ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

রাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষকদের দ্বন্দ্বের কারণ সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স!

  • আপডেট সময় : ০২:১২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০১৭
  • / 346
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ভিত্তিতে অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। যৌন হয়রানির অভিযোগসহ দুই পক্ষই নিজেদের ব্যাক্তিগত সমস্যাকে সকলের সামনে তুলে ধরেছে। কাদাছোড়াছুড়ির কারণে শিক্ষক সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নীতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এ সমস্যার সূত্রপাত ‘বিতর্কিত’ সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কেন্দ্র করে বলে দাবী এক পক্ষের। অন্যরা সভাপতির একক সিদ্ধান্ত ও পক্ষপাতমূলক আচরণকে দায়ী করেন। দুই ধারায় বিভক্ত ১৪ জন শিক্ষকদের মধ্যে ১১ জন একদিকে, অন্যদিকে বিভাগ সভাপতিসহ ৩ জন।

জানা যায়, ২০১৪ সাল থেকে শুরু হয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্স চালু হয়। বিভাগের সভাপতি প্রফেসর নাসিমা জামানের দাবী, ‘আমি ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে সবকিছু করতে থাকি। তার ধারাবাহিকতায় সান্ধ্যকালীন কোর্সের অনিয়ম রোধে পরীক্ষার হলে পরিদর্শকের ব্যবস্থা করি, যা আগে ছিল না। তখন পরীক্ষা হলে চলতো ‘নকলের মহা উৎসব’। অন্যশিক্ষকরা চাইতো লিখুক আর নাই লিখুক পাস করিয়ে দিতে হবে। কিন্তু আমি ও রুখসানা পারভীন এই অন্যায় মেনে নিতে পারিনি। তাদের এই ‘সান্ধ্য ব্যবসায়’ সমস্যা হওয়ায় আমার উপর তারা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম থেকেই অসহযোগিতা মূলক আচারণ করতে থাকে। এছাড়া সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে শুধুমাত্র ৪টি বিভাগে পরীক্ষা চলতে সান্ধ্য মাস্টার্সে পরীক্ষা হতো, আমি আসার পর ফ্যাকাল্টি মিটিংয়ে উপস্থাপন করে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একযোগে অনুষদে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এটা নিয়েও আমার বিভাগের শিক্ষকরা ক্ষিপ্ত, কারণ এতে করে শিক্ষার্থী কমে যাবে। এমনকি সবর্শেষ জুলাই মাসে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স পরীক্ষার অন্য শিক্ষকদের উপস্থিতিতে সভাপতির জায়গা থেকে হলে গিয়ে একাধিক ব্যাক্তির নকল ধরি। অথচ সেখানে শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন, তাদের সামনে এই নকলগুলো হচ্ছিল। শুধু আমি না রুখসানাও একইভাবে নকল ধরে। যার কারণে আমার ও রুখসানার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়। এছাড়া রুখসানার গবেষণার সুপারভাইজার পরিবর্তন নিয়ে মিটিংয়ে শিক্ষকরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। পরবর্তী আমি তাকে সহযোগিতা করি। যার কারণে তারা আরো রেগে যায় আমার প্রতি।

সভাপতির এসব অভিযোগের ব্যাপারে বিভাগের ১১ জন শিক্ষক বলেন, ‘সভাপতি যেসব কথা বলেছেন, তা একেবারে অযৌক্তিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত। পরীক্ষার হলে শিক্ষক থাকবে না এটা বিশ্বাস করা যায় না। মূলত সভাপতি দায়িত্ব পালনের আগ পর্যন্ত বিভাগের কার্যক্রমে নিয়মিতভাবে অংশ গ্রহণ করতো না, যার কারণে তিনি এসব কিছুই জানেন  না। তিনি অধিকংশ সময় ঢাকায় থাকেন এমনকি স্টেশনকে জানিয়ে যেতেন না।

বিভাগ সভাপতির প্রতি অভিযোগ করে শিক্ষকরা বলেন, ‘তিনি একাডেমিক কমিটির সভার সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে নিজের মত করে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতেন। এছাড়া এসব সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অনুষ্ঠিকভাবে কোন চিঠিও দেন না।

সভাপতি সাথে থাকা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোছা. রুখসানা পারভীন বলেন, ‘মূলত আমার প্রতি তাদের ক্ষুদ্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে আমিও তাদের সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সের নামে ব্যবসার বিরোধীতা করতাম। এমনকি ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত সান্ধ্যকালীন কোর্সের একটি খাতায় একজন ফেল করে। এটা নিয়ে তারা আমরা প্রতি চরম আকারে ক্ষুদ্ধ হয়। এছাড়া আমার শিক্ষক ও সুপারভাইজার প্রফেসর রুহুল আমিন আমাকে একাডেমিকভাবে ও যৌন হয়রানি করে।  ফলে এপ্রিল মাসের ২৬ তারিখের দিকে আমি তার সাথে গবেষণার কাজ করতে অস্বীকার করলে, সে অন্যদের নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। যাতে কেউ আমার সুপারভাইজার না হয়।

