ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এল নিনোর প্রভাবে সংকটে পড়া দেশগুলোকে সহায়তায় প্রস্তুত আইএমএফ নোবেল শান্তি পুরস্কার নিজেরই প্রাপ্য: দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইসরাইল ছাড়ছেন ২০ বৃটিশ কূটনীতিক দিল্লিতে বিরোধীদের বড় বিক্ষোভ, সিইসির পদত্যাগ দাবিতে সরব মমতা ইউএস এম্বাসির অ্যাকসেস প্রোগ্রাম শেষ করলেন সমৃদ্ধি হালদার সব সরকারি সেবা মিলবে এক প্ল্যাটফর্মে, নির্দেশ ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে গ্রেপ্তার ৯৪ বছরের আইনজীবী ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শর্ত ও বাস্তবতা ৩৪ লাখ শিশুর হাম-রুবেলা টিকাদানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় সহায়তা রোহিঙ্গা সংকটের বোঝা অনির্দিষ্টকাল বহন সম্ভব নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নোবেল শান্তি পুরস্কার নিজেরই প্রাপ্য: দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 1
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রশমন কিংবা ইউক্রেন সংকট সমাধানে এখন পর্যন্ত আশানুরূপ কোনো অগ্রগতি অর্জিত হয়নি। তবুও ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ের দাবি জোরালো করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (৭ অক্টোবর) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিজের এই চাওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। আগামী শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি যখন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে, তার ঠিক আগে আগে ট্রাম্পের এই মন্তব্য বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ট্রাম্পের কথায়, নোবেল কমিটির ‘আমার মতো মানুষকে’ পুরস্কার না দেওয়ার এক ধরনের পরিচিতি বা সুনাম আছে। একই সঙ্গে গতবারের প্রাপকের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি ভেনেজুয়েলায় নিজের লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন চেয়েছিলেন। কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের নেতারা তাকে মনোনয়ন দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে এসব মনোনয়নের সত্যতা যাচাই করার কোনো উপায় নেই।

হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয়বারের মতো দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে দাবি করে আসছেন যে, নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার মতো কাজ তিনি করেছেন। ওভাল অফিসে আলাপকালে ট্রাম্প উপস্থিত সাংবাদিকদের সরাসরি বলেন, এখন সেই সময় এসেছে। যদিও নোবেল কমিটি শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেবে, সে বিষয়ে তিনি অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেন। তার দাবি, দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্বের অন্তত আটটি সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে তিনি সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছেন, যার ফলে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি তার পাওয়া উচিত।

ট্রাম্পের এই দাবির বিপরীতে নানা মহলে প্রশ্নও উঠেছে। তিনি যেসব সংঘাত সমাধানের দাবি তুলেছেন, সেগুলোর কয়েকটির ক্ষেত্রে তার কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে আপত্তি ও সমালোচনা উঠে এসেছে। এদিকে, ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের দৌড়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদকের নাম শোনা যাচ্ছে।

এর আগে, ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া করিনা মাচাদো গত জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি প্রদান করেছিলেন। রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, সেই ঘটনার রেশ ধরে এবং নিজের বর্তমান কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতেই ট্রাম্প এখন এই পুরস্কারের জন্য নিজেকে যোগ্য বলে বিবেচনা করছেন। তবে চূড়ান্ত বিজয়ীর নাম জানার জন্য এখন শুক্রবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বিশ্ববাসীকে। সেই ব্যক্তি পরোক্ষভাবে বলেছিলেন, ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চেয়ে এই পুরস্কারের বেশি যোগ্য আর কেউ নেই। এতে নিজেকে অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করেছিলেন ট্রাম্প।

নিউজটি শেয়ার করুন

নোবেল শান্তি পুরস্কার নিজেরই প্রাপ্য: দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০১:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রশমন কিংবা ইউক্রেন সংকট সমাধানে এখন পর্যন্ত আশানুরূপ কোনো অগ্রগতি অর্জিত হয়নি। তবুও ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ের দাবি জোরালো করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (৭ অক্টোবর) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিজের এই চাওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। আগামী শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি যখন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে, তার ঠিক আগে আগে ট্রাম্পের এই মন্তব্য বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ট্রাম্পের কথায়, নোবেল কমিটির ‘আমার মতো মানুষকে’ পুরস্কার না দেওয়ার এক ধরনের পরিচিতি বা সুনাম আছে। একই সঙ্গে গতবারের প্রাপকের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি ভেনেজুয়েলায় নিজের লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন চেয়েছিলেন। কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের নেতারা তাকে মনোনয়ন দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে এসব মনোনয়নের সত্যতা যাচাই করার কোনো উপায় নেই।

হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয়বারের মতো দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে দাবি করে আসছেন যে, নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার মতো কাজ তিনি করেছেন। ওভাল অফিসে আলাপকালে ট্রাম্প উপস্থিত সাংবাদিকদের সরাসরি বলেন, এখন সেই সময় এসেছে। যদিও নোবেল কমিটি শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেবে, সে বিষয়ে তিনি অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেন। তার দাবি, দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্বের অন্তত আটটি সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে তিনি সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছেন, যার ফলে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি তার পাওয়া উচিত।

ট্রাম্পের এই দাবির বিপরীতে নানা মহলে প্রশ্নও উঠেছে। তিনি যেসব সংঘাত সমাধানের দাবি তুলেছেন, সেগুলোর কয়েকটির ক্ষেত্রে তার কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে আপত্তি ও সমালোচনা উঠে এসেছে। এদিকে, ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের দৌড়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদকের নাম শোনা যাচ্ছে।

এর আগে, ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া করিনা মাচাদো গত জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি প্রদান করেছিলেন। রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, সেই ঘটনার রেশ ধরে এবং নিজের বর্তমান কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতেই ট্রাম্প এখন এই পুরস্কারের জন্য নিজেকে যোগ্য বলে বিবেচনা করছেন। তবে চূড়ান্ত বিজয়ীর নাম জানার জন্য এখন শুক্রবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বিশ্ববাসীকে। সেই ব্যক্তি পরোক্ষভাবে বলেছিলেন, ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চেয়ে এই পুরস্কারের বেশি যোগ্য আর কেউ নেই। এতে নিজেকে অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করেছিলেন ট্রাম্প।