কাল থেকে শুরু বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব
- আপডেট সময় : ০৬:৪২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২০
- / 161
বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হচ্ছে আগমীকাল ১০ জানুয়ারি থেকে। চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। আর দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে ১৭ জানুয়ারি। চলবে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশ থেকে গাজীপুরের টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে জড়ো হয়েছেন লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। চলছে আম ও খাস বয়ান।
আলমে সুরার তত্ত্বাবধানে তাবলিগ জামাতের প্রথম পর্বের ইজতেমায় অংশ নেবেন মাওলানা জোবায়েরের অনুসারীরা।
আগামীকাল শুক্রবার বাদ ফজর তাবলিগ জামাতের চিরাচরিত নিয়মানুসারে কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সভাপতি-প্রধান অতিথিবিহীন এই আন্তর্জাতিক ধর্মীয় মহাসমাবেশের সূচনা ঘটবে। তবে ইজতেমার মূল আকর্ষণ আম ও খাস বয়ান শুরু হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই।
এদিকে, আজ সকালে গাজীপুরে হয়ে গেছে কয়েক দফা বৃষ্টি। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ইজতেমায় আগতরা। এর মধ্যেই চলছে সেখানে মুসল্লিদের ঢল। মুসল্লিদের এই ভিড় অব্যাহত থাকবে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত। টঙ্গী স্টেশন রোড, চেরাগআলী, উত্তরার কামারপাড়া এলাকায় নেমে হেঁটে ময়দানে এসে নিজ নিজ জেলার খিত্তায় অবস্থান নিচ্ছেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মুসল্লিরা।
নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইজতেমার প্রতিটি প্রবেশপথেই আইন শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনী ও তাবলিগ জামাতের নজরদারি শুরু হয়েছে। ইজতেমা ময়দানের চারপাশে পুলিশ ও র্যাবের পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে কড়া নজরদারি চলছে। আগতদের দেহ তল্লাশি করে ময়দানে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে।
তুরাগ নদের পূর্ব ও পশ্চিম তীরের বিস্তৃত ভূমিতে চটের তৈরি বিশাল শামিয়ানা ৯১টি খিত্তায় বিভক্ত করে বিভিন্ন জেলার মুসলিমদের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ময়দানের উত্তর-পশ্চিম দিকে প্রায় ১০ হাজার বিদেশি মেহমানের থাকার ব্যবস্থা রেখে আন্তর্জাতিক নিবাস নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশ-বিদেশের প্রতিবন্ধী মুসলিমদের জন্য পৃথক নিবাস তৈরি করা হয়েছে।
আগত বিদেশি মেহমানদের সব ধরনের সেবাদানে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাঁদের নিজ দেশীয় আবহাওয়া ও রুচির দিকে লক্ষ রেখে থাকার ব্যবস্থা ও শতাধিক আইটেমের খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে তাবলিগ জামাত সূত্রে জানা যায়।
তুরাগ নদের এপার-ওপার দুই তীরে সহজ যাতায়াতের জন্য সেনাবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগ সাতটি ভাসমান সেতু নির্মাণ করেছে। এ ছাড়া তুরাগ নদে নৌ টহল, আকাশপথে হেলিকপ্টার টহল ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। ময়দানের আশপাশের উঁচু ভবন, রাস্তা ও প্যান্ডেলের ভেতরে সাদা পোশাক ও ইউনিফর্মধারী বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পাঁচটি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে।























