বরিশাল-ঢাকা রুটে দৈনিক ফ্লাইটসহ যশোর-চট্টগ্রাম রুট চালুর দাবি
- আপডেট সময় : ০১:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 19
বরিশাল-ঢাকা আকাশপথে সপ্তাহের সাত দিনই নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনার জোরালো দাবি জানিয়েছে বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটি। একই সাথে যশোর-বরিশাল-চট্টগ্রাম রুটে পুনরায় বিমান চলাচল শুরুর জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনের নেতারা। এসময় জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন এবং তা গুরুত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন। স্মারকলিপি দেওয়ার সময় সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান রাজন, সাধারণ সম্পাদক ডা. মিজানুর রহমান, সহসভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক নাছিম উল আলমসহ কমিটির অন্যান্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭৯ সালে বরিশাল বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়, যা দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর ১৯৯৯ সালে বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। পরবর্তীতে জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে সেখানে ফ্লাইট পরিচালনা করা হতো। ২০২১ সালের ২৬ মার্চ নতুন উড়োজাহাজ ব্যবহারের মাধ্যমে এই রুটে নিয়মিত ফ্লাইট শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে ফ্লাইটের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে ঢাকা-বরিশাল-ঢাকা রুটে সপ্তাহে মাত্র তিনটি ফ্লাইট (বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও রোববার) চালু আছে। এছাড়া আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে ফ্লাইটের সংখ্যা আরও কমিয়ে মাত্র দুটি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান রাজন জানান, বরিশাল বিভাগের মানুষের যাতায়াত সহজ করতে নিয়মিত আকাশপথের যোগাযোগ অপরিহার্য। এই রুটে দৈনিক ফ্লাইট নিশ্চিত করা হলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ঢাকা যাতায়াতসহ ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও পর্যটন খাতে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এছাড়া প্রশাসনিক কাজের গতিও বৃদ্ধি পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
সংগঠনটি যশোর-বরিশাল-চট্টগ্রাম রুট পুনরায় চালুর গুরুত্ব তুলে ধরে জানায়, বর্তমানে বরিশাল থেকে সড়কপথে চট্টগ্রামে যাতায়াত করতে ২০ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় ব্যয় হয়। এই রুটটি পুনরায় চালু হলে তিনটি বিভাগের মধ্যে সরাসরি আকাশ যোগাযোগ স্থাপিত হবে, যা যাত্রী সাধারণের সময় ও অর্থ সাশ্রয় করবে। এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার্থে যশোর ও বেনাপোল রুটের সঙ্গে সরাসরি আকাশ যোগাযোগ সহজ করার দাবিও জানানো হয়েছে স্মারকলিপিতে।
























