ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ফরিদপুরে অবৈধ ওষুধ তৈরির দায়ে এনসিপি নেতা কারাবন্দি

  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 18
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লাবাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। এই অভিযানে কারখানার মালিক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এই দণ্ডাদেশ প্রদানের পর তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি জানান, ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই কারখানাটি চালিয়ে আসছিলেন শাহেদ। এখানে শিশুদের ব্যবহারের বেবি জেল, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক এবং আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি ও বাজারজাত করা হতো।

এদিকে দলীয় নেতার শাস্তির বিষয়ে ফরিদপুর জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সাইফ হাসান খান জানান, অন্যায়ের সঙ্গে দল কখনোই আপস করে না। তিনি আরও বলেন, দলের কেউ অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুরো বিষয়টি ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটিকে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদপুরে অবৈধ ওষুধ তৈরির দায়ে এনসিপি নেতা কারাবন্দি

আপডেট সময় : ১০:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লাবাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। এই অভিযানে কারখানার মালিক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এই দণ্ডাদেশ প্রদানের পর তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি জানান, ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই কারখানাটি চালিয়ে আসছিলেন শাহেদ। এখানে শিশুদের ব্যবহারের বেবি জেল, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক এবং আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি ও বাজারজাত করা হতো।

এদিকে দলীয় নেতার শাস্তির বিষয়ে ফরিদপুর জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সাইফ হাসান খান জানান, অন্যায়ের সঙ্গে দল কখনোই আপস করে না। তিনি আরও বলেন, দলের কেউ অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুরো বিষয়টি ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটিকে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।