ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রযুক্তিনির্ভর মাছ চাষ ছড়িয়ে দিতে ‘অ্যাকুয়াকালচার সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ চালু

  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • / 32
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশের মৎস্য খাতের টেকসই উন্নয়নে সহযোগিতা দিবে নেদারল্যান্ডস সরকার। দেশটি বাংলাদেশে প্রযুক্তিনির্ভর, পরিবেশবান্ধব ও বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর জলজ চাষ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে আগ্রহী।

’ফুড টেক বাংলাদেশ’ কর্মসূচির আওতায় ময়মনসিংহের তারাকান্দায় আজ মঙ্গলবার অ্যাকুয়াকালচার সেন্টার অব এক্সেলেন্স (সিও্ই- CoE) এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক। অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. লতিফুল ইসলাম, ময়মনসিংহ বিভাগের মৎস্য অধিদফতরের পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস এবং ফিশটেক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউল করিম ভূঁইয়া।

সভাপতিত্ব করেন ফিশটেক বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান খন্দকার ফরহাদ হোসেন। উদ্বোধনী পর্বে বাংলাদেশ মৎস্য অধিদফতরের পরিচালক (এডমিন) এসএম রেজাউল করিম, সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, দাতা সংস্থা, গবেষণা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাছচাষিসহ মোট ২০০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল বলেন, বাংলাদেশে ডাচ ডায়মন্ড কর্মপন্থা প্রয়োগের একটি চমৎকার উদাহরণ হলো ’ফুড টেক বাংলাদেশ।’ এই সেন্টার অব এক্সেলেন্স প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে কৃষকেরা ব্যাপকভাবে ’প্রযুক্তিগত চাষাবাদ পদ্ধতি’ সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং প্রয়োগ করতে পারবেন। এর ফলে উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিনিয়োগের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। এজন্য এই খাতে আমরা গত কয়েক বছর ধরে সহযোগিতা দিয়ে আসছি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক বলেন, স্বল্প ভূমি ব্যবহার করেও উচ্চ উৎপাদনশীলতা অর্জন করা সম্ভব। নেদারল্যান্ডস সরকার এই ক্ষেত্রে একটা বড় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

তিনি সরকারি সহায়তা ও উপযুক্ত প্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের মৎস্য খাতকে আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই সেন্টার অব এক্সেলেন্স একটি ব্যবহারিক শিক্ষা ও গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। একই সঙ্গে মাছ চাষের আধুনিক প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ ও মৎস্য খাতের বাজার সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

’ফুড টেক বাংলাদেশ’ এর সামগ্রিক কার্যক্রমের আওতায় ইতোমধ্যে ৬০টিরও বেশি পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং ৮০০ জনের বেশি কৃষককে অনলাইনে ও প্রায় ৬০০ জন কৃষককে সরাসরি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

’ফুড টেক বাংলাদেশ’ ২০২২ সালে একটি পাঁচ বছর মেয়াদি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি হিসেবে যাত্রা শুরু করে। কর্মসূচিটি বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডস রাজ্যের দূতাবাসের সহ-অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে এবং বাস্তবায়ন করছে আন্তর্জাতিক কনসালট্যান্ট প্রতিষ্টান লারিভ ইন্টারন্যাশনাল ও লাইটক্যাসল পার্টনার্স। এতে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন বেসরকারি খাতের অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে জেমিনি সি ফুড, ফিশটেক, ভিকন , ও ডি হিউজ । এসব প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তির ব্যবহার, কৃষকদের প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল খামার ব্যবস্থাপনা এবং শক্তিশালী বাজার সংযোগ তৈরির মাধ্যমে জলজ চাষের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে লারিভ ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজার রোহিয়ার বেকার, ফিশটেক বাংলাদেশ লিমিটেডের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার ইমরান হোসেন এবং একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী ম্যানেজার আরিফুল ইসলাম এসব বিষয়ক উপস্থাপনা প্রদান করেন।

কর্মসূচির আওতায় এই নিয়ে দেশে মোট চারটি সেন্টার অব এক্সেলেন্স (CoE) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দেশের খুলনা, ময়মনসিংহ, কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে এই সেন্টারগুলি স্থাপন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত: বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ জলজ চাষ উৎপাদনকারী দেশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে প্রায় ৫০.২ লাখ টন মাছ উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ জলজ চাষের অবদান ছিল মোট উৎপাদনের ৫৯.৩৪ শতাংশ। তবে মাছ ও মৎস্যজাত পণ্য রফতানি থেকে জাতীয় রফতানি আয়ের অবদান মাত্র প্রায় ১ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান একদিকে যেমন খাতটির বিশাল সম্ভাবনাকে তুলে ধরে, অন্যদিকে খামার পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশগম্যতার দিকটিও বিশেষভাবে নির্দেশ করে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

