ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’য় চট্টগ্রামে বড় কোন ক্ষয় ক্ষতি হয়নি

  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০১৭
  • / 351
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ প্রায় চার ঘন্টা পূর্বে চট্টগ্রাম উপকুল অতিক্রম করেছে । তবে বাতাস ও ঝড়ে চট্টগ্রামে কয়েকটি ঘরবাড়ি ও গাছপালা বিধ্বস্ত হওয়া ছাড়া তেমন কোনও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনও পাওয়া যায়নি।

ঘূর্ণিঝড় মোরার আঘাতে চট্টগ্রামের ৭টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা বাঁশখালী, সন্দ্বীপ, আনোয়ারা, সীতাকুন্ড, মিরসরাই, কর্ণফুলী এলাকায় এখন পযন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

তবে চট্টগ্রামের এসব এলাকায় দমকা হাওয়ায় ও ভারি বৃষ্টিপাতে কিছু গাছ-পালা ও ঘর-বাড়ি উপড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বে থাকা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাইনি। তবে উপকূলীয় কয়েকটি উপজেলায় কিছু ঘর-বাড়ি ও গাছ-পালা উপড়ে যাওয়ার খবর পেয়েছি।’

এদিকে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম অতিক্রম করেছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় এখানে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৬ কিলোমিটার।’ দুপুর ২টা পর্যন্ত এখানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান। ঘূর্ণিঝড়ের সময় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে চার থেকে পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছাস হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’য় চট্টগ্রামে বড় কোন ক্ষয় ক্ষতি হয়নি

আপডেট সময় : ০৫:১৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০১৭

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ প্রায় চার ঘন্টা পূর্বে চট্টগ্রাম উপকুল অতিক্রম করেছে । তবে বাতাস ও ঝড়ে চট্টগ্রামে কয়েকটি ঘরবাড়ি ও গাছপালা বিধ্বস্ত হওয়া ছাড়া তেমন কোনও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনও পাওয়া যায়নি।

ঘূর্ণিঝড় মোরার আঘাতে চট্টগ্রামের ৭টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা বাঁশখালী, সন্দ্বীপ, আনোয়ারা, সীতাকুন্ড, মিরসরাই, কর্ণফুলী এলাকায় এখন পযন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

তবে চট্টগ্রামের এসব এলাকায় দমকা হাওয়ায় ও ভারি বৃষ্টিপাতে কিছু গাছ-পালা ও ঘর-বাড়ি উপড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বে থাকা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাইনি। তবে উপকূলীয় কয়েকটি উপজেলায় কিছু ঘর-বাড়ি ও গাছ-পালা উপড়ে যাওয়ার খবর পেয়েছি।’

এদিকে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম অতিক্রম করেছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় এখানে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৬ কিলোমিটার।’ দুপুর ২টা পর্যন্ত এখানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান। ঘূর্ণিঝড়ের সময় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে চার থেকে পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছাস হতে পারে।