ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

পারনেল, তাহিরের কল্যাণে দক্ষিণ আফ্রিকার সহজ জয়

  • আপডেট সময় : ০৯:৪৭:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৭
  • / 243
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ওয়েন পারনেল ও ইমরান তাহিরের বোলিংয়ে ভর করে সেন্ট জর্জেস পার্কে প্রথম ওয়ানডেতে শ্রীলংকাকে ৮ উইকেটে পরাজিত করে শুভ সূচনা করেছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রন পাওয়া শ্রীলংকার ইনিংস মাত্র ১৮১ রানেই গুটিয়ে যায়। সফরকারীদের হয়ে সর্বোচ্চ ৬২ রান করেছেন কুশাল মেন্ডিস। বাঁহাতি সীমার পারনেল ৪৮ রানে ও লেগ স্পিনার তাহির ২৬ রানে তিনটি করে উইকেট দখল করেছেন।

ম্যাচ সেরা তাহির বলেছেন, ‘আজকের দিনটি আমার জন্য কিছুটা বিশেষ ছিল। কারন আজ আমার বিবাহ বার্ষিকী এবং দিনটি সম্পূর্ণ ভাবেই আমার স্ত্রীর জন্য নিবেদিত। সে আমাকে বলেছে পাঁচ উইকেট নিতে ও ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিততে। পাঁচ উইকেট নিতে না পারলেও নিজের পারফরমেন্সে আমি দারুন খুশী।’

হাশিম আমলার ৫৭ ও ফাফ ডু প্লেসিসের অপরাজিত ৫৫ রানে ভর করে ১৫.৪ ওভার বাকি থাকতেই দক্ষিণ আফ্রিকা জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।

টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্সের বোলিংয়ে সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমান করেছেন স্বাগতিক বোলাররা। ইনিংসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ওভারের প্র্রথম বলেই শ্রীলংকার দুই ওপেনার নিরোশান ডিকওয়েলা (১) ও সানদান ভিরাকুডির (৫) উইকেট দুটি তুলে নিয়ে শ্রীলংকাকে চাপে ফেলেন পারনেল। যদিও তৃতীয় উইকেটে দিনেশ চান্ডিমাল ও মেন্ডিস মিলে ৭২ রান যোগ করেন। কিন্তু এরপর মূল কাজটি করেন তাহির। শ্রীলংকার ইনিংসের মিডল অর্ডার গুড়িয়ে দিয়ে তাহির লংকানদের ইনিংস বড় করতে দেননি। নিজের চার ওভারেই তিনি তিনটি উইকেট নিয়েছেন।

ম্যাচ শেষে দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক ডি ভিলিয়ার্স বলেছেন, আমাদের বোলাররা অসাধারণ পারফরমেন্স করেছে যে কারনে তাদের ইনিংস বড় হতে পারেনি। নতুন বলে বোলাররা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে, ঠিক যেটা আমরা চাচ্ছিলাম। তবে মিডল অর্ডারে তাহির সঠিক কাজটাই করেছে।

প্রথম উইকেটে কুইনটন ডি কককে (৩৪) সাথে নিয়ে আমলা ৭১ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস উপহার দিয়েছেন যার প্রশংসা প্রোটিয়া অধিনায়কও করেছেন। তিনি বলেন শ্রীলংকার ইনিংস খুব বেশী বড় না হলেও ধীর গতির এই উইকেটে প্রথম থেকেই আমাদের এগিয়ে থাকার লক্ষ্য ছিল যা ওপেনাররা করে দেখিয়েছে। এই ধরনের কন্ডিশন শ্রীলংকার সাথে অনেকটাই মিলে যেখানে স্পিনাররা বেশী সুবিধা পায়। কিন্তু কুইনটন ও হাশিম দারুনভাবে লংকান বোলারদের সামলে শক্ত একটি ভিত তৈরী করে দিয়েছিলেন। যা ফাফ ও আমার জন্য সহজ হয়েছে।

এই পারফরমেন্সে হতাশ শ্রীলংকান অধিায়নক উপল থারাঙ্গা বলেছেন, দিনেশ ও মেন্ডিস ভাল একটি পার্টনারশীপ গড়লেও প্রথম দিকের উইকেট পতনের ক্ষতি আমরা পুরো ইনিংসে কাটিয়ে উঠতে পারিনি। আমাদের ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগেই উন্নতি করতে হবে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

শ্রীলংকা ১৮১ অল আউট, ৪৮.৩ ওভার (মেন্ডিস ৬২, ডি সিলভা ২৮; পারনেল ৩-৪৮, তাহির ৩-২৬, মরিস ২-২৯)

দক্ষিণ আফ্রিকা ২ উইকেটে ১৮৫, ৩৪.২ ওভার (আমলা ৫৭, ডু প্লেসিস ৫২৫*,ডি কক ৩৪, ডি ভিলিয়ার্স ৩০*; গুনারতেœ ১-১৯)

ফল : দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ উইকেট জয়ী

ম্যান অব দ্য ম্যাচ : ইমরান তাহির (দক্ষিণ আফ্রিকা)

সিরিজ : পাঁচ ম্যাচের সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে

পরবর্তী ম্যাচ :

১ ফেব্রুয়ারি : ২য় ওয়ানডে, ডারবান

৪ ফেব্রুয়ারি : ৩য় ওয়ানডে, জোহানেসবার্গ

৭ ফেব্রুয়ারি : ৪র্থ ওয়ানডে, কেপ টাউন

১০ ফেব্রুয়ারি : ৫ম ওয়ানডে, সেঞ্চুরিয়ান

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পারনেল, তাহিরের কল্যাণে দক্ষিণ আফ্রিকার সহজ জয়

