ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘৩য় ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট-২০১৮’ এর উদ্বোধন

  • আপডেট সময় : ১২:১০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮
  • / 297

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘৩য় ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট-২০১৮’-এরউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম।

বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ  দেশের নারী সমাজকে তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতার ধারায় সম্পৃক্ততা বাড়াতে ও তথ্যপ্রযুক্তি চর্চায় উৎসাহিত করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট-২০১৮’-এর তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ডাক টেলিযোগাযোগ ও আইটি মন্ত্রণালয়ের আইসিটি ডিভিশন ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সহযোগিতায় আজ সোমবার (২২ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুব উল হক মজুমদার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী একেএম ফজলুল হক, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকতার হোসেন প্রমুখ।

সারা দেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা ১০২টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় দুইটি বিভাগে। বিভাগ-১ এ ছিল প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীরা এবং বিভাগ-২ এ ছিল মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় টানা ৫ ঘণ্টাব্যাপী। এর আগে আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগিতায় তিন শতাধিক দল অনলাইনে অংশগ্রহণ করেছিল। সেখান থেকে নির্বাচিত এই ১০২টি দল জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।এবারের প্রতিযোগিতায় ঢাকার ৫২ টি দল ও ঢাকার বাইরের ৫০ টি দল অংশগ্রহণ করছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হোসনে আরা বেগম বলেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মেয়েরা উন্নতি করছে। আইটি সেক্টরেও তারা পিছিয়ে নেই। তবে যে মাত্রায় এগিয়ে থাকা উচিত ছিল সেই মাত্রা এখনো পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। ফ্রিল্যাংসিংয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের অংশগ্রহণ মাত্র ৯ শতাংশ। এই হার দ্রুতই ৫০ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

হোসনে আরা বেগম আরো বলেন, মেয়েদের পিছিয়ে থাকার কোনো সুযোগ নেই। কারণ মেয়েদের স্বালম্বী করার জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ২৮ টি জেলায় হাইটেক পার্ক সির্মাণ করা হচ্ছে এবং এসব হাইটেক পার্কে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অর্ধেক জায়গা খালি রাখা হয়েছে। স্টার্ট আপদের জন্য প্রতিটি হাইটেক পার্কে একটি করে ফ্লোর বরাদ্ধ রাখা হচ্ছে। জেলা পর্যায়ে মেয়েদেরকে বিনামূল্যে আইটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সফল উদ্ভাবনী প্রকল্পের জন্য ১০ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা পয়ন্ত ঋণ দেয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ হরেন।

মেয়েদেরকে অসম্ভব মেধাবী উল্লেখ করে হোসনে আরা বেগম বলেন, পুরুষদের সঙ্গে সমানভাবে তালমিলিয়ে মেয়েরা এখন সবক্ষেত্রে মেধার সাক্ষর রাখছে। আগে বাংলাদেশের পরিচয় ছিল শ্রমিকনির্ভর জাতি। এখন আমরা ক্রমশ মেধানির্ভর জাতিতে পরিণত হচ্ছি। আজকেরই এই প্রোগ্রামিং কনটেস্ট তার উদাহরণ। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মেয়েরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে এসেছে, এটা আমাদের যুগে কল্পনাও করা যেত না। এই মেয়েদের হাত ধরেই বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেন হোসনে আরা বেগম।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘৩য় ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট-২০১৮’ এর উদ্বোধন

আপডেট সময় : ১২:১০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ  দেশের নারী সমাজকে তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতার ধারায় সম্পৃক্ততা বাড়াতে ও তথ্যপ্রযুক্তি চর্চায় উৎসাহিত করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট-২০১৮’-এর তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ডাক টেলিযোগাযোগ ও আইটি মন্ত্রণালয়ের আইসিটি ডিভিশন ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সহযোগিতায় আজ সোমবার (২২ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুব উল হক মজুমদার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী একেএম ফজলুল হক, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকতার হোসেন প্রমুখ।

সারা দেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা ১০২টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় দুইটি বিভাগে। বিভাগ-১ এ ছিল প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীরা এবং বিভাগ-২ এ ছিল মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় টানা ৫ ঘণ্টাব্যাপী। এর আগে আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগিতায় তিন শতাধিক দল অনলাইনে অংশগ্রহণ করেছিল। সেখান থেকে নির্বাচিত এই ১০২টি দল জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।এবারের প্রতিযোগিতায় ঢাকার ৫২ টি দল ও ঢাকার বাইরের ৫০ টি দল অংশগ্রহণ করছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হোসনে আরা বেগম বলেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মেয়েরা উন্নতি করছে। আইটি সেক্টরেও তারা পিছিয়ে নেই। তবে যে মাত্রায় এগিয়ে থাকা উচিত ছিল সেই মাত্রা এখনো পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। ফ্রিল্যাংসিংয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের অংশগ্রহণ মাত্র ৯ শতাংশ। এই হার দ্রুতই ৫০ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

হোসনে আরা বেগম আরো বলেন, মেয়েদের পিছিয়ে থাকার কোনো সুযোগ নেই। কারণ মেয়েদের স্বালম্বী করার জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ২৮ টি জেলায় হাইটেক পার্ক সির্মাণ করা হচ্ছে এবং এসব হাইটেক পার্কে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অর্ধেক জায়গা খালি রাখা হয়েছে। স্টার্ট আপদের জন্য প্রতিটি হাইটেক পার্কে একটি করে ফ্লোর বরাদ্ধ রাখা হচ্ছে। জেলা পর্যায়ে মেয়েদেরকে বিনামূল্যে আইটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সফল উদ্ভাবনী প্রকল্পের জন্য ১০ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা পয়ন্ত ঋণ দেয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ হরেন।

মেয়েদেরকে অসম্ভব মেধাবী উল্লেখ করে হোসনে আরা বেগম বলেন, পুরুষদের সঙ্গে সমানভাবে তালমিলিয়ে মেয়েরা এখন সবক্ষেত্রে মেধার সাক্ষর রাখছে। আগে বাংলাদেশের পরিচয় ছিল শ্রমিকনির্ভর জাতি। এখন আমরা ক্রমশ মেধানির্ভর জাতিতে পরিণত হচ্ছি। আজকেরই এই প্রোগ্রামিং কনটেস্ট তার উদাহরণ। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মেয়েরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে এসেছে, এটা আমাদের যুগে কল্পনাও করা যেত না। এই মেয়েদের হাত ধরেই বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেন হোসনে আরা বেগম।

বিডিসংবাদ/এএইচএস