ঢাকা ১২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাশিয়ার কামচাতকায় ৬.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প বোমা-ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কাউকে দমন করা সম্ভব নয়: পেজেশকিয়ান নিরাপত্তা ঝুঁকিতে শাহ আমানত বিমানবন্দর: রানওয়েতে দফায় দফায় চুরি নুরের বক্তৃতায় মগবাজার-বাংলামোটর তোলপাড়: মন্তব্য রাশেদ খাঁনের প্রকাশ্যে সমালোচনা করে জরিমানা গুনলেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হুতিদের হামলা: নিহত ৫ গাজীপুরে ইয়াবাসহ আটক অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ছিনিয়ে নিতে রেলওয়ে কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ ও বিজ্ঞানীদের সুযোগ বাড়ানোর নির্দেশ রাষ্ট্রপতির বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে আট সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে চায়না এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়ন চাইলেন জ্বালানিমন্ত্রী

নরসিংদীতে হত্যার ৭ মাস পর মাদ্রাসা ছাত্রের খন্ডিত কঙ্কাল উদ্ধার

  • আপডেট সময় : ১০:৪১:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • / 400
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ নরসিংদীতে সৎ চাচার পরিকল্পিত হত্যাকান্ডের শিকার ইকবাল (২১) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের পাচঁ টুকরা কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। হত্যার র্দীঘ ৭ মাস পর ২২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় নরসিংদী-মদনগঞ্জ রেললাইনের ৫নং ব্রিজের দক্ষিণ পাশ থেকে এ কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইকবাল হোসেন মাধবদীর কোতালিচর হোসেন বাজারের জাকির হোসেনের ছেলে। সে পৌলানপুর ফাজিল মাদ্রাসায় আলিম ১ম বর্ষের ছাত্র ছিল। লেখাপড়ার খরচ চালানোর জন্য সে ভাড়ায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালাত।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে ইকবাল হোসেন মাধবদীর আলগী মনোহরপুর শাহিন মিয়ার গ্যারেজ থেকে ভাড়ায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিয়ে বের হয়। সেদিন তার মা-বাবাকে রাত ৮টার দিকে বাড়ি ফিরবে বলে মোবাইলে জানায়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ হয়। তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে মাধবদী থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করে । পরে পুলিশ তার মোবাইল কলার লিস্টের সূত্র ধরে দক্ষিণ শিলমান্দীর হিরন মিয়ার ছেলে কাউছার মিয়াকে (২৪) গ্রেফতার করে।

কাউছার স্বীকারোক্তিতে জানিয়েছেন নিহতের সৎ চাচা ওমর ফারুক, নজরুলসহ তারা তিনজন মিলে ইকবালকে হত্যা করে। হত্যার পর তারা নিহতের মরদেহ মদনগঞ্জ ব্রিজের পাশের জমিতে পুতে রাখে। পরে তার ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাটি অন্যত্র বিক্রি করে দেয় । এরপর থেকে চাচা ওমর ফারুক গা ঢাকা দিয়েছে। সন্দেহের সূত্র ধরে প্রথমে কাউছার ও পরে নজরুল খাঁনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে প্রধান আসামি ও পরিকল্পানাকারী নিহতের সৎ চাচা কোতালিরচরের মৃত জাহাদ আলীর ছেলে ওমর ফারুক এখনও পলাতক রয়েছেন। র্দীঘ ৭ মাস পর শুক্রবার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আসামিদের চিহ্নিত করা স্থান বিলের পানির নিচ থেকে ইকবাল হোসেনের খ-িত কঙ্কাল উদ্ধার করে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ইকবাল হত্যার র্দীঘ ৭ মাস পর আসামিদের চিহ্নিত স্থান থেকে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন মিলে বিলের পানির নিচ থেকে নিহত ইকবালের মাথার খুলি ও হাড় উদ্ধার করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নরসিংদীতে হত্যার ৭ মাস পর মাদ্রাসা ছাত্রের খন্ডিত কঙ্কাল উদ্ধার

আপডেট সময় : ১০:৪১:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ নরসিংদীতে সৎ চাচার পরিকল্পিত হত্যাকান্ডের শিকার ইকবাল (২১) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের পাচঁ টুকরা কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। হত্যার র্দীঘ ৭ মাস পর ২২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় নরসিংদী-মদনগঞ্জ রেললাইনের ৫নং ব্রিজের দক্ষিণ পাশ থেকে এ কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইকবাল হোসেন মাধবদীর কোতালিচর হোসেন বাজারের জাকির হোসেনের ছেলে। সে পৌলানপুর ফাজিল মাদ্রাসায় আলিম ১ম বর্ষের ছাত্র ছিল। লেখাপড়ার খরচ চালানোর জন্য সে ভাড়ায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালাত।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে ইকবাল হোসেন মাধবদীর আলগী মনোহরপুর শাহিন মিয়ার গ্যারেজ থেকে ভাড়ায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিয়ে বের হয়। সেদিন তার মা-বাবাকে রাত ৮টার দিকে বাড়ি ফিরবে বলে মোবাইলে জানায়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ হয়। তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে মাধবদী থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করে । পরে পুলিশ তার মোবাইল কলার লিস্টের সূত্র ধরে দক্ষিণ শিলমান্দীর হিরন মিয়ার ছেলে কাউছার মিয়াকে (২৪) গ্রেফতার করে।

কাউছার স্বীকারোক্তিতে জানিয়েছেন নিহতের সৎ চাচা ওমর ফারুক, নজরুলসহ তারা তিনজন মিলে ইকবালকে হত্যা করে। হত্যার পর তারা নিহতের মরদেহ মদনগঞ্জ ব্রিজের পাশের জমিতে পুতে রাখে। পরে তার ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাটি অন্যত্র বিক্রি করে দেয় । এরপর থেকে চাচা ওমর ফারুক গা ঢাকা দিয়েছে। সন্দেহের সূত্র ধরে প্রথমে কাউছার ও পরে নজরুল খাঁনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে প্রধান আসামি ও পরিকল্পানাকারী নিহতের সৎ চাচা কোতালিরচরের মৃত জাহাদ আলীর ছেলে ওমর ফারুক এখনও পলাতক রয়েছেন। র্দীঘ ৭ মাস পর শুক্রবার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আসামিদের চিহ্নিত করা স্থান বিলের পানির নিচ থেকে ইকবাল হোসেনের খ-িত কঙ্কাল উদ্ধার করে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ইকবাল হত্যার র্দীঘ ৭ মাস পর আসামিদের চিহ্নিত স্থান থেকে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন মিলে বিলের পানির নিচ থেকে নিহত ইকবালের মাথার খুলি ও হাড় উদ্ধার করেছে।