সংবাদ শিরোনাম ::
শুকিয়ে গেছে ছায়া
জাহাঙ্গীর ফিরোজ আমার চোখে অশেষ তোমার ছায়া ছায়ার জন্যে নাই মেয়েটির মায়া। যার নয়নে জ্বলে কামের আগুন সেই মেয়েটি দেখল
আমি নারী
সেলিনা আক্তার: আমি নারী-দেবী দশরথী নই , নই বিদ্রোহী কালি হৃদয়ের দাবীতে আঘাত করি ক্ষান্ত হও তুমি পুরুষ অবশেষে যদি
তোমার আমার কিছু কথা-
তোমার আমার কিছু কথা কেউ জানে না , কোনদিন জানবে না , তোমার আমার কিছু কথা এই নিশির মত দূর
জমে উঠেছিল ‘শিশু প্রহর’
শুক্রবার সকালে শিশুদের হুটোপুটি আর দুপুর না গড়াতেই মেলা উপচে পড়েছিল বইপ্রেমীদের আনাগোনায়। সকাল এগারোটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত শিশু-কিশোরদের
“জামদানি আমাদের ঐতিহ্যে, আমাদের অহংকার”
প্রতিটি বাঙালী ললনার পছন্দের পোশাক শাড়ী। শাড়িতে একজন বাঙালী নারীর ব্যক্তিত্ব যেভাবে ফুটে উঠে আর কোন পোশাকে সেই অর্থে ফুটে
বাহারোজ দীপার অনুকাব্য
মায়া পিঙ্গল, পৃথিবীর সব নীল তোমায় দিলাম দেহপটে আলিঙ্গনের তরঙ্গ তর্পণ তোমার ঐ ফুল চিহ্ন অংকিত রুপান্তরিত বুকে
“প্রেম”
তৌকির আহাম্মদ প্রেম- কখনো হাসায় কখনো কাঁদায় কখনো মারে কখনো বাঁচায়। কখনো কাছের কখনো দুরের কখনো মধুর কখনো বেদনার। কখনো
পৌষ-মাঘের রোমান্টিসিজম
অপু মেহেদী: পৃথিবীর সব রোদ কুয়াশা হলে- হাওয়াজলের ওম জমে পরিযায়ী ঠোঁটে। ঋতুবদল এক বিভ্রান্তিকর ব্যাপার। তাই শীত এলেই আমার
“অচেনা পথে”
রাত্রির নিস্তব্ধতাকে খানখান করে যখন ডেকে উঠে রাতজাগা কূহক- বিমর্ষ আকাশের একাকোনে যখন একফালি ম্লান চাঁদ আমাকে দেখে তখন আমি
দূর থেকে
-আমি দূর থেকে দেখি তোমার রুপের অহংকার, আমি দূর থেকে শুনি তোমার ঘুঙুরের ঝঙ্কার তুমি কি আকবরের যোধাবাঈ , লক্ষীবাঈ’র



















