ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত সরকারের: চিফ হুইপ সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, অক্টোবরেই ফিরছে স্বাভাবিক ফ্লাইট লালবাগে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর রহস্যজনক অন্তর্ধানের ঘটনায় তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে সমর্থকদের নিয়ে শপথ নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া ও চীনের উত্থান: গত ২৫ বছরে আমূল বদলে যাওয়া বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন: বিশ্বনেতাদের বরণে প্রস্তুত দিল্লি, মোদির সঙ্গে পুতিন-পেজেশকিয়ানের বৈঠক আজ একতরফা আধিপত্য রুখতে ব্রিকসের ওপর জোর দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এআই কি মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি? বড় সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা মক্কা চুক্তির পর ইয়েমেনে সৌদি জোটের ব্যাপক বিমান হামলার অভিযোগ শনিবার ভারতে শুরু হচ্ছে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন, পুতিনসহ যোগ দিচ্ছেন বিশ্বনেতারা

এবার বৈসাবী উৎসব হচ্ছে না

  • আপডেট সময় : ০১:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ এপ্রিল ২০২১
  • / 144
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এবারো রাঙ্গামাটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হবে না বৈসাবী উৎসব। পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র-ণৃতাত্বিক জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী উৎসব বৈসাবীতে এবার হবে না বৈসাবী র‌্যালি,কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানোসহ অন্যান্য সামাজিক উৎসব। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলাসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে এবার বৈসাবী উৎসব পালন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বৈসাবী উৎসব উদযাপন কমিটি ২০২১।

বৈসাবী (বিজু, সাংগ্রাইং, সাংক্রান, সাংক্রাই, বৈসু, বিষু, বিহু-২০২১ উদযাপন কমিটি) উৎসব পালন না করার বিষয়টি নিশ্চিত করে উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ইন্টু মনি তালুকদার জানিয়েছেন, সম্প্রতি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় কমিটির পক্ষ থেকে সর্বসম্মতিক্রমে বৈসাবী উৎসব পালন না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, দেশব্যাপী করোনা মহামারির কারণে সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আমাদের আয়োজিত সব অনুষ্ঠান স্থগিত করেছি। জনসমাবেশ হবে এমন অনুষ্ঠান বাদ দেয়া হয়েছে, তবে প্রকাশনা বের করা হবে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে রাঙ্গামাটিতে বসবাসরত ১৩টি সম্প্রদায়ের ক্ষুদ্র- ণৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর উদ্যোগে বিজু, সাংগ্রাইং, সাংক্রান, সাংক্রাই, বৈসু, বিষু, বিহু উৎসব পালন করা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র-ণৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বৈসাবী উপলক্ষে ৯ এপ্রিল থেকে উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে র‌্যালিসহ বিভিন্ন ধরনের পাহাড়ি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করতে পাহাড়ের ক্ষুদ্র-ণৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠীর মানুষ প্রতি বছর অন্যান্য আয়োজনের পাশাপাশি তিন দিন ব্যাপী বৈসাবী উৎসবের মূল অনুষ্ঠান আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে গঙ্গাদেবীর উদ্দেশ্যে কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানো হয়, দ্বিতীয় দিন মুল বিজু এবং তৃতীয় দিনে চাকমা,ত্রিপুরা সম্প্রদায় গোজ্জাই-পোজ্জা পালন করা হয়। মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পাহাড়ের বৈসাবী উৎসব। সূত্র : বাসস

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এবার বৈসাবী উৎসব হচ্ছে না

আপডেট সময় : ০১:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ এপ্রিল ২০২১

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এবারো রাঙ্গামাটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হবে না বৈসাবী উৎসব। পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র-ণৃতাত্বিক জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী উৎসব বৈসাবীতে এবার হবে না বৈসাবী র‌্যালি,কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানোসহ অন্যান্য সামাজিক উৎসব। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলাসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে এবার বৈসাবী উৎসব পালন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বৈসাবী উৎসব উদযাপন কমিটি ২০২১।

বৈসাবী (বিজু, সাংগ্রাইং, সাংক্রান, সাংক্রাই, বৈসু, বিষু, বিহু-২০২১ উদযাপন কমিটি) উৎসব পালন না করার বিষয়টি নিশ্চিত করে উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ইন্টু মনি তালুকদার জানিয়েছেন, সম্প্রতি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় কমিটির পক্ষ থেকে সর্বসম্মতিক্রমে বৈসাবী উৎসব পালন না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, দেশব্যাপী করোনা মহামারির কারণে সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আমাদের আয়োজিত সব অনুষ্ঠান স্থগিত করেছি। জনসমাবেশ হবে এমন অনুষ্ঠান বাদ দেয়া হয়েছে, তবে প্রকাশনা বের করা হবে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে রাঙ্গামাটিতে বসবাসরত ১৩টি সম্প্রদায়ের ক্ষুদ্র- ণৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর উদ্যোগে বিজু, সাংগ্রাইং, সাংক্রান, সাংক্রাই, বৈসু, বিষু, বিহু উৎসব পালন করা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র-ণৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বৈসাবী উপলক্ষে ৯ এপ্রিল থেকে উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে র‌্যালিসহ বিভিন্ন ধরনের পাহাড়ি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করতে পাহাড়ের ক্ষুদ্র-ণৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠীর মানুষ প্রতি বছর অন্যান্য আয়োজনের পাশাপাশি তিন দিন ব্যাপী বৈসাবী উৎসবের মূল অনুষ্ঠান আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে গঙ্গাদেবীর উদ্দেশ্যে কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানো হয়, দ্বিতীয় দিন মুল বিজু এবং তৃতীয় দিনে চাকমা,ত্রিপুরা সম্প্রদায় গোজ্জাই-পোজ্জা পালন করা হয়। মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পাহাড়ের বৈসাবী উৎসব। সূত্র : বাসস

বিডিসংবাদ/এএইচএস