রুখসানা পারভীনের অভিযোগের ব্যাপারে বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর রুহুল আমিন বলেন, ‘সে আসলেই বিকৃত মস্তিস্কের। সে নিয়ম তান্ত্রিকভাবে কাজ না করে গবেষণা কাজ শেষ করতে চাইলে তাতে আমি অস্বীকৃতি জানায়। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্য ও বানোয়াট অভিযোগ দাড় করিয়েছে। যা আমার শিক্ষকতার ৩২ বছরের জীবনের কলঙ্কজনক ঘটনা। তিন মাসের আগের ঘটনায় সে যদি আমরা বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকতো আগে তাহলে আগে অভিযোগ করতে এখন কেন এই অভিযোগ করছে। সে শুধু আমার নয় অনেক সম্মনিত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা রকম অপপ্রচার ও তার স্বামী পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ায় তার কথা বলে জেলে পাঠানোর হুমকিও দিয়ে থাকেন।

সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে ১১ জন শিক্ষক মনে করেন, ‘সভাপতি অপসরণ করা হলে সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কারণ তার ইন্ধনে রুখসানা রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে মিথ্য অভিযোগ তুলেছে। এছাড়া তিনি বিভাগ পরিচালনায় ব্যর্থ।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ব্যাপারে বিশ^বিদ্যালয় প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. আনান্দ কুমার সাহা বলেন, ‘যেহেতু আজ শনিবার ক্যাম্পাস বন্ধ আছে। আগামীকাল  (রোববার) ভিসি স্যার এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবেন।

শিক্ষকদের দ্বন্দ্ব নিয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়টা অনভিপ্রেত। পরিবারের ভিতরও কিছু দ্বন্দ্ব থাকে। শিক্ষকগণ বিজ্ঞ তারা সবকিছু বুঝেন। এখন তারা ধৈর্য্য, সহিঞ্চুতা, সহযোগীতার মাধ্যমে পরস্পর কাজ করবেন এটাই কাম্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষকদের দ্বন্দ্বের কারণ সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স!

আপডেট সময় : ০২:১২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০১৭

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ভিত্তিতে অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। যৌন হয়রানির অভিযোগসহ দুই পক্ষই নিজেদের ব্যাক্তিগত সমস্যাকে সকলের সামনে তুলে ধরেছে। কাদাছোড়াছুড়ির কারণে শিক্ষক সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নীতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এ সমস্যার সূত্রপাত ‘বিতর্কিত’ সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কেন্দ্র করে বলে দাবী এক পক্ষের। অন্যরা সভাপতির একক সিদ্ধান্ত ও পক্ষপাতমূলক আচরণকে দায়ী করেন। দুই ধারায় বিভক্ত ১৪ জন শিক্ষকদের মধ্যে ১১ জন একদিকে, অন্যদিকে বিভাগ সভাপতিসহ ৩ জন।

জানা যায়, ২০১৪ সাল থেকে শুরু হয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্স চালু হয়। বিভাগের সভাপতি প্রফেসর নাসিমা জামানের দাবী, ‘আমি ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে সবকিছু করতে থাকি। তার ধারাবাহিকতায় সান্ধ্যকালীন কোর্সের অনিয়ম রোধে পরীক্ষার হলে পরিদর্শকের ব্যবস্থা করি, যা আগে ছিল না। তখন পরীক্ষা হলে চলতো ‘নকলের মহা উৎসব’। অন্যশিক্ষকরা চাইতো লিখুক আর নাই লিখুক পাস করিয়ে দিতে হবে। কিন্তু আমি ও রুখসানা পারভীন এই অন্যায় মেনে নিতে পারিনি। তাদের এই ‘সান্ধ্য ব্যবসায়’ সমস্যা হওয়ায় আমার উপর তারা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম থেকেই অসহযোগিতা মূলক আচারণ করতে থাকে। এছাড়া সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে শুধুমাত্র ৪টি বিভাগে পরীক্ষা চলতে সান্ধ্য মাস্টার্সে পরীক্ষা হতো, আমি আসার পর ফ্যাকাল্টি মিটিংয়ে উপস্থাপন করে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একযোগে অনুষদে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এটা নিয়েও আমার বিভাগের শিক্ষকরা ক্ষিপ্ত, কারণ এতে করে শিক্ষার্থী কমে যাবে। এমনকি সবর্শেষ জুলাই মাসে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স পরীক্ষার অন্য শিক্ষকদের উপস্থিতিতে সভাপতির জায়গা থেকে হলে গিয়ে একাধিক ব্যাক্তির নকল ধরি। অথচ সেখানে শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন, তাদের সামনে এই নকলগুলো হচ্ছিল। শুধু আমি না রুখসানাও একইভাবে নকল ধরে। যার কারণে আমার ও রুখসানার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়। এছাড়া রুখসানার গবেষণার সুপারভাইজার পরিবর্তন নিয়ে মিটিংয়ে শিক্ষকরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। পরবর্তী আমি তাকে সহযোগিতা করি। যার কারণে তারা আরো রেগে যায় আমার প্রতি।

