ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান

ড্যাফোডিলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হল “এসিএম-আইসিপিসি ঢাকা রিজিওনাল ২০১৮”

  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ নভেম্বর ২০১৮
  • / 276

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্বাগতিকতায় এশিয়া অঞ্চলের (ঢাকা সাইট) আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ন প্রোগ্রামিং কনটেষ্ট আইসিপিসি (ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোাগ্রামিং কনটেষ্ট ২০১৮ এর প্রথম সমস্যা সমাধানকারী ডিআইইউ বেলী থ্রিওয়াই থ্রিআরএস দলের হাতে বেলুন তুলে দিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান।

বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ  ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্বাগতিকতায় এশিয়া অঞ্চলের (ঢাকা সাইট) আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ন প্রোগ্রামিং কনটেষ্ট আইসিপিসি (ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোাগ্রামিং কনটেষ্ট ২০১৮ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ১০ নভেম্বর শনিবার আশুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্বাধীনতা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই এযাবৎ কালের সর্ববৃহৎ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। এতে বাংলাদেশের ১০১টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন আইটি ইন্সটিটিউটের ২৯৮টি দল (প্রতিটি দলে ৩ জন করে প্রতিযোগী) অংশগ্রহণ করে।

এছাড়া নেপাল থেকে তিনটি দল এবারের প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে। এ প্রতিযোগিতার সেরা ২টি দল আগামী ৩১ মার্চ -৫ এপ্রিল ২০১৯ পর্তুগালের ইউনিভার্সিটি অব পোর্টো’র স্বাগতিকতায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ফাইনালস ২০১৯ এর মূলপর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আইসটি ডিভিশন ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সহযোগিতায়  এবং এডিএন ইডু সাভিসেস ও এসএসএল ওয়ারলেস, বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসোাইটি ও ইন্টারনেট সোসাইটি (আইসক) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার  এর সহ-পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে পৃথিবীর বৃহত্তর পরিসরে এ মেগা ইভেন্টের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসাবে জমকালো এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী , হাইটেক পার্ক কর্তপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ম্যাডাম হোসনে আরা বেগম, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলেরর নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেব, বাংলাদেশ কম্পিউটার স্সোাইটি ও ইন্টারনেট সোসাইটি (আইসক) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার এর প্রফেসর হাফিজ মোঃ হাসান বাবু, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ইঞ্জিনিয়ার এনামুল কবির, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির স্কুল অব সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর ডীন অধ্যাপক আবুল এল হক, সিটিও ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তপন কান্তি সরকার, এসএসএল  ওয়ারলেসের চীফ অপারেটিং অফিসার  আশিস চক্রবর্তী, চীফ টেকনিক্যাল অফিসার শাহাজাদা রিদওয়ান এবং ডাটাসফট্ সিস্টেমস লিমিটডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহাবুব জামান প্রমুখ

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডঃ এস এম মাহাবুবুল হক মজুমদারের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন কনটেষ্ট ডিরেক্টর অধ্যাপক ডঃ সৈয়দ আকতার হোসেনও কনটেষ্ট এর প্রধান বিচারক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ প্রমুখ

এবারের প্রোগ্রামিং কনটেস্টটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় করে রাখার জন্য আয়োজকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ছিল এবং এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আগামী ওয়ার্ল্ড ফাইনালে ভাল করার দৃঢ় প্রত্যয় গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, “আইসিপিসি প্রতিযোগিতাটি আমাদের তরুণদের সামনে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করার এক বিশাল সুযোগ এনে দিয়েছে। অনেকে বলে থাকে, এই প্রতিযোগিতা হচ্ছে, মানুষ ও মেশিনের মধ্যে প্রতিযোগিতা। ব্যক্তিগতভাবে আমি তা মনে করি না। আমি মনে করি, মানুষের চেয়ে মেশিন কখনো উন্নত হতে পারে না।
অধ্যাপক আব্দুল মান্নান আরো বলেন, “আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রযুক্তির উত্থানের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। আর এই প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা হচ্ছে প্রযুক্তির বিপ্লব। এই প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে যেসব তরুণ উঠে আসবে তাদের হাত ধরেই ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় অধ্যাপক আব্দুল মান্নান ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ধন্যবাদ দেন এরকম একটি বড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করার জন্য।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর বলেন, “একসঙ্গে এত তরুণ প্রতিযোগি দেখে আমি খুবই আনন্দিত। আমার মনে পড়ছে ২০ বছর আগের কথা। তখন এরকম একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু পর্যাপ্ত ল্যাপটপের অভাবে আয়োজনটি মনের মতো করে করতে পারিনি। আজ এই প্রতিযোগিতায় কত ল্যাপটপ রয়েছে গুণে শেষ করা দুষ্কর।”
বাংলাদেশের তরুণদেরকে মেধাবী প্রজন্ম উল্লেখ করে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী আরো বলেন, “বিশ বছর ধরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত থাকার ফলে আমি জানি, এই তরুণরা কী পরিমাণ মেধাবী। এই প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা তরুণদের মেধাকে আরো শাণিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।”
বিশ্ববিদালয়ের ট্রাস্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, “বর্তমান সময় হচ্ছে প্রযুক্তির সময়, এই সময়ে প্রযুক্তির জ্ঞান থেকে দূরে থাকলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে হবে। আমরা চাই না আমাদের শিক্ষার্থীরা কোনো প্রতিযাগিতায় পিছিয়ে পড়ুক। এ জন্য ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদেরকে প্রযুক্তির জ্ঞানে দক্ষ করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

ড. মো. সবুর খান আরো বলেন, “দেশের সবচেয়ে বড় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে পেরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অবশ্যই গর্ববোধ করছে। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে ২৯৮টি দল অংশগ্রহণ করেছে। আগামীতে আইসিপিসির ওয়ার্লন্ড ফাইনাল প্রতিযোগিতা ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করার আশা প্রকাশ করেন তিনি। তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞান সমকালীন শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে সর্বজন স্বীকৃত আর এ বিষয়টিকে মাথায় রেখে শুরু থেকেই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে আসছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কর্মকান্ডে তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগ ও ব্যবহার নিাশ্চত করেছে যাতে করে শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাকুরী বাজারের প্রতিযোাগিতায় অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের  পিছনে ফেলে নিজেদের অবস্থানকে সুসংহত করতে পারে।

তিনি আরো বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি একটি ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি হিসাবে নিয়মিতভাবে এ ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজন করে আসছে এবং ভবিশ্যতে আরো বড় আয়োজনের পরিকল্পনা বিশ্ববিদ্যালযের রয়েছে।

সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা পাঁচ ঘন্টা এ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা চলে। এ বছর এসিএম-আইসিপিসি ঢাকা অঞ্চল ২০১৮ ব্যাপক পরিসরে ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কনটেষ্ট এর  পাশাপাশি এই জমকালো আয়োজনে ছিল টেকনিক্যাল টকস, সিএসআইএস , ফান ইভেন্টস এবং পুরস্কার বিতরনী ও  মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ড্যাফোডিলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হল “এসিএম-আইসিপিসি ঢাকা রিজিওনাল ২০১৮”

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ নভেম্বর ২০১৮

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ  ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্বাগতিকতায় এশিয়া অঞ্চলের (ঢাকা সাইট) আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ন প্রোগ্রামিং কনটেষ্ট আইসিপিসি (ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোাগ্রামিং কনটেষ্ট ২০১৮ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ১০ নভেম্বর শনিবার আশুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্বাধীনতা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই এযাবৎ কালের সর্ববৃহৎ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। এতে বাংলাদেশের ১০১টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন আইটি ইন্সটিটিউটের ২৯৮টি দল (প্রতিটি দলে ৩ জন করে প্রতিযোগী) অংশগ্রহণ করে।

এছাড়া নেপাল থেকে তিনটি দল এবারের প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে। এ প্রতিযোগিতার সেরা ২টি দল আগামী ৩১ মার্চ -৫ এপ্রিল ২০১৯ পর্তুগালের ইউনিভার্সিটি অব পোর্টো’র স্বাগতিকতায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ফাইনালস ২০১৯ এর মূলপর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আইসটি ডিভিশন ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সহযোগিতায়  এবং এডিএন ইডু সাভিসেস ও এসএসএল ওয়ারলেস, বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসোাইটি ও ইন্টারনেট সোসাইটি (আইসক) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার  এর সহ-পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে পৃথিবীর বৃহত্তর পরিসরে এ মেগা ইভেন্টের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসাবে জমকালো এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী , হাইটেক পার্ক কর্তপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ম্যাডাম হোসনে আরা বেগম, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলেরর নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেব, বাংলাদেশ কম্পিউটার স্সোাইটি ও ইন্টারনেট সোসাইটি (আইসক) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার এর প্রফেসর হাফিজ মোঃ হাসান বাবু, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ইঞ্জিনিয়ার এনামুল কবির, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির স্কুল অব সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর ডীন অধ্যাপক আবুল এল হক, সিটিও ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তপন কান্তি সরকার, এসএসএল  ওয়ারলেসের চীফ অপারেটিং অফিসার  আশিস চক্রবর্তী, চীফ টেকনিক্যাল অফিসার শাহাজাদা রিদওয়ান এবং ডাটাসফট্ সিস্টেমস লিমিটডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহাবুব জামান প্রমুখ

