ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

মির্জা ফখরুলের ৭১তম জন্মদিন আজ

  • আপডেট সময় : ১০:২২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০১৭
  • / 317
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ৭১তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৭ সালের এই দিনে ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

গত বছরের মার্চে দলের ষষ্ঠ কাউন্সিলে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। এর আগে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ছিলেন।

২০১১ সালের মার্চে বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করলে মির্জা ফখরুল দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হন। টানা পাঁচ বছর তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম এর আগে কৃষি, পর্যটন ও বেসরকারি বিমান চলাচল বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন) সদস্য ছিলেন এবং সংগঠনটির এসএম হল শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

১৯৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থানের সময়ে তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন।

ছাত্রজীবনের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও মির্জা ফখরুলের ইসলাম আলমগীরের কর্মজীবন শুরু হয় শিক্ষকতায়। একাধিক সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেছেন তিনি। ১৯৮০ এর দশকে তিনি মূলধারার রাজনীতিতে আসেন। এর আগে তিনি ১৯৭০ এর দশকের শেষে তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারির ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই পদে তিনি ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বহাল ছিলেন।

১৯৭০ সালে পাবলিক সার্ভিস কমিশনে শিক্ষকতার জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। তাতে উত্তীর্ণ হন তিনি। শিক্ষকতাকেই উপযুক্ত পেশা হিসেবে বেছে নিলেও পরে ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনের মাধ্যমে ফিরে আসেন রাজনীতিতে। তার পরের বছরই তিনি যোগ দেন বিএনপিতে।

ব্যক্তিগত জীবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবাহিত এবং দুই মেয়ের জনক। তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী। তার বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে সেখানেই শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত আছেন। ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মির্জা ফখরুলের ৭১তম জন্মদিন আজ

আপডেট সময় : ১০:২২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০১৭

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ৭১তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৭ সালের এই দিনে ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

গত বছরের মার্চে দলের ষষ্ঠ কাউন্সিলে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। এর আগে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ছিলেন।

২০১১ সালের মার্চে বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করলে মির্জা ফখরুল দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হন। টানা পাঁচ বছর তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম এর আগে কৃষি, পর্যটন ও বেসরকারি বিমান চলাচল বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন) সদস্য ছিলেন এবং সংগঠনটির এসএম হল শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

১৯৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থানের সময়ে তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন।

ছাত্রজীবনের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও মির্জা ফখরুলের ইসলাম আলমগীরের কর্মজীবন শুরু হয় শিক্ষকতায়। একাধিক সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেছেন তিনি। ১৯৮০ এর দশকে তিনি মূলধারার রাজনীতিতে আসেন। এর আগে তিনি ১৯৭০ এর দশকের শেষে তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারির ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই পদে তিনি ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বহাল ছিলেন।

১৯৭০ সালে পাবলিক সার্ভিস কমিশনে শিক্ষকতার জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। তাতে উত্তীর্ণ হন তিনি। শিক্ষকতাকেই উপযুক্ত পেশা হিসেবে বেছে নিলেও পরে ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনের মাধ্যমে ফিরে আসেন রাজনীতিতে। তার পরের বছরই তিনি যোগ দেন বিএনপিতে।

ব্যক্তিগত জীবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবাহিত এবং দুই মেয়ের জনক। তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী। তার বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে সেখানেই শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত আছেন। ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।