তাহসিফের অস্বাভাবিক মৃত্যু: বন্ধু দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে পিবিআই
- আপডেট সময় : ১১:৪৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
- / 2
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার বাবর রোডের বি ব্লকের একটি বাসা থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দ্বীপ ওই এলাকার বাসিন্দা সেলিম রেজার ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাকে বন্ধুর সঙ্গে কথা বলার কথা বলে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন তাহসিফ। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি। পরদিন বুধবার বিকেলে টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন এলাকা থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করে। নৌ-পুলিশের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ তুরাগ নদে মরদেহ ভাসার তথ্য পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়। সুরতহাল শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করে টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি।
ঘটনার আগের রাতের বিষয়ে দ্বীপ জানিয়েছিলেন, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত তাহসিফের সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল এবং তখন তাকে স্বাভাবিক ও হাসিখুশি দেখাচ্ছিল। তিনি তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনাকে রহস্যজনক বলে উল্লেখ করেন। অথচ সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে মোটরসাইকেল নিয়ে তাহসিফের বাসার গ্যারেজে পৌঁছান দ্বীপ। গ্যারেজে মোটরসাইকেলে হেলমেট রাখার সময় তাকে পোশাক দিয়ে চোখ-মুখ মুছতে দেখা যায়।
কিছুক্ষণ পর তাহসিফ নিচে নেমে এলে গ্যারেজে দুজনের মধ্যে কুশল বিনিময় হয়। সিসিটিভি ফুটেজের তথ্যমতে, সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিটে তাহসিফ ও দ্বীপ দুটি পৃথক মোটরসাইকেলে করে গন্তব্যে রওনা হন। নিখোঁজের আগে বন্ধু দ্বীপের সঙ্গে তাহসিফের এই প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার সময়ের কর্মকাণ্ড ও পরবর্তী পরিস্থিতির বিষয়ে তদন্তে এখন গুরুত্ব দিচ্ছে পিবিআই। সেখানে দ্বীপের সঙ্গে হাত মেলান তিনি।

























