ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায় : বাণিজ্যমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩
  • / 157
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নতুন অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
সফররত ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ বিজনেস ডেলিগেটদের সাথে বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে গোলটেবিল বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমেরিকার ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিযোগ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। নতুন কিছু কোম্পানি দেশে বিনিযোগ করতে চায়। তারা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সুবিধা ও অসুবিধার কথা বলেছেন। আমরা তাদের বলেছি তারা যদি বাংলাদেশে বিনিযোগ করে তাহলে তাদের সকল সমস্যার সমাধান করতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
এর আগে অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, কোভিড মহামারি ও ইউক্রেন যুদ্ধের পটভূমিতে বৈশ্বিক যে সংকট দেখা দিয়েছে তা সরকার এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। বর্তমান পরিস্থিতিতে যে চ্যালেঞ্জগুলো দেখা দিয়েছে তা মোকাবিলায় সরকার ও বেসরকারী খাত উভয়কে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে তিনি মার্কিন অংশীদারিত্ব বিশেষ করে মার্কিন বেসরকারী খাতকে পাশে থাকার আহবান জানান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদূরপ্রসারী ও যোগ্য নেতৃত্বের কারণে দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করায় বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আগামীর সিংহভাগ বিনিয়োগ বাংলাদেশে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
টিপু মুনশি বলেন, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ লাভ করবে, যার ফলে কিছু উন্নত অর্থনীতির দেশে আমাদের শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার ব্যাহত হবে। কিন্তু জাতি হিসেবে এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। বাংলাদেশ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি এই যাত্রায় মার্কিন সরকার ও মার্কিন বেসরকারী সংস্থাগুলো আমাদের পাশে থাকবে। এছাড়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে তারা আমাদের প্রতি আস্থাশীল হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিচক্ষণ সরকারী নীতি এবং উন্মুক্ত বাজার ব্যবস্থাপনা বিশেষ করে বেসরকারী খাত ও রপ্তানিমুখী উৎপাদন, উচ্চ উৎপাদনশীল কৃষি এবং ক্রমবর্ধমান পরিষেবা খাত আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে পৃথিবীর অনেক দেশের জন্য উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে এবং স্বীকৃতি পেয়েছে।
তিনি বলেন, বিগত কয়েক দশক ধরে প্রায় ৭ শতাংশ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিসের সভাপতি অতুল কেসাব, এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমদ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায় : বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:২৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নতুন অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
সফররত ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ বিজনেস ডেলিগেটদের সাথে বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে গোলটেবিল বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমেরিকার ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিযোগ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। নতুন কিছু কোম্পানি দেশে বিনিযোগ করতে চায়। তারা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সুবিধা ও অসুবিধার কথা বলেছেন। আমরা তাদের বলেছি তারা যদি বাংলাদেশে বিনিযোগ করে তাহলে তাদের সকল সমস্যার সমাধান করতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
এর আগে অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, কোভিড মহামারি ও ইউক্রেন যুদ্ধের পটভূমিতে বৈশ্বিক যে সংকট দেখা দিয়েছে তা সরকার এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। বর্তমান পরিস্থিতিতে যে চ্যালেঞ্জগুলো দেখা দিয়েছে তা মোকাবিলায় সরকার ও বেসরকারী খাত উভয়কে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে তিনি মার্কিন অংশীদারিত্ব বিশেষ করে মার্কিন বেসরকারী খাতকে পাশে থাকার আহবান জানান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদূরপ্রসারী ও যোগ্য নেতৃত্বের কারণে দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করায় বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আগামীর সিংহভাগ বিনিয়োগ বাংলাদেশে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
টিপু মুনশি বলেন, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ লাভ করবে, যার ফলে কিছু উন্নত অর্থনীতির দেশে আমাদের শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার ব্যাহত হবে। কিন্তু জাতি হিসেবে এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। বাংলাদেশ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি এই যাত্রায় মার্কিন সরকার ও মার্কিন বেসরকারী সংস্থাগুলো আমাদের পাশে থাকবে। এছাড়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে তারা আমাদের প্রতি আস্থাশীল হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিচক্ষণ সরকারী নীতি এবং উন্মুক্ত বাজার ব্যবস্থাপনা বিশেষ করে বেসরকারী খাত ও রপ্তানিমুখী উৎপাদন, উচ্চ উৎপাদনশীল কৃষি এবং ক্রমবর্ধমান পরিষেবা খাত আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে পৃথিবীর অনেক দেশের জন্য উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে এবং স্বীকৃতি পেয়েছে।
তিনি বলেন, বিগত কয়েক দশক ধরে প্রায় ৭ শতাংশ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিসের সভাপতি অতুল কেসাব, এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমদ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস