ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রী -: প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেবে সরকার শামা ওবায়েদ: মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড ‘আমাদের জন্য শিক্ষা’ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: বিস্তারিত তথ্যের জন্য চিঠি কনস্যুলেটের ঢাকা ও চট্টগ্রামে ৩ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ মুচলেকা দিয়ে দিল্লির আদালত থেকে মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপকে ঢাবিতে ১০৭ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী পেলেন সাদা ছড়ি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে সরকার: প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিদর্শনে আনসার মহাপরিচালক নিরাপত্তাজনিত কারণে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান কোডশেয়ার চুক্তিতে যুক্ত হচ্ছে থাই ও লট পোলিশ এয়ারওয়েজ

পার্বত্য চুক্তির ২দশক পুর্তিতে গুইমারায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা

  • আপডেট সময় : ০১:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৭
  • / 180
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পার্বত্য চুক্তির ২দশক পুর্তি  উপলক্ষে গুইমারা জেনা রিজিয়নের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে গুইমারা স্কুল মাঠ থেকে পার্বত্য চুক্তির ২০ বছর পুর্তি উদযাপন উপলক্ষে নানা সম্প্রদায়ের অংশ গ্রহণে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রিজিয়নে মাঠে আলোচনা সভা করে।

গুইমারা রিজিয়র কামান্ডার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ কামরুজ্জামান পিএসসিজি’র নেতৃত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।

সকালে বর্ণাঢ্য র‌্যালী শেষে রিজিয়ন মাঠে শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা ও বেলুন উঠিয়ে পার্বত্য চুক্তির ২০ বছর পুর্তির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উৎসব মুখোর পরিবেশে বর্ণাঢ্য র‌্যালীতে বর্ণিল পোশাকে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ অংশ নেয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, ১৯৯৭ সালে ২রা ডিসেম্বর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পার্বত্য চুক্তি হয়েছিল বলেই বর্তমানে পাহাড়ে শান্তির সুবাতাস বইছে। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে। পার্বত্য চুক্তির ফলে পাহাড়ে ধারাবাহিক উন্নয়ন হচ্ছে বলে তিনি জানান। সেই সাথে বন্ধ হয়েছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সংঘাত। আর এই শান্তি বজায় রাখতে সকলের অংশ গ্রহণ ও আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহবান জানান তিনি।

গুইমারা রিজিয়র কামান্ডার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ কামরুজ্জামান পিএসসিজি তার বক্তব্যে বলেন, পার্বত্য চুক্তির ফলে পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তিপুর্ণ সহাবস্থান সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ে উন্নয়ন ও শান্তির সুবাতাশ বইছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,মাটিরাঙ্গা জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল কাজী শমশের উদ্দিন, রামগড় বিজিবি জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল এম জাহিদুল রশিদ,গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়–য়া,উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা,গুইমারা ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমা, গুইমারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমসহ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দরা এতে অংশ নেন।

প্রসঙ্গত: ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর তৎকালীন শান্তি বাহিনী নামক উপজাতীয় গেরিলা সংগঠন পার্বত্য জনসংহতি সমিতি  (জেএসএস)র এর সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধি প্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমার সাথে পার্বত্য চুক্তি সম্পাদিত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পার্বত্য চুক্তির ২দশক পুর্তিতে গুইমারায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা

আপডেট সময় : ০১:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৭

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পার্বত্য চুক্তির ২দশক পুর্তি  উপলক্ষে গুইমারা জেনা রিজিয়নের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে গুইমারা স্কুল মাঠ থেকে পার্বত্য চুক্তির ২০ বছর পুর্তি উদযাপন উপলক্ষে নানা সম্প্রদায়ের অংশ গ্রহণে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রিজিয়নে মাঠে আলোচনা সভা করে।

গুইমারা রিজিয়র কামান্ডার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ কামরুজ্জামান পিএসসিজি’র নেতৃত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।

সকালে বর্ণাঢ্য র‌্যালী শেষে রিজিয়ন মাঠে শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা ও বেলুন উঠিয়ে পার্বত্য চুক্তির ২০ বছর পুর্তির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উৎসব মুখোর পরিবেশে বর্ণাঢ্য র‌্যালীতে বর্ণিল পোশাকে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ অংশ নেয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, ১৯৯৭ সালে ২রা ডিসেম্বর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পার্বত্য চুক্তি হয়েছিল বলেই বর্তমানে পাহাড়ে শান্তির সুবাতাস বইছে। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে। পার্বত্য চুক্তির ফলে পাহাড়ে ধারাবাহিক উন্নয়ন হচ্ছে বলে তিনি জানান। সেই সাথে বন্ধ হয়েছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সংঘাত। আর এই শান্তি বজায় রাখতে সকলের অংশ গ্রহণ ও আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহবান জানান তিনি।

গুইমারা রিজিয়র কামান্ডার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ কামরুজ্জামান পিএসসিজি তার বক্তব্যে বলেন, পার্বত্য চুক্তির ফলে পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তিপুর্ণ সহাবস্থান সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ে উন্নয়ন ও শান্তির সুবাতাশ বইছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,মাটিরাঙ্গা জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল কাজী শমশের উদ্দিন, রামগড় বিজিবি জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল এম জাহিদুল রশিদ,গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়–য়া,উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা,গুইমারা ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমা, গুইমারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমসহ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দরা এতে অংশ নেন।

প্রসঙ্গত: ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর তৎকালীন শান্তি বাহিনী নামক উপজাতীয় গেরিলা সংগঠন পার্বত্য জনসংহতি সমিতি  (জেএসএস)র এর সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধি প্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমার সাথে পার্বত্য চুক্তি সম্পাদিত হয়।