প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফর অত্যন্ত সফল: ডা. লকিয়ত উল্লাহ
- আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
- / 203
বিডিসংবাদ ডেস্কঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেছেন সফরসঙ্গী ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সদস্য এবং বায়োফার্মা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. লকিয়ত উল্লাহ।

তিনি বলেন, এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও মানবসম্পদ সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
গত ১২ আগস্ট মালয়েশিয়া সরকারের আমন্ত্রণে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যান প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। তার সঙ্গে ছিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, বায়োফার্মা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. লকিয়ত উল্লাহ এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা।
সফরের সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। আলোচনায় বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ, শিল্প ও যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা এবং শ্রমবাজারকে আরও সহজ করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

ডা. লকিয়ত উল্লাহ বলেন, মালয়েশিয়ায় কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভিসা জটিলতা ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিয়েও কথা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় মালয়েশিয়া সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। এতে প্রবাসীরা সরাসরি উপকৃত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. আনোয়ার ইব্রাহিমের রাজকীয় অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তার মধ্য দিয়ে দুই নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্কের উষ্ণতা স্পষ্ট হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ড. ইউনূসের মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতা এ সফরে ঘনিষ্ঠভাবে উপলব্ধি করা গেছে।

এ সফরে প্রধান উপদেষ্টাকে সামাজিক ব্যবসায় যুগান্তকারী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া (UKM) সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে।
ডা. লকিয়ত উল্লাহ জানান, এ সফরে বায়োফার্মা লিমিটেডের অংশগ্রহণ ছিল অত্যন্ত গৌরবের। তিনি বলেন, “বায়োফার্মা এখন দেশের চাহিদা পূরণ করে প্রায় ১০০টিরও বেশি দেশে ওষুধ রফতানি করছে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে আমাদের অবদান বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।”
তিনি বিশ্বাস করেন, এ সফরের ইতিবাচক প্রভাব আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং দেশীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করবে।



