সভাপতির এসব অভিযোগের ব্যাপারে বিভাগের ১১ জন শিক্ষক বলেন, ‘সভাপতি যেসব কথা বলেছেন, তা একেবারে অযৌক্তিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত। পরীক্ষার হলে শিক্ষক থাকবে না এটা বিশ্বাস করা যায় না। মূলত সভাপতি দায়িত্ব পালনের আগ পর্যন্ত বিভাগের কার্যক্রমে নিয়মিতভাবে অংশ গ্রহণ করতো না, যার কারণে তিনি এসব কিছুই জানেন  না। তিনি অধিকংশ সময় ঢাকায় থাকেন এমনকি স্টেশনকে জানিয়ে যেতেন না।

বিভাগ সভাপতির প্রতি অভিযোগ করে শিক্ষকরা বলেন, ‘তিনি একাডেমিক কমিটির সভার সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে নিজের মত করে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতেন। এছাড়া এসব সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অনুষ্ঠিকভাবে কোন চিঠিও দেন না।

সভাপতি সাথে থাকা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোছা. রুখসানা পারভীন বলেন, ‘মূলত আমার প্রতি তাদের ক্ষুদ্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে আমিও তাদের সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সের নামে ব্যবসার বিরোধীতা করতাম। এমনকি ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত সান্ধ্যকালীন কোর্সের একটি খাতায় একজন ফেল করে। এটা নিয়ে তারা আমরা প্রতি চরম আকারে ক্ষুদ্ধ হয়। এছাড়া আমার শিক্ষক ও সুপারভাইজার প্রফেসর রুহুল আমিন আমাকে একাডেমিকভাবে ও যৌন হয়রানি করে।  ফলে এপ্রিল মাসের ২৬ তারিখের দিকে আমি তার সাথে গবেষণার কাজ করতে অস্বীকার করলে, সে অন্যদের নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। যাতে কেউ আমার সুপারভাইজার না হয়।

রুখসানা পারভীনের অভিযোগের ব্যাপারে বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর রুহুল আমিন বলেন, ‘সে আসলেই বিকৃত মস্তিস্কের। সে নিয়ম তান্ত্রিকভাবে কাজ না করে গবেষণা কাজ শেষ করতে চাইলে তাতে আমি অস্বীকৃতি জানায়। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্য ও বানোয়াট অভিযোগ দাড় করিয়েছে। যা আমার শিক্ষকতার ৩২ বছরের জীবনের কলঙ্কজনক ঘটনা। তিন মাসের আগের ঘটনায় সে যদি আমরা বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকতো আগে তাহলে আগে অভিযোগ করতে এখন কেন এই অভিযোগ করছে। সে শুধু আমার নয় অনেক সম্মনিত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা রকম অপপ্রচার ও তার স্বামী পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ায় তার কথা বলে জেলে পাঠানোর হুমকিও দিয়ে থাকেন।

সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে ১১ জন শিক্ষক মনে করেন, ‘সভাপতি অপসরণ করা হলে সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কারণ তার ইন্ধনে রুখসানা রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে মিথ্য অভিযোগ তুলেছে। এছাড়া তিনি বিভাগ পরিচালনায় ব্যর্থ।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ব্যাপারে বিশ^বিদ্যালয় প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. আনান্দ কুমার সাহা বলেন, ‘যেহেতু আজ শনিবার ক্যাম্পাস বন্ধ আছে। আগামীকাল  (রোববার) ভিসি স্যার এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবেন।

শিক্ষকদের দ্বন্দ্ব নিয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়টা অনভিপ্রেত। পরিবারের ভিতরও কিছু দ্বন্দ্ব থাকে। শিক্ষকগণ বিজ্ঞ তারা সবকিছু বুঝেন। এখন তারা ধৈর্য্য, সহিঞ্চুতা, সহযোগীতার মাধ্যমে পরস্পর কাজ করবেন এটাই কাম্য।