জোর এস এম বেঙ্গালুরুতে ‘ভোট সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়’র অভিযোগে সিজেপির বিক্ষোভে সরব শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা ও অব্যবস্থাপনা: উত্তরণের পথ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সিলিকন ভ্যালির শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেসির বিদায়ে নতুন চ্যালেঞ্জে আর্জেন্টিনা ফুটবলের বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য মতিঝিলের বাংলার বাণী ভবন এখন প্রতিমন্ত্রীর অনুসারীদের দখলে সাহিত্যে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন কানাডীয় লেখক অ্যান কারসন ঢাকার গণপরিবহণ ও সড়ক শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক স্পিরিট এয়ারলাইনস বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রে আকাশপথের ভাড়া বাড়ছে

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন

  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 4
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পদার্থবিজ্ঞানের মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার ২০২৬ সালের জন্য জিতে নিয়েছেন বেলজিয়ামে জন্ম নেওয়া মার্কিন বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন। মহাবিশ্বের গভীরে থাকা উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো কণা শনাক্তকরণে যুগান্তকারী অবদান এবং অ্যান্টার্কটিকার বরফের নিচে ‘আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি’ স্থাপনে নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস এককভাবে তার নাম ঘোষণা করে। ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে সম্মানজনক নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বেলজিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন।

নোবেল কমিটির ভাষ্যমতে, মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উন্মোচনে এবং অত্যন্ত শক্তিশালী নিউট্রিনো কণার অস্তিত্ব প্রমাণের মাধ্যমে আধুনিক বিজ্ঞানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন এই তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। ১৯৪৪ সালে বেলজিয়ামে জন্ম নেওয়া ফ্রান্সিস হ্যালজেন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনে অধ্যাপনার দায়িত্বে রয়েছেন। আগামী ১০ই ডিসেম্বর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এই পদক ও পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হবে। এ খবর প্রকাশ করেছে নোবেল কমিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

দক্ষিণ মেরুর হাজার হাজার ফুট পুরু বরফের স্তরের নিচে অবস্থিত আইসকিউব হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ নিউট্রিনো টেলিস্কোপ। এটি মূলত ব্ল্যাক হোল, সুপারনোভা বিস্ফোরণ কিংবা দূরবর্তী গ্যালাক্সি থেকে আসা প্রায় ভরহীন ও অদৃশ্য নিউট্রিনো শনাক্ত করে। হ্যালজেনের এই গবেষণালব্ধ পদ্ধতিকে বিজ্ঞানমহলে ‘নিউট্রিনো অ্যাস্ট্রোনমি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, যা মহাজাগতিক পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে নতুন এক ধারার জন্ম দিয়েছে। ফ্রান্সিস হ্যালজেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণা জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, যা বিজ্ঞানীদের কাছে ‘নিউট্রিনো অ্যাস্ট্রোনমি’ নামে পরিচিত।

চলতি বছর নোবেল পুরস্কার ঘোষণার ধারাবাহিকতায় সোমবার চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘অপটোজেনেটিক্স’ উদ্ভাবনের জন্য তিন বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এই প্রক্রিয়ায় নোবেল জয়ী হিসেবে ফ্রান্সিস হ্যালজেনের নাম প্রকাশের পর বুধবার রসায়নশাস্ত্রে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে নোবেল কমিটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

পদার্থবিজ্ঞানের মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার ২০২৬ সালের জন্য জিতে নিয়েছেন বেলজিয়ামে জন্ম নেওয়া মার্কিন বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন। মহাবিশ্বের গভীরে থাকা উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো কণা শনাক্তকরণে যুগান্তকারী অবদান এবং অ্যান্টার্কটিকার বরফের নিচে ‘আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি’ স্থাপনে নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস এককভাবে তার নাম ঘোষণা করে। ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে সম্মানজনক নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বেলজিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন।

নোবেল কমিটির ভাষ্যমতে, মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উন্মোচনে এবং অত্যন্ত শক্তিশালী নিউট্রিনো কণার অস্তিত্ব প্রমাণের মাধ্যমে আধুনিক বিজ্ঞানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন এই তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। ১৯৪৪ সালে বেলজিয়ামে জন্ম নেওয়া ফ্রান্সিস হ্যালজেন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনে অধ্যাপনার দায়িত্বে রয়েছেন। আগামী ১০ই ডিসেম্বর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এই পদক ও পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হবে। এ খবর প্রকাশ করেছে নোবেল কমিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

দক্ষিণ মেরুর হাজার হাজার ফুট পুরু বরফের স্তরের নিচে অবস্থিত আইসকিউব হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ নিউট্রিনো টেলিস্কোপ। এটি মূলত ব্ল্যাক হোল, সুপারনোভা বিস্ফোরণ কিংবা দূরবর্তী গ্যালাক্সি থেকে আসা প্রায় ভরহীন ও অদৃশ্য নিউট্রিনো শনাক্ত করে। হ্যালজেনের এই গবেষণালব্ধ পদ্ধতিকে বিজ্ঞানমহলে ‘নিউট্রিনো অ্যাস্ট্রোনমি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, যা মহাজাগতিক পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে নতুন এক ধারার জন্ম দিয়েছে। ফ্রান্সিস হ্যালজেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণা জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, যা বিজ্ঞানীদের কাছে ‘নিউট্রিনো অ্যাস্ট্রোনমি’ নামে পরিচিত।

চলতি বছর নোবেল পুরস্কার ঘোষণার ধারাবাহিকতায় সোমবার চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘অপটোজেনেটিক্স’ উদ্ভাবনের জন্য তিন বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এই প্রক্রিয়ায় নোবেল জয়ী হিসেবে ফ্রান্সিস হ্যালজেনের নাম প্রকাশের পর বুধবার রসায়নশাস্ত্রে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে নোবেল কমিটি।