ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

মুসলমানদের দাহ করা উচিৎ: সাক্ষী মহারাজ

  • আপডেট সময় : ০২:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০১৭
  • / 389
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একই সঙ্গে ভারতে কোন মুসলমান মারা গেলে তাদেরকে দাফন না করে দাহ করার প্রস্তাব করেছেন দেশটির জনতা পার্টির এমপি সাক্ষী মহারাজ। তিনি বলেছেন, কবরস্তান বা গোরস্তান বানানোর মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই ভারতে। তাই কবরস্তান সৃষ্টি বন্ধের জন্য একটি আইন করা উচিত। খবর অনলাইন জি নিউজ’র।

খবরে বলা হয়, সাক্ষী মহারাজা উস্কানিমুলক বক্তব্য দেয়ার জন্য বহুল বিতর্কিত। তিনি সোমবার উত্তর প্রদেশের উন্নাও-এ এক র‌্যালিতে বক্তব্য রাখার সময় বলেন, করবস্তান বা শ্মশান যা-ই হোক না কেন- কাউকে সমাহিত করা উচিত নয়। ভারতে ২ থেকে আড়াই কোটি হিন্দু সন্যাসী আছেন। তারা মারা যাওয়ার পর তাদের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করতে হবে। এ জন্য জমির প্রয়োজন হবে। এখানে ২০ কোটি মুসলিম আছে। তাদেরকে কবরে দাফন করতে হবে। হিন্দুস্তানে এত জমি বা জায়গা কোথায়?

তার এমন বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিরোধী দল কংগ্রেস। মঙ্গলবার তারা বলেছে সাক্ষী মহারাজার বিতর্কিত ‘কবরস্তান’ বিতর্ক সাম্প্রদায়িকতা। উত্তর প্রদেশে গুরুত্বপূর্ন নির্বাচন চলছে। তাতে সুবিধা পাওয়ার জন্য তারা এমন মন্তব্য করছেন। কংগ্রেসের নেতা সন্দীপ দীক্ষিত বলেছেন, প্রতিটি ধর্মের নিজস্ব রীতি সেই ধর্মের মানুষ অনুসরণ করে। যদি কবরস্তানের প্রয়োজন হয় তাহলে তা নির্মাণ করা হবে। একইভাবে যদি শ্মশানের প্রয়োজন হয় তাহলে শ্মশান নির্মাণ করা হবে। কোনো নেতা বা সন্যাসীর বিতর্কিত মন্তব্যে এতে কোনো প্রভাব পড়বে না। একই রকম মত দিয়েছে সমাজবাদী পার্টি। দলের নেতা নরেশ আগরওয়াল বলেছেন, সাক্ষী মহারাজার বিবৃতি সম্প্রদায়িকতা চড়িয়ে যাবে।

এতে মুসলিম ও হিন্দুদের মধ্যে ব্যবধান আরো বাড়বে। তাদের এমন কথাবার্তায় বোঝা যায় বিজেপি কতটা হতাশাজনক অবস্থায়। আলোচনার জন্য তাদের কাছে কোনো ইস্যুই নেই। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফতেহপুরে এক র‌্যালিতে ভাষণ দেন। সেখানে তিনিও কবরস্তান ও শ্মশান ইস্যু তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দু’পক্ষের জন্যই জমি বরাদ্দে কোনো বৈষম্য রাখা উচিত হবে না। যদি কোনো গ্রামে কবরস্তান সৃষ্টির প্রয়োজন হয় তাহলে একইসঙ্গে একটি শ্মশানও সেখানে সৃষ্টি করা উচিত। যদি রমজান মাসে বিদ্যুতে বিঘ্ন না ঘটে তাহলে দিওয়ালি উৎসবের সময়ও বিঘ্ন ঘটা উচিত হবে না। এক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য রাখা উচিত হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মুসলমানদের দাহ করা উচিৎ: সাক্ষী মহারাজ

আপডেট সময় : ০২:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০১৭

একই সঙ্গে ভারতে কোন মুসলমান মারা গেলে তাদেরকে দাফন না করে দাহ করার প্রস্তাব করেছেন দেশটির জনতা পার্টির এমপি সাক্ষী মহারাজ। তিনি বলেছেন, কবরস্তান বা গোরস্তান বানানোর মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই ভারতে। তাই কবরস্তান সৃষ্টি বন্ধের জন্য একটি আইন করা উচিত। খবর অনলাইন জি নিউজ’র।

খবরে বলা হয়, সাক্ষী মহারাজা উস্কানিমুলক বক্তব্য দেয়ার জন্য বহুল বিতর্কিত। তিনি সোমবার উত্তর প্রদেশের উন্নাও-এ এক র‌্যালিতে বক্তব্য রাখার সময় বলেন, করবস্তান বা শ্মশান যা-ই হোক না কেন- কাউকে সমাহিত করা উচিত নয়। ভারতে ২ থেকে আড়াই কোটি হিন্দু সন্যাসী আছেন। তারা মারা যাওয়ার পর তাদের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করতে হবে। এ জন্য জমির প্রয়োজন হবে। এখানে ২০ কোটি মুসলিম আছে। তাদেরকে কবরে দাফন করতে হবে। হিন্দুস্তানে এত জমি বা জায়গা কোথায়?

তার এমন বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিরোধী দল কংগ্রেস। মঙ্গলবার তারা বলেছে সাক্ষী মহারাজার বিতর্কিত ‘কবরস্তান’ বিতর্ক সাম্প্রদায়িকতা। উত্তর প্রদেশে গুরুত্বপূর্ন নির্বাচন চলছে। তাতে সুবিধা পাওয়ার জন্য তারা এমন মন্তব্য করছেন। কংগ্রেসের নেতা সন্দীপ দীক্ষিত বলেছেন, প্রতিটি ধর্মের নিজস্ব রীতি সেই ধর্মের মানুষ অনুসরণ করে। যদি কবরস্তানের প্রয়োজন হয় তাহলে তা নির্মাণ করা হবে। একইভাবে যদি শ্মশানের প্রয়োজন হয় তাহলে শ্মশান নির্মাণ করা হবে। কোনো নেতা বা সন্যাসীর বিতর্কিত মন্তব্যে এতে কোনো প্রভাব পড়বে না। একই রকম মত দিয়েছে সমাজবাদী পার্টি। দলের নেতা নরেশ আগরওয়াল বলেছেন, সাক্ষী মহারাজার বিবৃতি সম্প্রদায়িকতা চড়িয়ে যাবে।

এতে মুসলিম ও হিন্দুদের মধ্যে ব্যবধান আরো বাড়বে। তাদের এমন কথাবার্তায় বোঝা যায় বিজেপি কতটা হতাশাজনক অবস্থায়। আলোচনার জন্য তাদের কাছে কোনো ইস্যুই নেই। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফতেহপুরে এক র‌্যালিতে ভাষণ দেন। সেখানে তিনিও কবরস্তান ও শ্মশান ইস্যু তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দু’পক্ষের জন্যই জমি বরাদ্দে কোনো বৈষম্য রাখা উচিত হবে না। যদি কোনো গ্রামে কবরস্তান সৃষ্টির প্রয়োজন হয় তাহলে একইসঙ্গে একটি শ্মশানও সেখানে সৃষ্টি করা উচিত। যদি রমজান মাসে বিদ্যুতে বিঘ্ন না ঘটে তাহলে দিওয়ালি উৎসবের সময়ও বিঘ্ন ঘটা উচিত হবে না। এক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য রাখা উচিত হবে না।