ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

মিতু হত্যা ও এসআই আকরামের মৃত্যু: যোগসূত্র খতিয়ে দেখার দাবি

  • আপডেট সময় : ০৬:৪২:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 337
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু এবং ঝিনাইদহের এসআই আকরামের মৃৃত্যুর ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবি করছেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন।

এদিকে এসআই আকরামের বোন ও ভগ্নিপতি দাবি করেছেন, মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিএমপির এডিসি মো. কামরুজ্জামান তাদের ডেকেছেন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। এ ছাড়া বাবুল আক্তারকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন এডিসি কামরুজ্জামান।

মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, কিছু দিন আগে ঝিনাইদহে নিহত এসআই আকরামের বোন জান্নাত আরা রিনি ও এক ভগ্নিপতি আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। তাদের দাবি, আকরামের স্ত্রী বনানী বিনতে বসির বর্ণির সঙ্গে বাবুল আক্তারের পরকীয়া ছিল। এ কারণে আকরামকে খুন করা হয়েছে। যদি তাই হয় আমি বলব, মিতু হত্যা মামলার পাশাপাশি আকরামের মৃত্যুর কারণও তদন্ত করা হোক। দুই হত্যাকাণ্ড একই সূত্রে গাঁথা কিনা তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমি মেয়ে হারিয়েছি, আর আকরামের পরিবার ছেলে হারিয়েছে। আমি বুঝি হারানোর দুঃখ কী।

পুলিশের সাবেক এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, মিতু খুনের আট মাস হয়ে গেল। এর সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু কী কারণে আমার মেয়েকে খুন করা হয়েছে, কারা খুন করেছে তা এখনো জানা গেল না। এর চেয়ে কষ্টের আর কিছুই হতে পারে না।

মিতুর বাবা বলেন, মিতুর মৃত্যুর পর তার ছেলেমেয়ে আমার কাছে ছিল। বড় ছেলেকে আমার টাকায় স্কুলে ভর্তি করিয়েছি। পরে বাবুলকে নিয়ে পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হওয়ার পর ছেলেদের আমার কাছ থেকে নিয়ে গেছে। অন্য একটি স্কুলে ভর্তি করিয়েছে। মিতুকে খুনের সময় ছেলে তার সঙ্গে ছিল। মাকে নির্মমভাবে খুনের দৃশ্য ছেলে দেখেছে। এ ছাড়া বাসায় মাকে (মিতু) নির্যাতন করা হতো কিনা। হলে কিভাবে নির্যাতন হতো। এসব কথা আমাদের বলে দেবে- এ ভয়ে হয়তো বাবুল তাকে (মিতুর ছেলেকে) আমাদের কাছ থেকে নিয়ে গেছে।

এদিকে এসআই আকরামের বোন জান্নাত আরা রিনি যুগান্তরের কাছে দাবি করেছেন, মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাদের ডেকেছেন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিএমপির এডিসি মো. কামরুজ্জামান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মিতু হত্যা ও এসআই আকরামের মৃত্যু: যোগসূত্র খতিয়ে দেখার দাবি

আপডেট সময় : ০৬:৪২:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু এবং ঝিনাইদহের এসআই আকরামের মৃৃত্যুর ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবি করছেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন।

এদিকে এসআই আকরামের বোন ও ভগ্নিপতি দাবি করেছেন, মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিএমপির এডিসি মো. কামরুজ্জামান তাদের ডেকেছেন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। এ ছাড়া বাবুল আক্তারকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন এডিসি কামরুজ্জামান।

মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, কিছু দিন আগে ঝিনাইদহে নিহত এসআই আকরামের বোন জান্নাত আরা রিনি ও এক ভগ্নিপতি আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। তাদের দাবি, আকরামের স্ত্রী বনানী বিনতে বসির বর্ণির সঙ্গে বাবুল আক্তারের পরকীয়া ছিল। এ কারণে আকরামকে খুন করা হয়েছে। যদি তাই হয় আমি বলব, মিতু হত্যা মামলার পাশাপাশি আকরামের মৃত্যুর কারণও তদন্ত করা হোক। দুই হত্যাকাণ্ড একই সূত্রে গাঁথা কিনা তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমি মেয়ে হারিয়েছি, আর আকরামের পরিবার ছেলে হারিয়েছে। আমি বুঝি হারানোর দুঃখ কী।

পুলিশের সাবেক এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, মিতু খুনের আট মাস হয়ে গেল। এর সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু কী কারণে আমার মেয়েকে খুন করা হয়েছে, কারা খুন করেছে তা এখনো জানা গেল না। এর চেয়ে কষ্টের আর কিছুই হতে পারে না।

মিতুর বাবা বলেন, মিতুর মৃত্যুর পর তার ছেলেমেয়ে আমার কাছে ছিল। বড় ছেলেকে আমার টাকায় স্কুলে ভর্তি করিয়েছি। পরে বাবুলকে নিয়ে পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হওয়ার পর ছেলেদের আমার কাছ থেকে নিয়ে গেছে। অন্য একটি স্কুলে ভর্তি করিয়েছে। মিতুকে খুনের সময় ছেলে তার সঙ্গে ছিল। মাকে নির্মমভাবে খুনের দৃশ্য ছেলে দেখেছে। এ ছাড়া বাসায় মাকে (মিতু) নির্যাতন করা হতো কিনা। হলে কিভাবে নির্যাতন হতো। এসব কথা আমাদের বলে দেবে- এ ভয়ে হয়তো বাবুল তাকে (মিতুর ছেলেকে) আমাদের কাছ থেকে নিয়ে গেছে।

এদিকে এসআই আকরামের বোন জান্নাত আরা রিনি যুগান্তরের কাছে দাবি করেছেন, মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাদের ডেকেছেন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিএমপির এডিসি মো. কামরুজ্জামান।