ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাবে সরকার, জানালেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সেন্টমার্টিনের পথে কক্সবাজার থেকে যাত্রা করল পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ

বাংলাদেশে নির্বাচনকালে সুশীল সমাজের আরো স্পেস প্রয়োজন : ব্যাচেলেট

  • আপডেট সময় : ১০:৫০:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২
  • / 221
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশে নির্বাচনের সময় সুশীল সমাজের জন্য আরো ‘স্পেস’ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন সফররত জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট।

তিনি বলেছেন, ‘রাজনৈতিক দল, সংগঠন, মানবাধিকারকর্মী, বিরোধী দল, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের কর্মীদের সভা সমাবেশের সুযোগ দেয়া প্রয়োজন।’

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সামাজিক বিশৃঙ্খলা দূর করতে রাজনৈতিক দল এবং সুশীল সমাজের মধ্যে আরো সংলাপের ‘স্পেস’ থাকা প্রয়োজন। অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ না করে আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, নারী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, আদিবাসী এবং বিশেষ করে তরুণদের চাওয়া শোনা দরকার।

প্রথমবারের মতো জাতিসঙ্ঘের কোনো মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

ব্যাচেলেট বলেন, ‘আমি আশা করি আমার এই সফর জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার ব্যবস্থার সাথে সরকারের সম্পৃক্ততা গড়ে উঠবে এবং সহযোগিতাকে আরো গভীর করতে সহায়তা করবে।’

সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, আইন ও শিক্ষামন্ত্রী এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি কূটনৈতিক এবং শিক্ষাবিদদের সাথেও বৈঠক করেছেন।

ব্যাচেলেট জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবাধিকার বিষয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

তিনি বলেন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ যা সরকার ব্যবহার করতে হবে। ব্যাচেলেট বলেন, ‘সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে আমার আদান-প্রদান ছিল সমৃদ্ধ এবং অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের পরবর্তী পর্যায়ের লক্ষ্যে গণতান্ত্রিক এবং নাগরিক স্থানের পাশাপাশি কার্যকর, ভারসাম্যপূর্ণ এবং জবাবদিহিতা অপরিহার্য।

জাতিসঙ্ঘের হাইকমিশনার বলেন, এটি টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সুষ্ঠু আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির ঝুঁকি এবং অন্যান্য বাধা কমাতে অবদান রাখে।

সংবাদ সম্মেলনে ব্যাচেলেট সংখ্যালঘু গোষ্ঠী- যেমন হিন্দু ও আদিবাসীদের সহিংসতা বা জমি দখল থেকে রক্ষা করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

গত রোববার চার দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশে নির্বাচনকালে সুশীল সমাজের আরো স্পেস প্রয়োজন : ব্যাচেলেট

আপডেট সময় : ১০:৫০:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশে নির্বাচনের সময় সুশীল সমাজের জন্য আরো ‘স্পেস’ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন সফররত জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট।

তিনি বলেছেন, ‘রাজনৈতিক দল, সংগঠন, মানবাধিকারকর্মী, বিরোধী দল, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের কর্মীদের সভা সমাবেশের সুযোগ দেয়া প্রয়োজন।’

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সামাজিক বিশৃঙ্খলা দূর করতে রাজনৈতিক দল এবং সুশীল সমাজের মধ্যে আরো সংলাপের ‘স্পেস’ থাকা প্রয়োজন। অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ না করে আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, নারী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, আদিবাসী এবং বিশেষ করে তরুণদের চাওয়া শোনা দরকার।

প্রথমবারের মতো জাতিসঙ্ঘের কোনো মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

ব্যাচেলেট বলেন, ‘আমি আশা করি আমার এই সফর জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার ব্যবস্থার সাথে সরকারের সম্পৃক্ততা গড়ে উঠবে এবং সহযোগিতাকে আরো গভীর করতে সহায়তা করবে।’

সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, আইন ও শিক্ষামন্ত্রী এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি কূটনৈতিক এবং শিক্ষাবিদদের সাথেও বৈঠক করেছেন।

ব্যাচেলেট জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবাধিকার বিষয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

তিনি বলেন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ যা সরকার ব্যবহার করতে হবে। ব্যাচেলেট বলেন, ‘সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে আমার আদান-প্রদান ছিল সমৃদ্ধ এবং অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের পরবর্তী পর্যায়ের লক্ষ্যে গণতান্ত্রিক এবং নাগরিক স্থানের পাশাপাশি কার্যকর, ভারসাম্যপূর্ণ এবং জবাবদিহিতা অপরিহার্য।

জাতিসঙ্ঘের হাইকমিশনার বলেন, এটি টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সুষ্ঠু আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির ঝুঁকি এবং অন্যান্য বাধা কমাতে অবদান রাখে।

সংবাদ সম্মেলনে ব্যাচেলেট সংখ্যালঘু গোষ্ঠী- যেমন হিন্দু ও আদিবাসীদের সহিংসতা বা জমি দখল থেকে রক্ষা করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

গত রোববার চার দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস