ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলকারখানায় অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরের ভাড়া বাসায় ডিজে পার্টি ও অসামাজিক রাজাপুরে ইজিবাইক উল্টে ১০ বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রভাবে বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম শাহজালাল বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত ১২ উড়োজাহাজ নিয়ে উভয় সংকট ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে মিষ্টি আলুর উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ ধুনটে আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকরা, লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩৯ হাজার আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী জাপান সফরে ৮ চুক্তি সইয়ের লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রীর

কলকারখানায় অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • আপডেট সময় : ০৯:১১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের কিছু কলকারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি অভিযোগ করেন, পলাতক স্বৈরাচারী গোষ্ঠী এবং সীমান্তের ওপার থেকে আসা অর্থের মাধ্যমে এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য রয়েছে জানিয়ে তিনি জনগণকে এই ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। দেশের কয়েকটি কল-কারখানায় অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল মুখে এক কথা বললেও কাজে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিতে থাকতে চায়। অথচ একটি মহল দেশের এই অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে অস্থিরতা উসকে দিচ্ছে। বিএনপি একাত্তর ও চব্বিশের চেতনাকে ধারণ করে—এই কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থান, আহত যোদ্ধাদের সুচিকিৎসা এবং তাদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে, বিএনপি ৭১-কে ধারণ করে, বিএনপি ২৪-কে ধারণ করে। সেই কারণে ২৪-এর শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের পাশে বিএনপি দাঁড়িয়েছে। জনগণ চায় কর্মসংস্থান ও শান্তিপূর্ণভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে। আপনাদের শক্তি হচ্ছে বিএনপি সরকারের শক্তি।

রাজশাহীর দীর্ঘদিনের পানির সংকট দূর করতে তিস্তা ও পদ্মা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তারেক রহমান। তিনি দাবি করেন, এই ব্যারেজ নির্মিত হলে রাজশাহীসহ অন্তত ১৪টি জেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরুর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এ ছাড়াও কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, উপজেলা হাসপাতালের উন্নয়ন এবং খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণের সমর্থন প্রত্যাশা করেন সরকারপ্রধান।

জনসভায় যোগ দিয়ে আখচাষিদের জন্য বিশেষ সুখবর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ল্যাপটপের বাটন চেপে তিনি ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির মাঝে ১২ কোটি টাকার সরকারি প্রণোদনা বিতরণ করেন। মোবাইল ফোনে এসএমএস পাওয়ার মাধ্যমে কৃষকরা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের ব্যাংক হিসাবে প্রণোদনার অর্থ পৌঁছে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন। যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে, তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। টাকা জমা হওয়ার বার্তা মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে পান কৃষকরা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে জনসভা সঞ্চালনা করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন। এতে বক্তব্য রাখেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নিতাই রায় চৌধুরী, মিজানুর রহমান মিনু, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, মেজর (অব.) শরীর উদ্দিন, নিপুন রায় চৌধুরী, শফিকুল হক মিলন, আবু সাঈদ চাঁদ, মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, আমিনুল ইসলাম আলিম এবং মামুন-অর রশিদ প্রমুখ। শরীর উদ্দিন, সংসদ সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৬ আসনের সাংসদ আবু সাঈদ চাঁদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সহ-সাংগঠনিক সম্প।

নিউজটি শেয়ার করুন

কলকারখানায় অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৯:১১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

দেশের কিছু কলকারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি অভিযোগ করেন, পলাতক স্বৈরাচারী গোষ্ঠী এবং সীমান্তের ওপার থেকে আসা অর্থের মাধ্যমে এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য রয়েছে জানিয়ে তিনি জনগণকে এই ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। দেশের কয়েকটি কল-কারখানায় অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল মুখে এক কথা বললেও কাজে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিতে থাকতে চায়। অথচ একটি মহল দেশের এই অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে অস্থিরতা উসকে দিচ্ছে। বিএনপি একাত্তর ও চব্বিশের চেতনাকে ধারণ করে—এই কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থান, আহত যোদ্ধাদের সুচিকিৎসা এবং তাদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে, বিএনপি ৭১-কে ধারণ করে, বিএনপি ২৪-কে ধারণ করে। সেই কারণে ২৪-এর শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের পাশে বিএনপি দাঁড়িয়েছে। জনগণ চায় কর্মসংস্থান ও শান্তিপূর্ণভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে। আপনাদের শক্তি হচ্ছে বিএনপি সরকারের শক্তি।

রাজশাহীর দীর্ঘদিনের পানির সংকট দূর করতে তিস্তা ও পদ্মা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তারেক রহমান। তিনি দাবি করেন, এই ব্যারেজ নির্মিত হলে রাজশাহীসহ অন্তত ১৪টি জেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরুর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এ ছাড়াও কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, উপজেলা হাসপাতালের উন্নয়ন এবং খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণের সমর্থন প্রত্যাশা করেন সরকারপ্রধান।

জনসভায় যোগ দিয়ে আখচাষিদের জন্য বিশেষ সুখবর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ল্যাপটপের বাটন চেপে তিনি ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির মাঝে ১২ কোটি টাকার সরকারি প্রণোদনা বিতরণ করেন। মোবাইল ফোনে এসএমএস পাওয়ার মাধ্যমে কৃষকরা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের ব্যাংক হিসাবে প্রণোদনার অর্থ পৌঁছে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন। যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে, তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। টাকা জমা হওয়ার বার্তা মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে পান কৃষকরা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে জনসভা সঞ্চালনা করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন। এতে বক্তব্য রাখেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নিতাই রায় চৌধুরী, মিজানুর রহমান মিনু, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, মেজর (অব.) শরীর উদ্দিন, নিপুন রায় চৌধুরী, শফিকুল হক মিলন, আবু সাঈদ চাঁদ, মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, আমিনুল ইসলাম আলিম এবং মামুন-অর রশিদ প্রমুখ। শরীর উদ্দিন, সংসদ সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৬ আসনের সাংসদ আবু সাঈদ চাঁদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সহ-সাংগঠনিক সম্প।