গ্রাউন্ড সার্ভিস আধুনিকায়নে ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ ইউএস-বাংলার
- আপডেট সময় : ০৪:১৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
- / 1
যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, ফ্লাইটের সময়ানুবর্তিতা রক্ষা এবং গ্রাউন্ড অপারেশনের সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগের মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। গত ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই বৃহৎ বিনিয়োগের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ১ কোটি ২০ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছে। সামনের কয়েক মাসের মধ্যেই অত্যাধুনিক গ্রাউন্ড সাপোর্ট সরঞ্জামে এয়ারলাইনটির বহর আরও সমৃদ্ধ হবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে দেশের বিমান চলাচল খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগেও ভূমিকা রাখতে চায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।
বর্তমানে ইউএস-বাংলার ব্যবস্থাপনায় প্রায় ৫৯০টি গ্রাউন্ড সার্ভিস সরঞ্জাম সচল রয়েছে। আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এই বহরে আরও ১৪৬টি নতুন ও আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব সরঞ্জামের তালিকায় রয়েছে এয়ারক্রাফট পুশব্যাক ট্রাক্টর, বেল্ট লোডার, লাগেজ ট্রাক্টর, প্যাসেঞ্জার স্টেয়ারস বা সিঁড়ি, গ্রাউন্ড পাওয়ার ইউনিট, ক্যাটারিং ট্রাক এবং নানা ধরনের র্যাম্প সাপোর্ট সরঞ্জাম, যা বিমানবন্দরের সেবার মান দ্রুততর করবে।
পরিবেশবান্ধব বিমানবন্দর গড়ার লক্ষ্যেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পর্যায়ক্রমে ৮০টি বৈদ্যুতিক যানবাহন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। গ্রাউন্ড অপারেশনে জ্বালানি সাশ্রয় এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে এসব যানের জন্য আলাদা চার্জিং অবকাঠামো তৈরির কাজও চলমান। এর মাধ্যমে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে বলা হয়, বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড সার্ভিসের দক্ষতা বাড়ানো এবং যাত্রীদের দ্রুত ও উন্নত সেবা দেওয়াই এই বিনিয়োগের মূল লক্ষ্য।
এদিকে উড়োজাহাজের বহর ও রুট সম্প্রসারণেও ইউএস-বাংলা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বর্তমানে তাদের বহরে ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে, যা ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ২১টি নতুন বোয়িং ৭৩৭ সিরিজের উড়োজাহাজ যোগ করার মাধ্যমে সম্প্রসারিত হবে। বর্তমানে সংস্থাটি ১০টি দেশের ১৪টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতে আরও ১৬টি নতুন আন্তর্জাতিক রুটে ডানা মেলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। উড়োজাহাজের এই ক্রমবর্ধমান সংখ্যার সাথে তাল মিলিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে শক্তিশালী আঞ্চলিক কেন্দ্র গড়ে তোলার মাধ্যমে ফ্লাইট পরিচালনার দক্ষতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
























