ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রেমিট্যান্স বন্ধের হুমকি চরম দেশবিরোধী: রুহুল কবির রিজভী যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানি সারোয়ার বহিষ্কৃত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিশোরীর মৃত্যু গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে ছাড় দেবে না বাংলাদেশ: নাহিদ শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে ৪ প্রতিষ্ঠানের দৌড় ইউরোপে চীনের বাণিজ্যিক দাপট, ঘাটতি দিনে ১০০ কোটি ইউরো ফরিদপুরে মুরগি নিয়ে বিবাদের জেরে গৃহবধূর মৃত্যু ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন নাভি পিল্লাই রিকশাচালকের ছদ্মবেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা: চিফ হুইপ নাটোরে ট্রেনের টিকিট কাটতে গিয়ে প্রতারণার শিকার জার্মান পর্যটক

যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানি সারোয়ার বহিষ্কৃত

  • আপডেট সময় : ০৬:৫০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সানি সারোয়ারকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলের উপ-দপ্তর সম্পাদক নাইম হোসেন শান্ত স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নাদিম হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মুনতাজুল ইসলামের নির্দেশে নেওয়া এই পদক্ষেপে বলা হয়েছে, সানি সারোয়ারের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও নীতিবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে তাকে সংগঠনের সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ‘সেই আলোচিত ভবনটি এখন একজন প্রতিমন্ত্রীর কব্জায়’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। মতিঝিলের বাংলার বাণী ভবন ঘিরে ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে বেশ কয়েকবার দখলের মহড়া চলে। ওই প্রতিবেদনে সানি সারোয়ারের নাম উঠে আসে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ৫ই আগস্টের পর বিক্ষুব্ধ জনতা ভবনটিতে হামলা চালিয়েছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে ভবনটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা হয়। সর্বশেষ গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা ভবনটির বেশিরভাগ অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন। এর পেছনে দলটির সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের সংশ্লিষ্টতার কথা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে ভবনটির প্রায় পুরোটাই দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে একটি বেসরকারি ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালিত অংশ তারা দখলে নিতে ব্যর্থ হয়। ভবনটির দুটি ফ্লোর নুরুল হক নুরের নির্দেশেই তালা মেরে রাখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উঠে আসে। এছাড়া ভবনটির পেছনের অংশে একটি রেস্টুরেন্টও খোলা হয়েছে, যার মালিকানায় গণঅধিকার পরিষদের পরিচয়ধারী ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। স্থানীয়দের বরাতে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, নুরুল হক নুরের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে সারোয়ার হোসেন সানী পুরো ভবনটি নিয়ন্ত্রণ করেন। তবে গণঅধিকার পরিষদের ব্যানারে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি ত্বরিত ব্যবস্থা হিসেবে সানি সারোয়ারকে অব্যাহতি দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের তথ্য ও বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম তার অবস্থানে অটল রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানি সারোয়ার বহিষ্কৃত

আপডেট সময় : ০৬:৫০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সানি সারোয়ারকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলের উপ-দপ্তর সম্পাদক নাইম হোসেন শান্ত স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নাদিম হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মুনতাজুল ইসলামের নির্দেশে নেওয়া এই পদক্ষেপে বলা হয়েছে, সানি সারোয়ারের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও নীতিবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে তাকে সংগঠনের সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ‘সেই আলোচিত ভবনটি এখন একজন প্রতিমন্ত্রীর কব্জায়’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। মতিঝিলের বাংলার বাণী ভবন ঘিরে ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে বেশ কয়েকবার দখলের মহড়া চলে। ওই প্রতিবেদনে সানি সারোয়ারের নাম উঠে আসে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ৫ই আগস্টের পর বিক্ষুব্ধ জনতা ভবনটিতে হামলা চালিয়েছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে ভবনটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা হয়। সর্বশেষ গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা ভবনটির বেশিরভাগ অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন। এর পেছনে দলটির সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের সংশ্লিষ্টতার কথা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে ভবনটির প্রায় পুরোটাই দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে একটি বেসরকারি ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালিত অংশ তারা দখলে নিতে ব্যর্থ হয়। ভবনটির দুটি ফ্লোর নুরুল হক নুরের নির্দেশেই তালা মেরে রাখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উঠে আসে। এছাড়া ভবনটির পেছনের অংশে একটি রেস্টুরেন্টও খোলা হয়েছে, যার মালিকানায় গণঅধিকার পরিষদের পরিচয়ধারী ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। স্থানীয়দের বরাতে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, নুরুল হক নুরের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে সারোয়ার হোসেন সানী পুরো ভবনটি নিয়ন্ত্রণ করেন। তবে গণঅধিকার পরিষদের ব্যানারে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি ত্বরিত ব্যবস্থা হিসেবে সানি সারোয়ারকে অব্যাহতি দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের তথ্য ও বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম তার অবস্থানে অটল রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে।