ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাবে সরকার, জানালেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সেন্টমার্টিনের পথে কক্সবাজার থেকে যাত্রা করল পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ

বর্ষবণের উৎসবে মেতেছে রাবি শিক্ষার্থীরা

  • আপডেট সময় : ১২:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭
  • / 444
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাবি প্রতিনিধি:নানা আয়োজন-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বাংলা নববর্ষ ১৪২৪ বরণ করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর সায়েন উদ্দিন আহমেদ বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢাকে বাড়ি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত বর্ষবরণ উদ্বোধন করেন।

কোষাধ্যক্ষ তাঁর বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। নতুন বছরটি সকলের জন্য শুভ ও কল্যাণময় হোক, বয়ে আনুক সাফল্য ও সমৃদ্ধি এই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. ফয়জার রহমান ও রেজিস্ট্রার প্রফেসর মুহাম্মদ এন্তাজুল হক শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন। এর আগে কোষাধ্যক্ষ সেখানে জাতীয় পতাকা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন করেন।

ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর মো. মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত ও নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে সঙ্গীত পরিবেশন এবং পায়রা ও স্মারক ফেস্টুন ওড়ানো হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে প্রক্টর প্রফেসর মো. মজিবুল হক আজাদ খান, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক মো. মশিহুর রহমান, শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টিএমএম নূরুল মোদ্দাসের চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এরপর সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র চত্বরে এসে শেষ হয়। কোষাধ্যক্ষের নেতৃত্বে এই শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নিজ নিজ কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদ্যাপন করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বর্ষবণের উৎসবে মেতেছে রাবি শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ১২:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭

রাবি প্রতিনিধি:নানা আয়োজন-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বাংলা নববর্ষ ১৪২৪ বরণ করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর সায়েন উদ্দিন আহমেদ বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢাকে বাড়ি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত বর্ষবরণ উদ্বোধন করেন।

কোষাধ্যক্ষ তাঁর বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। নতুন বছরটি সকলের জন্য শুভ ও কল্যাণময় হোক, বয়ে আনুক সাফল্য ও সমৃদ্ধি এই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. ফয়জার রহমান ও রেজিস্ট্রার প্রফেসর মুহাম্মদ এন্তাজুল হক শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন। এর আগে কোষাধ্যক্ষ সেখানে জাতীয় পতাকা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন করেন।

ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর মো. মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত ও নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে সঙ্গীত পরিবেশন এবং পায়রা ও স্মারক ফেস্টুন ওড়ানো হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে প্রক্টর প্রফেসর মো. মজিবুল হক আজাদ খান, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক মো. মশিহুর রহমান, শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টিএমএম নূরুল মোদ্দাসের চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এরপর সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র চত্বরে এসে শেষ হয়। কোষাধ্যক্ষের নেতৃত্বে এই শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নিজ নিজ কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদ্যাপন করে।