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডঃ এস এম মাহাবুবুল হক মজুমদারের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন কনটেষ্ট ডিরেক্টর অধ্যাপক ডঃ সৈয়দ আকতার হোসেনও কনটেষ্ট এর প্রধান বিচারক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ প্রমুখ

এবারের প্রোগ্রামিং কনটেস্টটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় করে রাখার জন্য আয়োজকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ছিল এবং এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আগামী ওয়ার্ল্ড ফাইনালে ভাল করার দৃঢ় প্রত্যয় গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, “আইসিপিসি প্রতিযোগিতাটি আমাদের তরুণদের সামনে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করার এক বিশাল সুযোগ এনে দিয়েছে। অনেকে বলে থাকে, এই প্রতিযোগিতা হচ্ছে, মানুষ ও মেশিনের মধ্যে প্রতিযোগিতা। ব্যক্তিগতভাবে আমি তা মনে করি না। আমি মনে করি, মানুষের চেয়ে মেশিন কখনো উন্নত হতে পারে না।
অধ্যাপক আব্দুল মান্নান আরো বলেন, “আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রযুক্তির উত্থানের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। আর এই প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা হচ্ছে প্রযুক্তির বিপ্লব। এই প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে যেসব তরুণ উঠে আসবে তাদের হাত ধরেই ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় অধ্যাপক আব্দুল মান্নান ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ধন্যবাদ দেন এরকম একটি বড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করার জন্য।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর বলেন, “একসঙ্গে এত তরুণ প্রতিযোগি দেখে আমি খুবই আনন্দিত। আমার মনে পড়ছে ২০ বছর আগের কথা। তখন এরকম একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু পর্যাপ্ত ল্যাপটপের অভাবে আয়োজনটি মনের মতো করে করতে পারিনি। আজ এই প্রতিযোগিতায় কত ল্যাপটপ রয়েছে গুণে শেষ করা দুষ্কর।”
বাংলাদেশের তরুণদেরকে মেধাবী প্রজন্ম উল্লেখ করে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী আরো বলেন, “বিশ বছর ধরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত থাকার ফলে আমি জানি, এই তরুণরা কী পরিমাণ মেধাবী। এই প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা তরুণদের মেধাকে আরো শাণিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।”
বিশ্ববিদালয়ের ট্রাস্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, “বর্তমান সময় হচ্ছে প্রযুক্তির সময়, এই সময়ে প্রযুক্তির জ্ঞান থেকে দূরে থাকলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে হবে। আমরা চাই না আমাদের শিক্ষার্থীরা কোনো প্রতিযাগিতায় পিছিয়ে পড়ুক। এ জন্য ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদেরকে প্রযুক্তির জ্ঞানে দক্ষ করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

ড. মো. সবুর খান আরো বলেন, “দেশের সবচেয়ে বড় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে পেরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অবশ্যই গর্ববোধ করছে। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে ২৯৮টি দল অংশগ্রহণ করেছে। আগামীতে আইসিপিসির ওয়ার্লন্ড ফাইনাল প্রতিযোগিতা ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করার আশা প্রকাশ করেন তিনি। তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞান সমকালীন শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে সর্বজন স্বীকৃত আর এ বিষয়টিকে মাথায় রেখে শুরু থেকেই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে আসছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কর্মকান্ডে তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগ ও ব্যবহার নিাশ্চত করেছে যাতে করে শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাকুরী বাজারের প্রতিযোাগিতায় অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের  পিছনে ফেলে নিজেদের অবস্থানকে সুসংহত করতে পারে।

তিনি আরো বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি একটি ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি হিসাবে নিয়মিতভাবে এ ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজন করে আসছে এবং ভবিশ্যতে আরো বড় আয়োজনের পরিকল্পনা বিশ্ববিদ্যালযের রয়েছে।

সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা পাঁচ ঘন্টা এ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা চলে। এ বছর এসিএম-আইসিপিসি ঢাকা অঞ্চল ২০১৮ ব্যাপক পরিসরে ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কনটেষ্ট এর  পাশাপাশি এই জমকালো আয়োজনে ছিল টেকনিক্যাল টকস, সিএসআইএস , ফান ইভেন্টস এবং পুরস্কার বিতরনী ও  মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ।

বিডিসংবাদ/এএইচএস