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৭

ওয়েন পারনেল ও ইমরান তাহিরের বোলিংয়ে ভর করে সেন্ট জর্জেস পার্কে প্রথম ওয়ানডেতে শ্রীলংকাকে ৮ উইকেটে পরাজিত করে শুভ সূচনা করেছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রন পাওয়া শ্রীলংকার ইনিংস মাত্র ১৮১ রানেই গুটিয়ে যায়। সফরকারীদের হয়ে সর্বোচ্চ ৬২ রান করেছেন কুশাল মেন্ডিস। বাঁহাতি সীমার পারনেল ৪৮ রানে ও লেগ স্পিনার তাহির ২৬ রানে তিনটি করে উইকেট দখল করেছেন।

ম্যাচ সেরা তাহির বলেছেন, ‘আজকের দিনটি আমার জন্য কিছুটা বিশেষ ছিল। কারন আজ আমার বিবাহ বার্ষিকী এবং দিনটি সম্পূর্ণ ভাবেই আমার স্ত্রীর জন্য নিবেদিত। সে আমাকে বলেছে পাঁচ উইকেট নিতে ও ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিততে। পাঁচ উইকেট নিতে না পারলেও নিজের পারফরমেন্সে আমি দারুন খুশী।’

হাশিম আমলার ৫৭ ও ফাফ ডু প্লেসিসের অপরাজিত ৫৫ রানে ভর করে ১৫.৪ ওভার বাকি থাকতেই দক্ষিণ আফ্রিকা জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।

টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্সের বোলিংয়ে সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমান করেছেন স্বাগতিক বোলাররা। ইনিংসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ওভারের প্র্রথম বলেই শ্রীলংকার দুই ওপেনার নিরোশান ডিকওয়েলা (১) ও সানদান ভিরাকুডির (৫) উইকেট দুটি তুলে নিয়ে শ্রীলংকাকে চাপে ফেলেন পারনেল। যদিও তৃতীয় উইকেটে দিনেশ চান্ডিমাল ও মেন্ডিস মিলে ৭২ রান যোগ করেন। কিন্তু এরপর মূল কাজটি করেন তাহির। শ্রীলংকার ইনিংসের মিডল অর্ডার গুড়িয়ে দিয়ে তাহির লংকানদের ইনিংস বড় করতে দেননি। নিজের চার ওভারেই তিনি তিনটি উইকেট নিয়েছেন।

ম্যাচ শেষে দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক ডি ভিলিয়ার্স বলেছেন, আমাদের বোলাররা অসাধারণ পারফরমেন্স করেছে যে কারনে তাদের ইনিংস বড় হতে পারেনি। নতুন বলে বোলাররা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে, ঠিক যেটা আমরা চাচ্ছিলাম। তবে মিডল অর্ডারে তাহির সঠিক কাজটাই করেছে।

প্রথম উইকেটে কুইনটন ডি কককে (৩৪) সাথে নিয়ে আমলা ৭১ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস উপহার দিয়েছেন যার প্রশংসা প্রোটিয়া অধিনায়কও করেছেন। তিনি বলেন শ্রীলংকার ইনিংস খুব বেশী বড় না হলেও ধীর গতির এই উইকেটে প্রথম থেকেই আমাদের এগিয়ে থাকার লক্ষ্য ছিল যা ওপেনাররা করে দেখিয়েছে। এই ধরনের কন্ডিশন শ্রীলংকার সাথে অনেকটাই মিলে যেখানে স্পিনাররা বেশী সুবিধা পায়। কিন্তু কুইনটন ও হাশিম দারুনভাবে লংকান বোলারদের সামলে শক্ত একটি ভিত তৈরী করে দিয়েছিলেন। যা ফাফ ও আমার জন্য সহজ হয়েছে।

এই পারফরমেন্সে হতাশ শ্রীলংকান অধিায়নক উপল থারাঙ্গা বলেছেন, দিনেশ ও মেন্ডিস ভাল একটি পার্টনারশীপ গড়লেও প্রথম দিকের উইকেট পতনের ক্ষতি আমরা পুরো ইনিংসে কাটিয়ে উঠতে পারিনি। আমাদের ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগেই উন্নতি করতে হবে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

শ্রীলংকা ১৮১ অল আউট, ৪৮.৩ ওভার (মেন্ডিস ৬২, ডি সিলভা ২৮; পারনেল ৩-৪৮, তাহির ৩-২৬, মরিস ২-২৯)

দক্ষিণ আফ্রিকা ২ উইকেটে ১৮৫, ৩৪.২ ওভার (আমলা ৫৭, ডু প্লেসিস ৫২৫*,ডি কক ৩৪, ডি ভিলিয়ার্স ৩০*; গুনারতেœ ১-১৯)

ফল : দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ উইকেট জয়ী

ম্যান অব দ্য ম্যাচ : ইমরান তাহির (দক্ষিণ আফ্রিকা)

সিরিজ : পাঁচ ম্যাচের সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে

পরবর্তী ম্যাচ :

১ ফেব্রুয়ারি : ২য় ওয়ানডে, ডারবান

৪ ফেব্রুয়ারি : ৩য় ওয়ানডে, জোহানেসবার্গ

৭ ফেব্রুয়ারি : ৪র্থ ওয়ানডে, কেপ টাউন

১০ ফেব্রুয়ারি : ৫ম ওয়ানডে, সেঞ্চুরিয়ান