ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিখোঁজ ডিআইআইটি শিক্ষার্থী মাসরুর, ‘ডিবি পরিচয়ে’ তুলে নেওয়ার অভিযোগ

  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪
  • / 157
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রায় পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন মাসরুর হাসান নামে এক শিক্ষার্থী। তাকে গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ডেমরার বড়ভাঙ্গায় এলাকা থেকে ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

নিখোঁজ মাসরুর হাসান ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটির (ডিআইআইটি) অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। তার বাবার নাম আবুল হাসেম।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে নিখোঁজের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত বৃহস্পতিবার ডেমরা বড়ভাঙ্গায় ফজর নামাজের পর এক নিকটাত্মীয়ের বাসার নিচ থেকে অজ্ঞাত কিছু ব্যক্তি ‘ডিবি পরিচয়ে’ কালো কাপড়ে তাকে চোখ বেধে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার চারদিন পরও তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি। আশপাশের সকল থানায় যোগাযোগ করেও তার ব্যাপারে কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মাসরুর হাসান ডেমরায় তার নিকটাত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। ঘটনার দিন ফজরের নামাজ পড়ে বাসা থেকে বের হয় মাসরুর হাসান। পরে বাসার নিচে গেলে ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এরপর ডেমরা থানা-পুলিশের কিছু সদস্য তার আত্মীয়ের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে এবং মাসরুর হাসানকে কেন তারা আশ্রয় দিয়েছে এই অভিযোগে তার মামা ও মামার দুই কিশোর সন্তান ও তার ভাতিজাকে মারধর করে ডেমরা থানায় নিয়ে যায়। এসময় পুলিশ জানায়, মাসরুরকে তারা পায়নি। যদি তাকে তাদের হাজির না করা হয় তাহলে নাকি সবার লাশ বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে মাসরুরের মামা ও তার সন্তানদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাসরুর হাসানের বড় ভাই মো. মুয়াজ জানান, বাসার নিচে ফজর নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু ভাইকে চারদিন যাবৎ আদালতে হাজির করা হয়নি। আশপাশের সকল থানায় যোগাযোগ করেও তার ব্যাপারে কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, আমরা ধারণ করছি তাকে সম্ভবত ডিবি কিংবা র‍্যাব তুলে নিয়ে যেতে পারে, তবে আমরা পুরোপুরি বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারছিনা। এ অবস্থায় আমরা তার জীবন নিয়ে শঙ্কিত, পরিবারের পক্ষ থেকে মাসরুরের সন্ধান চাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিখোঁজ ডিআইআইটি শিক্ষার্থী মাসরুর, ‘ডিবি পরিচয়ে’ তুলে নেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৩১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪

প্রায় পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন মাসরুর হাসান নামে এক শিক্ষার্থী। তাকে গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ডেমরার বড়ভাঙ্গায় এলাকা থেকে ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

নিখোঁজ মাসরুর হাসান ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটির (ডিআইআইটি) অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। তার বাবার নাম আবুল হাসেম।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে নিখোঁজের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত বৃহস্পতিবার ডেমরা বড়ভাঙ্গায় ফজর নামাজের পর এক নিকটাত্মীয়ের বাসার নিচ থেকে অজ্ঞাত কিছু ব্যক্তি ‘ডিবি পরিচয়ে’ কালো কাপড়ে তাকে চোখ বেধে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার চারদিন পরও তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি। আশপাশের সকল থানায় যোগাযোগ করেও তার ব্যাপারে কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মাসরুর হাসান ডেমরায় তার নিকটাত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। ঘটনার দিন ফজরের নামাজ পড়ে বাসা থেকে বের হয় মাসরুর হাসান। পরে বাসার নিচে গেলে ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এরপর ডেমরা থানা-পুলিশের কিছু সদস্য তার আত্মীয়ের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে এবং মাসরুর হাসানকে কেন তারা আশ্রয় দিয়েছে এই অভিযোগে তার মামা ও মামার দুই কিশোর সন্তান ও তার ভাতিজাকে মারধর করে ডেমরা থানায় নিয়ে যায়। এসময় পুলিশ জানায়, মাসরুরকে তারা পায়নি। যদি তাকে তাদের হাজির না করা হয় তাহলে নাকি সবার লাশ বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে মাসরুরের মামা ও তার সন্তানদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাসরুর হাসানের বড় ভাই মো. মুয়াজ জানান, বাসার নিচে ফজর নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু ভাইকে চারদিন যাবৎ আদালতে হাজির করা হয়নি। আশপাশের সকল থানায় যোগাযোগ করেও তার ব্যাপারে কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, আমরা ধারণ করছি তাকে সম্ভবত ডিবি কিংবা র‍্যাব তুলে নিয়ে যেতে পারে, তবে আমরা পুরোপুরি বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারছিনা। এ অবস্থায় আমরা তার জীবন নিয়ে শঙ্কিত, পরিবারের পক্ষ থেকে মাসরুরের সন্ধান চাচ্ছি।