পুলিশি হামলার প্রতিবাদে শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ

রামপাল বিরোধী হরতাল চলাকালে শাহবাগ। ছবি: শিপন
রামপাল বিরোধী হরতাল চলাকালে শাহবাগে পুলিশি হামলার শিকার এক আন্দোলনকারী। ছবি: জীবন আহমেদ।
রামপাল বিরোধী হরতাল চলাকালে শাহবাগ। ছবি: শিপন
রামপাল বিরোধী হরতাল চলাকালে পুলিশের টিয়ারসেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ এর ছবি তুলতে গেলে ধাওয়ার শিকার ফটোসাংবাদিকরা। ছবি: শিপন

রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ সুন্দরবনবিনাশী সকল চুক্তি বাতিল ও বিদ্যুৎ-গ্যাসের সমস্যা সমাধানে ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নে  রাজধানীতে ডাকা হরতালে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব আনু মুহাম্মদ। আগামী ২৮ জানুয়ারি শনিবার সারাদেশে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দিবস, ঢাকার প্রেসক্লাব ও শাহাবাগে সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে অবস্থান ধর্মঘটেরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে তিনি এই ঘোষণা দেন। ১১ মার্চ উপকূলীয় অঞ্চলের স্থানীয় সাধারণ মানুষকে নিয়ে খুলনা মহানগরীতে মহাসমাবেশ হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি। এসব কমর্সুচি ছাড়াও এ সময়ের মধ্যে আলোচনা সভা করবেন তারা।

এছাড়া ২৫ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে রাজপথে অবস্থান কর্মসূচি এবং ১১ মার্চ খুলনা মহানগরীতে মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

কর্মসূচি ঘোষণা দেয়ার আগে বিক্ষোভ সমাবেশে আনু মুহাম্মদ বলেন, সরকার বলছে আমরা বাঘ রক্ষার জন্য আন্দোলন করছি। পরিবেশ যদি বাঘ, পাখি, গাছ নিরাপদ না হয় তাহলে মানুষের জন্য কিভাবে নিরাপদ হবে।

এরআগে দুপুর ২টা পর্যন্ত হরতালে হরতাল সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

সকাল ৯টার দিকে পুলিশের ধাওয়ায় শাহবাগ মোড় ছেড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলার সামনে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা।