ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত সরকারের: চিফ হুইপ সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, অক্টোবরেই ফিরছে স্বাভাবিক ফ্লাইট লালবাগে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর রহস্যজনক অন্তর্ধানের ঘটনায় তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে সমর্থকদের নিয়ে শপথ নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া ও চীনের উত্থান: গত ২৫ বছরে আমূল বদলে যাওয়া বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন: বিশ্বনেতাদের বরণে প্রস্তুত দিল্লি, মোদির সঙ্গে পুতিন-পেজেশকিয়ানের বৈঠক আজ একতরফা আধিপত্য রুখতে ব্রিকসের ওপর জোর দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এআই কি মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি? বড় সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা মক্কা চুক্তির পর ইয়েমেনে সৌদি জোটের ব্যাপক বিমান হামলার অভিযোগ শনিবার ভারতে শুরু হচ্ছে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন, পুতিনসহ যোগ দিচ্ছেন বিশ্বনেতারা

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর দুই দিন ব্যাপী ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত

  • আপডেট সময় : ০৪:১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০১৮
  • / 434
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ  ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর দুই দিন ব্যাপী ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন ১১ জানুয়ারি ২০১৮ বৃহস্পতিবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শুরু হয়েছে।

ব্যাংকের বোর্ড অব ডাইরেক্টরসের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান প্রধান অতিথি হিসেবে এ সম্মেলন উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী মো. আবদুল হামিদ মিঞার সভাপতিত্বে  ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সাহাবুদ্দিন, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ড. মো. জিল্লুর রহমান, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হেলাল আহমদ চৌধুরী, পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী শহিদুল আলম, মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির, এফসিএ, মো. সাইফুল ইসলাম, এফসিএ, এফসিএমএ, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. মিজানুর রহমান, প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল করিম, প্রফেসর মোঃ নাজমুল হাসান, পিএচডি, সৈয়দ আবু আসাদ ও মোঃ মোসাদ্দেক-উল-আলম বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। আরও বক্তব্য রাখেন শরী‘আহ্ সুপারভাইজরি কমিটির সদস্য সচিব প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন এডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব-উল-আলম। অনুষ্ঠানে ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, প্রধান কার্যালয়ের উর্ধ্বতন নির্বাহী, জোন প্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকগণ অংশগ্রহন করেন।

সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৫ হাজার ১৩০ কোটি টাকা যা গত বছরের তুলনায় ৭ হাজার ২ শত ৪৪  কোটি টাকা বেশি। একই সময়ে ৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা নতুন বিনিয়োগসহ মোট সাধারণ বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০ হাজার ৯৯ কোটি টাকা এবং গ্রাহক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ। ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স আহরণ বাণিজ্য করেছে যথাক্রমে ৩৮ হাজার ৫ শত কোটি, ২৪ হাজার কোটি এবং ২৩ হাজার ৩ শত কোটি টাকা।

চেয়ারম্যান আরাস্তু খান প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংকের মূল চালিকাশক্তি হলো শরী‘আহ। তাই শরী‘আহ্ পরিপালনের ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। শরীআহ্ নীতির পরিপালন, পরিচালনা পর্ষদের দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের পরিচালন কৌশল, কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, সততা ও আন্তরিক সেবার ফলেই ইসলামী ব্যাংক দেশের শ্রেষ্ঠ ব্যাংকে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে এবং উন্নয়নের সর্বজনীন মডেল। ইসলামী ব্যাংক এ উন্নয়নের সহযোগী ভুমিকা পালন করছে। সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যাংক পরিচালনার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে আরো বেশি অবদান রাখতে তিনি শাখা প্রদানদের প্রতি নির্দেশনা দেন।

ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সাহাবুদ্দিন তার ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের সকল আইন, নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের নিয়ম-নীতি পরিপালন এবং জবাবদিহিতার সংস্কৃতি লালন করে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য কল্যাণধর্মী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দেশের ১৬ কোটি মানুষের আস্থার এ ব্যাংকের পরিপালন সংস্কৃতি পেশাদারিত্বের মডেল। এ অবস্থান দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ছড়িয়ে দিতে শাখা প্রধানদের আহবান জানান। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয় এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়তে তিনি ব্যাংকারদের আরও ব্যাপক পরিসরে কাজ করতে আহবান জানান।

ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী মো. আবদুল হামিদ মিঞা সভাপতির ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশে ব্যাপক আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, প্রয়োজনমুখী বিনিয়োগ, সামাজিক দায়বদ্ধ কার্যক্রম ও পল্লী উন্নয়ন কর্মসুচির মাধ্যমে অবহেলিত, পশ্চাদপদ ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করছে। দেশের কৃষিখাতে বিনিয়োগ অগ্রাধিকার দিয়ে ইসলামী ব্যাংক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের বিকাশ, পরিবহণ ও আবাসন খাতে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ যোগাচ্ছে। তিনি বলেন ক্ষুধা, দারিদ্র ও বৈষম্যমুক্ত একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে এই ব্যাংক। পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যাংকের মানসম্মত সেবা আরো বেশি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি শাখাপ্রধানদের প্রতি আহবান জানান।