প্রযুক্তিনির্ভর মাছ চাষ ছড়িয়ে দিতে ‘অ্যাকুয়াকালচার সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ চালু

আপডেট সময় : ০৭:৫২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশের মৎস্য খাতের টেকসই উন্নয়নে সহযোগিতা দিবে নেদারল্যান্ডস সরকার। দেশটি বাংলাদেশে প্রযুক্তিনির্ভর, পরিবেশবান্ধব ও বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর জলজ চাষ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে আগ্রহী।

’ফুড টেক বাংলাদেশ’ কর্মসূচির আওতায় ময়মনসিংহের তারাকান্দায় আজ মঙ্গলবার অ্যাকুয়াকালচার সেন্টার অব এক্সেলেন্স (সিও্ই- CoE) এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক। অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. লতিফুল ইসলাম, ময়মনসিংহ বিভাগের মৎস্য অধিদফতরের পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস এবং ফিশটেক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউল করিম ভূঁইয়া।

সভাপতিত্ব করেন ফিশটেক বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান খন্দকার ফরহাদ হোসেন। উদ্বোধনী পর্বে বাংলাদেশ মৎস্য অধিদফতরের পরিচালক (এডমিন) এসএম রেজাউল করিম, সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, দাতা সংস্থা, গবেষণা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাছচাষিসহ মোট ২০০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল বলেন, বাংলাদেশে ডাচ ডায়মন্ড কর্মপন্থা প্রয়োগের একটি চমৎকার উদাহরণ হলো ’ফুড টেক বাংলাদেশ।’ এই সেন্টার অব এক্সেলেন্স প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে কৃষকেরা ব্যাপকভাবে ’প্রযুক্তিগত চাষাবাদ পদ্ধতি’ সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং প্রয়োগ করতে পারবেন। এর ফলে উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিনিয়োগের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। এজন্য এই খাতে আমরা গত কয়েক বছর ধরে সহযোগিতা দিয়ে আসছি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক বলেন, স্বল্প ভূমি ব্যবহার করেও উচ্চ উৎপাদনশীলতা অর্জন করা সম্ভব। নেদারল্যান্ডস সরকার এই ক্ষেত্রে একটা বড় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

তিনি সরকারি সহায়তা ও উপযুক্ত প্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের মৎস্য খাতকে আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই সেন্টার অব এক্সেলেন্স একটি ব্যবহারিক শিক্ষা ও গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। একই সঙ্গে মাছ চাষের আধুনিক প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ ও মৎস্য খাতের বাজার সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

’ফুড টেক বাংলাদেশ’ এর সামগ্রিক কার্যক্রমের আওতায় ইতোমধ্যে ৬০টিরও বেশি পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং ৮০০ জনের বেশি কৃষককে অনলাইনে ও প্রায় ৬০০ জন কৃষককে সরাসরি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

’ফুড টেক বাংলাদেশ’ ২০২২ সালে একটি পাঁচ বছর মেয়াদি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি হিসেবে যাত্রা শুরু করে। কর্মসূচিটি বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডস রাজ্যের দূতাবাসের সহ-অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে এবং বাস্তবায়ন করছে আন্তর্জাতিক কনসালট্যান্ট প্রতিষ্টান লারিভ ইন্টারন্যাশনাল ও লাইটক্যাসল পার্টনার্স। এতে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন বেসরকারি খাতের অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে জেমিনি সি ফুড, ফিশটেক, ভিকন , ও ডি হিউজ । এসব প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তির ব্যবহার, কৃষকদের প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল খামার ব্যবস্থাপনা এবং শক্তিশালী বাজার সংযোগ তৈরির মাধ্যমে জলজ চাষের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে লারিভ ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজার রোহিয়ার বেকার, ফিশটেক বাংলাদেশ লিমিটেডের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার ইমরান হোসেন এবং একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী ম্যানেজার আরিফুল ইসলাম এসব বিষয়ক উপস্থাপনা প্রদান করেন।

কর্মসূচির আওতায় এই নিয়ে দেশে মোট চারটি সেন্টার অব এক্সেলেন্স (CoE) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দেশের খুলনা, ময়মনসিংহ, কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে এই সেন্টারগুলি স্থাপন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত: বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ জলজ চাষ উৎপাদনকারী দেশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে প্রায় ৫০.২ লাখ টন মাছ উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ জলজ চাষের অবদান ছিল মোট উৎপাদনের ৫৯.৩৪ শতাংশ। তবে মাছ ও মৎস্যজাত পণ্য রফতানি থেকে জাতীয় রফতানি আয়ের অবদান মাত্র প্রায় ১ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান একদিকে যেমন খাতটির বিশাল সম্ভাবনাকে তুলে ধরে, অন্যদিকে খামার পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশগম্যতার দিকটিও বিশেষভাবে নির্দেশ করে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস