ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ঝিনাইদহে সদর হাসপাতালে ঔষধের শো-কেচে তেলাপোকা বসতবাড়ী !

  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মে ২০১৭
  • / 294
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের রুগিদের ঔষধ পত্র বা খাবার রাখার জন্য, রুগির সিটের পাশে রাখা মিনি শোকেচ গুলোর অবস্থা করুন। তা কেবল হসপিটালে রুগির সাথে থাকা ভুক্তভুগিরা ছাড়া, অন্যকেউ বুঝতে পারবে না।আজ রাতে সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়েছিলাম রুগি দেখতে, রুগির সাথে থাকা লোকজন গুলো খুব কষ্টের সাথে বলেন,

দেখেনতো ভাই আপনারাতো সাংবাদিক মানুষ এগুলো নিয়ে লিখতেও পারেন। এর মধ্যে কি ঔষধ বা খাবার কিছুই রাখা সম্ভব? এত পরিমান তেলাপোকা যা শোকেচ থেকে বের হয়ে রুগির বেডে চলে আসছে। সত্যিই নিজের চোখে দেখে আসলাম, তেলাপোকা গুলি শোকেচের মধ্য থেকে বের হয়ে রুগির বেডে চলে আসছে।

আর শোকেচের মান খুবি এতকমা তারপর কত বছর যে এগুলি রং করা হয়না তা কারো জানা নাই। এই ধরনের আসবাব পত্র রুগির পাশে থাকা মানেই রুগির জন্য আরো খারাপ। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের আর,এম,ও অপুর্ব কুমার সাহা সহ সরকারের দায়িত্ব প্রাত্ত স্বাস্থ্য বিষয়ক মন্ত্রনালয়কে সবিনয়ে নিবেদন করবো, জরুরী ভিত্তিতে এই অস্বাস্থকর আসবাব পত্র অপসারন করে স্বাস্থ সম্মত শোকেচের ব্যবস্থা করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঝিনাইদহে সদর হাসপাতালে ঔষধের শো-কেচে তেলাপোকা বসতবাড়ী !

আপডেট সময় : ০৩:৫০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মে ২০১৭

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের রুগিদের ঔষধ পত্র বা খাবার রাখার জন্য, রুগির সিটের পাশে রাখা মিনি শোকেচ গুলোর অবস্থা করুন। তা কেবল হসপিটালে রুগির সাথে থাকা ভুক্তভুগিরা ছাড়া, অন্যকেউ বুঝতে পারবে না।আজ রাতে সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়েছিলাম রুগি দেখতে, রুগির সাথে থাকা লোকজন গুলো খুব কষ্টের সাথে বলেন,

দেখেনতো ভাই আপনারাতো সাংবাদিক মানুষ এগুলো নিয়ে লিখতেও পারেন। এর মধ্যে কি ঔষধ বা খাবার কিছুই রাখা সম্ভব? এত পরিমান তেলাপোকা যা শোকেচ থেকে বের হয়ে রুগির বেডে চলে আসছে। সত্যিই নিজের চোখে দেখে আসলাম, তেলাপোকা গুলি শোকেচের মধ্য থেকে বের হয়ে রুগির বেডে চলে আসছে।

আর শোকেচের মান খুবি এতকমা তারপর কত বছর যে এগুলি রং করা হয়না তা কারো জানা নাই। এই ধরনের আসবাব পত্র রুগির পাশে থাকা মানেই রুগির জন্য আরো খারাপ। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের আর,এম,ও অপুর্ব কুমার সাহা সহ সরকারের দায়িত্ব প্রাত্ত স্বাস্থ্য বিষয়ক মন্ত্রনালয়কে সবিনয়ে নিবেদন করবো, জরুরী ভিত্তিতে এই অস্বাস্থকর আসবাব পত্র অপসারন করে স্বাস্থ সম্মত শোকেচের ব্যবস্থা করা।