২০১৭ সালের সার্বিক অর্জনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ২০১৮ সালে দেশের চলমান উন্নয়ন ও অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সকল সূচকে আরো উন্নতি করার পরামর্শ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর দুই দিন ব্যাপী ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৪:১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০১৮

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ  ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর দুই দিন ব্যাপী ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন ১১ জানুয়ারি ২০১৮ বৃহস্পতিবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শুরু হয়েছে।

ব্যাংকের বোর্ড অব ডাইরেক্টরসের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান প্রধান অতিথি হিসেবে এ সম্মেলন উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী মো. আবদুল হামিদ মিঞার সভাপতিত্বে  ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সাহাবুদ্দিন, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ড. মো. জিল্লুর রহমান, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হেলাল আহমদ চৌধুরী, পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী শহিদুল আলম, মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির, এফসিএ, মো. সাইফুল ইসলাম, এফসিএ, এফসিএমএ, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. মিজানুর রহমান, প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল করিম, প্রফেসর মোঃ নাজমুল হাসান, পিএচডি, সৈয়দ আবু আসাদ ও মোঃ মোসাদ্দেক-উল-আলম বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। আরও বক্তব্য রাখেন শরী‘আহ্ সুপারভাইজরি কমিটির সদস্য সচিব প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন এডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব-উল-আলম। অনুষ্ঠানে ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, প্রধান কার্যালয়ের উর্ধ্বতন নির্বাহী, জোন প্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকগণ অংশগ্রহন করেন।

সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৫ হাজার ১৩০ কোটি টাকা যা গত বছরের তুলনায় ৭ হাজার ২ শত ৪৪  কোটি টাকা বেশি। একই সময়ে ৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা নতুন বিনিয়োগসহ মোট সাধারণ বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০ হাজার ৯৯ কোটি টাকা এবং গ্রাহক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ। ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স আহরণ বাণিজ্য করেছে যথাক্রমে ৩৮ হাজার ৫ শত কোটি, ২৪ হাজার কোটি এবং ২৩ হাজার ৩ শত কোটি টাকা।

চেয়ারম্যান আরাস্তু খান প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংকের মূল চালিকাশক্তি হলো শরী‘আহ। তাই শরী‘আহ্ পরিপালনের ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। শরীআহ্ নীতির পরিপালন, পরিচালনা পর্ষদের দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের পরিচালন কৌশল, কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, সততা ও আন্তরিক সেবার ফলেই ইসলামী ব্যাংক দেশের শ্রেষ্ঠ ব্যাংকে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে এবং উন্নয়নের সর্বজনীন মডেল। ইসলামী ব্যাংক এ উন্নয়নের সহযোগী ভুমিকা পালন করছে। সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যাংক পরিচালনার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে আরো বেশি অবদান রাখতে তিনি শাখা প্রদানদের প্রতি নির্দেশনা দেন।

ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সাহাবুদ্দিন তার ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের সকল আইন, নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের নিয়ম-নীতি পরিপালন এবং জবাবদিহিতার সংস্কৃতি লালন করে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য কল্যাণধর্মী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দেশের ১৬ কোটি মানুষের আস্থার এ ব্যাংকের পরিপালন সংস্কৃতি পেশাদারিত্বের মডেল। এ অবস্থান দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ছড়িয়ে দিতে শাখা প্রধানদের আহবান জানান। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয় এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়তে তিনি ব্যাংকারদের আরও ব্যাপক পরিসরে কাজ করতে আহবান জানান।

ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী মো. আবদুল হামিদ মিঞা সভাপতির ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশে ব্যাপক আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, প্রয়োজনমুখী বিনিয়োগ, সামাজিক দায়বদ্ধ কার্যক্রম ও পল্লী উন্নয়ন কর্মসুচির মাধ্যমে অবহেলিত, পশ্চাদপদ ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করছে। দেশের কৃষিখাতে বিনিয়োগ অগ্রাধিকার দিয়ে ইসলামী ব্যাংক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের বিকাশ, পরিবহণ ও আবাসন খাতে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ যোগাচ্ছে। তিনি বলেন ক্ষুধা, দারিদ্র ও বৈষম্যমুক্ত একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে এই ব্যাংক। পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যাংকের মানসম্মত সেবা আরো বেশি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি শাখাপ্রধানদের প্রতি আহবান জানান।

২০১৭ সালের সার্বিক অর্জনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ২০১৮ সালে দেশের চলমান উন্নয়ন ও অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সকল সূচকে আরো উন্নতি করার পরামর্শ দেন।