ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

ক্রিমিয়াকে ফেরত দেয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়: রাশিয়া

  • আপডেট সময় : ০১:১৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০১৭
  • / 374
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাশিয়ার সিনিয়র সিনেটর অ্যালেক্সি পুশকভ বলেছেন, ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রকে আর কোনো অবস্থাতেই ইউক্রেনের কাছে ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়। কিয়েভ সরকার ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় ক্রিমিয়া ও দোনবাস অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ঘোষণা করার পর মস্কোর পক্ষ থেকে এ প্রতিক্রিয়া এল। সম্প্রতি ক্রিমিয়া ও দোনবাস ফেরত নেওয়ার পরিকল্পনা উত্থাপন করেন ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরসেন অ্যাভাকভ। তিনি একটি টিভির টক শো’তে বলেন, সামরিক পদক্ষেপ ছাড়াই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ইউক্রেনের হারিয়ে যাওয়া ভূমি পুনরুদ্ধার করা হবে। ক্রিমিয়া বর্তমানে রুশ ফেডারেশনের অংশ এবং ইউক্রেনের আরেকটি পূর্বাঞ্চলীয় প্রজাতন্ত্র দোনবাস নিয়ন্ত্রণ করছে রুশপন্থি অস্ত্রধারীরা। অ্যাভাকভের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পুশকভ নিজের টুইটার পৃষ্ঠায় লিখেছেন, “ক্রিমিয়া ও দোনবাসের ওপর নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা উত্থাপন করেছেন অ্যাভাকভ। কিন্তু ক্রিমিয়াকে সন্দেহাতীতভাবে আর ফেরত দেয়া সম্ভব নয়; সেটা পরিকল্পনা করে হোক বা পরিকল্পনা ছাড়া।” এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ার দিকে পশ্চিমা গণমাধ্যমে ইউক্রেনের সংসদ সদস্য আন্দ্রে আরতেমেঙ্কোর একটি পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়। ওই পরিকল্পনায় তিনি মস্কোর সঙ্গে কিয়েভের এমন একটি চুক্তির কথা বলেন যার মাধ্যমে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রকে দীর্ঘমেয়াদে ইজারা নেবে রাশিয়া। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ ওই পরিকল্পনাকে ‘কিম্ভুতকিমাকার’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছিলেন, এ ধরনের কোনো আলোচনায় কখনোই বসবে না মস্কো। ২০১৪ সালের মার্চ মাসে ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রে অনুষ্ঠিত এক গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী এটিকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। রাশিয়ার এ পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলো। এসব দেশ ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ক্রিমিয়াকে ফেরত দেয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়: রাশিয়া

আপডেট সময় : ০১:১৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০১৭

রাশিয়ার সিনিয়র সিনেটর অ্যালেক্সি পুশকভ বলেছেন, ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রকে আর কোনো অবস্থাতেই ইউক্রেনের কাছে ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়। কিয়েভ সরকার ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় ক্রিমিয়া ও দোনবাস অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ঘোষণা করার পর মস্কোর পক্ষ থেকে এ প্রতিক্রিয়া এল। সম্প্রতি ক্রিমিয়া ও দোনবাস ফেরত নেওয়ার পরিকল্পনা উত্থাপন করেন ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরসেন অ্যাভাকভ। তিনি একটি টিভির টক শো’তে বলেন, সামরিক পদক্ষেপ ছাড়াই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ইউক্রেনের হারিয়ে যাওয়া ভূমি পুনরুদ্ধার করা হবে। ক্রিমিয়া বর্তমানে রুশ ফেডারেশনের অংশ এবং ইউক্রেনের আরেকটি পূর্বাঞ্চলীয় প্রজাতন্ত্র দোনবাস নিয়ন্ত্রণ করছে রুশপন্থি অস্ত্রধারীরা। অ্যাভাকভের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পুশকভ নিজের টুইটার পৃষ্ঠায় লিখেছেন, “ক্রিমিয়া ও দোনবাসের ওপর নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা উত্থাপন করেছেন অ্যাভাকভ। কিন্তু ক্রিমিয়াকে সন্দেহাতীতভাবে আর ফেরত দেয়া সম্ভব নয়; সেটা পরিকল্পনা করে হোক বা পরিকল্পনা ছাড়া।” এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ার দিকে পশ্চিমা গণমাধ্যমে ইউক্রেনের সংসদ সদস্য আন্দ্রে আরতেমেঙ্কোর একটি পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়। ওই পরিকল্পনায় তিনি মস্কোর সঙ্গে কিয়েভের এমন একটি চুক্তির কথা বলেন যার মাধ্যমে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রকে দীর্ঘমেয়াদে ইজারা নেবে রাশিয়া। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ ওই পরিকল্পনাকে ‘কিম্ভুতকিমাকার’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছিলেন, এ ধরনের কোনো আলোচনায় কখনোই বসবে না মস্কো। ২০১৪ সালের মার্চ মাসে ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রে অনুষ্ঠিত এক গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী এটিকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। রাশিয়ার এ পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলো। এসব দেশ ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।