ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

এক দশক পর বিপ্লবে পূর্ণতা পেল যে গান

  • আপডেট সময় : ০৫:১০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪
  • / 231
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেশ কিছু গান উৎসাহ-অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তবে যে গানের একাধিক লাইন স্লোগানের মতো ছড়িয়ে গেছে, সেটি শূন্য ব্যান্ডের ‘শোনো মহাজন’। মিছিলে, স্লোগানে, দেয়াললিখনে এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ার রিলসে শাহান কবন্ধের লেখা গানটির ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ করা গেছে। এ গানের লাইন ‘শোনো মহাজন, আমি নয়তো একজন/ শোনো মহাজন, আমরা অনেকজন’ কিংবা ‘আমার বিচার তুমি করো, তোমার বিচার করবে কে’ এখনো শোভা পাচ্ছে শহরের দেয়ালে দেয়ালে।

২০১৪ সালে প্রকাশ পায় শূন্য ব্যান্ডের চতুর্থ অ্যালবাম ‘ভাগো’। এই অ্যালবামের তৃতীয় গান শোনো মহাজন। এক দশক আগের গানটি যেন পুনর্জন্ম পেল এই বিপ্লবে। বিষয়টি নিয়ে আপ্লুত গানটির সংগীত প্রযোজক ফুয়াদ আল মুক্তাদির। গানটি তৈরির গল্প শোনালেন তিনি, ‘একদিন এমিল (শূন্য ব্যান্ডের ভোকাল ও গিটারিস্ট) আমাকে ফোন করে বলল, ফুয়াদ ভাই, অনেক দিন গান প্রডিউস করা হয় না একসঙ্গে। চলেন, কিছু একটা করি। সেদিন ফ্রি ছিলাম। এমিলকে বললাম, তোমরা চলে আসো স্টুডিওতে। এর মধ্যে শাহান কবন্ধও এল। আমরা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গানটা বানাই।’

নিজের অনুভূতি জানিয়ে ফুয়াদ বলেন, ‘নিপীড়িত মানুষের জাগরণের কথা বলা হয়েছে এ গানে। যেকোনো প্রান্তিক মানুষের ভাষা এই গান। বড় কিছু করতে চেয়েছিলাম। ১০ বছর পরে গানটা যেভাবে এই আন্দোলনে ব্যবহৃত হলো, দেখে খুবই ভালো লেগেছে। মনে হচ্ছে, অবশেষে গানটি পূর্ণতা পেল।’

শোনো মহাজন এমনভাবে শ্রোতাদের অনুপ্রাণিত করতে পেরেছে, তাতে খুশি ইমরুল করিম এমিল। তিনি বলেন, ‘শোনো মহাজন আমাদের শূন্য ব্যান্ডের সবার প্রচেষ্টার ফসল। ব্যান্ডের সদস্য হিসেবে তখন ছিলাম আমি, শাকের, মাইকেল ও লাবিব। এটা একটা সমন্বিত কাজ। তাই সবার ভূমিকাই গুরুত্বপূর্ণ। গানটার প্রডিউসার ছিলেন ফুয়াদ আল মুক্তাদির ও গীতিকার শাহান কবন্ধ। সাম্প্রতিক আন্দোলনে গানটি যেভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাতে আমরা খুবই সম্মানিত বোধ করছি। এই গানের মাধ্যমে আমরাও ছাত্র-জনতার বিপ্লবে অংশ হতে পেরেছি। অনেকের মন্তব্য দেখেছি, আন্দোলনের সময় যাঁদের হয়তো একটু মন খারাপ ছিল, আমাদের গানটা শুনে তাঁরাও অনুপ্রেরণা পেয়েছেন, অংশ নিয়েছেন প্রতিবাদে। যাঁরা গানটিকে এমন ভালোবেসে গ্রহণ করেছেন, তাঁদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’

বিডিসংবাদ/আতে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এক দশক পর বিপ্লবে পূর্ণতা পেল যে গান

আপডেট সময় : ০৫:১০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেশ কিছু গান উৎসাহ-অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তবে যে গানের একাধিক লাইন স্লোগানের মতো ছড়িয়ে গেছে, সেটি শূন্য ব্যান্ডের ‘শোনো মহাজন’। মিছিলে, স্লোগানে, দেয়াললিখনে এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ার রিলসে শাহান কবন্ধের লেখা গানটির ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ করা গেছে। এ গানের লাইন ‘শোনো মহাজন, আমি নয়তো একজন/ শোনো মহাজন, আমরা অনেকজন’ কিংবা ‘আমার বিচার তুমি করো, তোমার বিচার করবে কে’ এখনো শোভা পাচ্ছে শহরের দেয়ালে দেয়ালে।

২০১৪ সালে প্রকাশ পায় শূন্য ব্যান্ডের চতুর্থ অ্যালবাম ‘ভাগো’। এই অ্যালবামের তৃতীয় গান শোনো মহাজন। এক দশক আগের গানটি যেন পুনর্জন্ম পেল এই বিপ্লবে। বিষয়টি নিয়ে আপ্লুত গানটির সংগীত প্রযোজক ফুয়াদ আল মুক্তাদির। গানটি তৈরির গল্প শোনালেন তিনি, ‘একদিন এমিল (শূন্য ব্যান্ডের ভোকাল ও গিটারিস্ট) আমাকে ফোন করে বলল, ফুয়াদ ভাই, অনেক দিন গান প্রডিউস করা হয় না একসঙ্গে। চলেন, কিছু একটা করি। সেদিন ফ্রি ছিলাম। এমিলকে বললাম, তোমরা চলে আসো স্টুডিওতে। এর মধ্যে শাহান কবন্ধও এল। আমরা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গানটা বানাই।’

নিজের অনুভূতি জানিয়ে ফুয়াদ বলেন, ‘নিপীড়িত মানুষের জাগরণের কথা বলা হয়েছে এ গানে। যেকোনো প্রান্তিক মানুষের ভাষা এই গান। বড় কিছু করতে চেয়েছিলাম। ১০ বছর পরে গানটা যেভাবে এই আন্দোলনে ব্যবহৃত হলো, দেখে খুবই ভালো লেগেছে। মনে হচ্ছে, অবশেষে গানটি পূর্ণতা পেল।’

শোনো মহাজন এমনভাবে শ্রোতাদের অনুপ্রাণিত করতে পেরেছে, তাতে খুশি ইমরুল করিম এমিল। তিনি বলেন, ‘শোনো মহাজন আমাদের শূন্য ব্যান্ডের সবার প্রচেষ্টার ফসল। ব্যান্ডের সদস্য হিসেবে তখন ছিলাম আমি, শাকের, মাইকেল ও লাবিব। এটা একটা সমন্বিত কাজ। তাই সবার ভূমিকাই গুরুত্বপূর্ণ। গানটার প্রডিউসার ছিলেন ফুয়াদ আল মুক্তাদির ও গীতিকার শাহান কবন্ধ। সাম্প্রতিক আন্দোলনে গানটি যেভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাতে আমরা খুবই সম্মানিত বোধ করছি। এই গানের মাধ্যমে আমরাও ছাত্র-জনতার বিপ্লবে অংশ হতে পেরেছি। অনেকের মন্তব্য দেখেছি, আন্দোলনের সময় যাঁদের হয়তো একটু মন খারাপ ছিল, আমাদের গানটা শুনে তাঁরাও অনুপ্রেরণা পেয়েছেন, অংশ নিয়েছেন প্রতিবাদে। যাঁরা গানটিকে এমন ভালোবেসে গ্রহণ করেছেন, তাঁদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’

বিডিসংবাদ/আতে