ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

চামড়ার বর্জ্য থেকে প্রোটিন ফিলার, জেলাটিন ও কোলাজেন উৎপাদনের উদ্যোগ

  • আপডেট সময় : ১২:৫১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / 10
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

চামড়া শিল্পের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন নিশ্চিত করতে চামড়ার বর্জ্য থেকে প্রোটিন ফিলার, জেলাটিন ও কোলাজেন উৎপাদনের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করেছে চীনা মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ জে ডব্লিউ অ্যানিমেল প্রোটিন কোং লিমিটেড।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) সূত্র জানায়, ক্রোম পৃথক করে (ক্রোম সেপারেশন) প্রোটিন ফিলার উৎপাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জে ডব্লিউ অ্যানিমেল প্রোটিন কোং লিমিটেডের সঙ্গে ইতোমধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।

বিসিক জানায়, প্রতিষ্ঠানটি সাভারের নয়ারহাট এলাকায় নিজস্ব ইটিপিসহ (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) একটি বড় কারখানা স্থাপন করেছে এবং বাণিজ্যিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করেছে। এ কারখানায় ট্যানারির বর্জ্য, যেমন চামড়ার টুকরা ও ক্রোম শেভিং ডাস্ট পুনর্ব্যবহার করে উচ্চমূল্যের রপ্তানিযোগ্য পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে।

২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি সাভারের নয়ারহাটে ৯ একর জমির ওপর একটি প্ল্যান্ট পরিচালনা করছে। এখান থেকে জেলাটিন ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোটিন পাউডারসহ বিভিন্ন পণ্য চীন ও রাশিয়ায় রপ্তানি করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ জে ডব্লিউ অ্যানিমেল প্রোটিন কোং লিমিটেডের দোভাষি পারভেজ খান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে বলেন, ‘আমরা এখনও পুরোদমে উৎপাদনে যেতে পারিনি। কারখানার নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। নির্মাণকাজ শেষ হলে সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে উৎপাদিত সব ধরনের চামড়ার বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করার সক্ষমতা আমাদের হবে।’

তিনি বলেন, সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে বছরে প্রায় ২০ হাজার টন চামড়ার বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এসব কাঁচা চামড়ার টুকরা থেকে জেলাটিন ও ক্যাপসুল তৈরির কাঁচামাল উৎপাদনের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।

বিসিক-এর লেদার সেলের প্রধান মিজানুর রহমান বাসস’কে বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পরিবেশ দূষণ কমবে। একই সঙ্গে চামড়া শিল্পে নতুন মূল্য সংযোজন হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চামড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো- অরিয়ন ট্রেডিং করপোরেশন, আইয়ুব ব্রাদার্স ট্যানারি লিমিটেড, রেজা লেদার এক্সপোর্ট, এ এন ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেড, আলমগীর লেদার কমপ্লেক্স এবং ফেনী ট্যানারি প্রাইভেট লিমিটেড।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চামড়ার বর্জ্য থেকে প্রোটিন ফিলার, জেলাটিন ও কোলাজেন উৎপাদনের উদ্যোগ

আপডেট সময় : ১২:৫১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

চামড়া শিল্পের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন নিশ্চিত করতে চামড়ার বর্জ্য থেকে প্রোটিন ফিলার, জেলাটিন ও কোলাজেন উৎপাদনের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করেছে চীনা মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ জে ডব্লিউ অ্যানিমেল প্রোটিন কোং লিমিটেড।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) সূত্র জানায়, ক্রোম পৃথক করে (ক্রোম সেপারেশন) প্রোটিন ফিলার উৎপাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জে ডব্লিউ অ্যানিমেল প্রোটিন কোং লিমিটেডের সঙ্গে ইতোমধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।

বিসিক জানায়, প্রতিষ্ঠানটি সাভারের নয়ারহাট এলাকায় নিজস্ব ইটিপিসহ (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) একটি বড় কারখানা স্থাপন করেছে এবং বাণিজ্যিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করেছে। এ কারখানায় ট্যানারির বর্জ্য, যেমন চামড়ার টুকরা ও ক্রোম শেভিং ডাস্ট পুনর্ব্যবহার করে উচ্চমূল্যের রপ্তানিযোগ্য পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে।

২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি সাভারের নয়ারহাটে ৯ একর জমির ওপর একটি প্ল্যান্ট পরিচালনা করছে। এখান থেকে জেলাটিন ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোটিন পাউডারসহ বিভিন্ন পণ্য চীন ও রাশিয়ায় রপ্তানি করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ জে ডব্লিউ অ্যানিমেল প্রোটিন কোং লিমিটেডের দোভাষি পারভেজ খান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে বলেন, ‘আমরা এখনও পুরোদমে উৎপাদনে যেতে পারিনি। কারখানার নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। নির্মাণকাজ শেষ হলে সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে উৎপাদিত সব ধরনের চামড়ার বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করার সক্ষমতা আমাদের হবে।’

তিনি বলেন, সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে বছরে প্রায় ২০ হাজার টন চামড়ার বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এসব কাঁচা চামড়ার টুকরা থেকে জেলাটিন ও ক্যাপসুল তৈরির কাঁচামাল উৎপাদনের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।

বিসিক-এর লেদার সেলের প্রধান মিজানুর রহমান বাসস’কে বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পরিবেশ দূষণ কমবে। একই সঙ্গে চামড়া শিল্পে নতুন মূল্য সংযোজন হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চামড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো- অরিয়ন ট্রেডিং করপোরেশন, আইয়ুব ব্রাদার্স ট্যানারি লিমিটেড, রেজা লেদার এক্সপোর্ট, এ এন ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেড, আলমগীর লেদার কমপ্লেক্স এবং ফেনী ট্যানারি প্রাইভেট লিমিটেড।

বিডিসংবাদ/এএইচএস