ঢাকা ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঐতিহ্য বিকাশে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান শিক্ষা উপদেষ্টার

  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 82
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও হস্তশিল্প সংরক্ষণে সম্মিলিত ও সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে জাতীয় ঐতিহ্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকশিত হতে পারে।’

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন আয়োজিত ‘টাঙ্গাইল তাঁত : ঐতিহ্যের মালিকানা ও শিল্পের সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. সি আর আবরার বলেন, ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প, বিশেষ করে টাঙ্গাইল শাড়ি ও জামদানির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি একটি সম্মিলিত সাফল্যের ফল। এটি কোনো একক প্রতিষ্ঠানের অর্জন নয়; বরং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, জাতীয় জাদুঘর ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে।’

তিনি বলেন, তাঁত শিল্পের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত শিল্পী ও কারিগরদের ভূমিকা যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষা, জিআই স্বীকৃতি ও আইনি কাঠামো শক্তিশালী করতে বিশেষায়িত আইনজীবী প্যানেল গঠনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শিক্ষা উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘জাতীয় ঐতিহ্যের হালনাগাদ তালিকা প্রণয়ন, পাঠ্যক্রমে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক পাঠ অন্তর্ভুক্তকরণ এবং তাঁতশিল্পীদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এছাড়া, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি সহনীয় পর্যায়ে আনতে সরকারি হস্তক্ষেপ জরুরি।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের সেক্রেটারি জেনারেল রেহানা পারভীন। সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মাসউদ ইমরান।

সংলাপে টাঙ্গাইল তাঁতের মালিকানা, সম্প্রদায়ভিত্তিক অধিকার, ব্র্যান্ডিং, বাজার উন্নয়ন এবং তাঁতশিল্পের বিদ্যমান সমস্যা ও সমাধানের পথ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। শিক্ষা উপদেষ্টা সংলাপের সুপারিশসমূহ সংক্ষিপ্ত নথি আকারে প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রেরণের পরামর্শ দেন, যাতে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ সহজ হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, গবেষক, তাঁতশিল্পী, হ্যান্ডলুম উদ্যোক্তা, ডিজাইনার এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঐতিহ্য বিকাশে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান শিক্ষা উপদেষ্টার

আপডেট সময় : ১১:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও হস্তশিল্প সংরক্ষণে সম্মিলিত ও সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে জাতীয় ঐতিহ্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকশিত হতে পারে।’

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন আয়োজিত ‘টাঙ্গাইল তাঁত : ঐতিহ্যের মালিকানা ও শিল্পের সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. সি আর আবরার বলেন, ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প, বিশেষ করে টাঙ্গাইল শাড়ি ও জামদানির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি একটি সম্মিলিত সাফল্যের ফল। এটি কোনো একক প্রতিষ্ঠানের অর্জন নয়; বরং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, জাতীয় জাদুঘর ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে।’

তিনি বলেন, তাঁত শিল্পের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত শিল্পী ও কারিগরদের ভূমিকা যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষা, জিআই স্বীকৃতি ও আইনি কাঠামো শক্তিশালী করতে বিশেষায়িত আইনজীবী প্যানেল গঠনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শিক্ষা উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘জাতীয় ঐতিহ্যের হালনাগাদ তালিকা প্রণয়ন, পাঠ্যক্রমে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক পাঠ অন্তর্ভুক্তকরণ এবং তাঁতশিল্পীদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এছাড়া, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি সহনীয় পর্যায়ে আনতে সরকারি হস্তক্ষেপ জরুরি।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের সেক্রেটারি জেনারেল রেহানা পারভীন। সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মাসউদ ইমরান।

সংলাপে টাঙ্গাইল তাঁতের মালিকানা, সম্প্রদায়ভিত্তিক অধিকার, ব্র্যান্ডিং, বাজার উন্নয়ন এবং তাঁতশিল্পের বিদ্যমান সমস্যা ও সমাধানের পথ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। শিক্ষা উপদেষ্টা সংলাপের সুপারিশসমূহ সংক্ষিপ্ত নথি আকারে প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রেরণের পরামর্শ দেন, যাতে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ সহজ হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, গবেষক, তাঁতশিল্পী, হ্যান্ডলুম উদ্যোক্তা, ডিজাইনার এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস