ঢাকা ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

রূপগঞ্জে’র ক্লাক্সটান এ্যাপারেলস এন্ড টেক্সটাইল খুলে দেয়ার দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন

  • আপডেট সময় : ০১:২৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 248
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো’র ক্লাক্সটান এ্যাপারেলস এন্ড টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানাটি খুলে দেয়ার দাবিতে শ্রমিকরা মানববন্ধন করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে কর্মরত শ্রমিকরা মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমার জানতে পেরেছি কারখানা খোলা হবে না এবং শ্রমিকদের যাতে আইনগত সুবিধা প্রদান করা না লাগে এ জন্য লে-অফ কালীন সময়ে বর্ধিত করেছেন। বাংলাদেশ শ্রম আইনে লে-অফ ভাতা খুবই সামান্য এবং নগন্য। এই ভাতা দিয়ে শ্রমিকরা পরিবার নিয়ে চলতে পারবেনা। তাই সাধারণ শ্রমিকেরা মিলিত হয়ে অন্য কোথাও চলে গেলে শ্রমিক ও কার্মচারীদের ভাতা পরিশোধ করতে হবে না।

বক্তারা আরো বলেন, কারখানা যদি আর খোলা না হয় তাহলে শ্রম আইন অনুযায়ী ভাতা পরিশোধ করতে হবে।

২০১৬ সালে ৬ অক্টোবর কারখানা লে-অফ করা হয়। আইনগত ভাবে লে-অফ কালীন সময়ে ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান থাকলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিক ও কর্মচারীদের নভেম্বরে ক্ষতিপূরণ প্রদান করেনি।

লে-অফ ভাতা পরিশোধ করার জন্য কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, ইন্ডাষ্টিয়াল পুলিশ, বিজিএমইএসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠালেও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রূপগঞ্জে’র ক্লাক্সটান এ্যাপারেলস এন্ড টেক্সটাইল খুলে দেয়ার দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০১:২৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো’র ক্লাক্সটান এ্যাপারেলস এন্ড টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানাটি খুলে দেয়ার দাবিতে শ্রমিকরা মানববন্ধন করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে কর্মরত শ্রমিকরা মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমার জানতে পেরেছি কারখানা খোলা হবে না এবং শ্রমিকদের যাতে আইনগত সুবিধা প্রদান করা না লাগে এ জন্য লে-অফ কালীন সময়ে বর্ধিত করেছেন। বাংলাদেশ শ্রম আইনে লে-অফ ভাতা খুবই সামান্য এবং নগন্য। এই ভাতা দিয়ে শ্রমিকরা পরিবার নিয়ে চলতে পারবেনা। তাই সাধারণ শ্রমিকেরা মিলিত হয়ে অন্য কোথাও চলে গেলে শ্রমিক ও কার্মচারীদের ভাতা পরিশোধ করতে হবে না।

বক্তারা আরো বলেন, কারখানা যদি আর খোলা না হয় তাহলে শ্রম আইন অনুযায়ী ভাতা পরিশোধ করতে হবে।

২০১৬ সালে ৬ অক্টোবর কারখানা লে-অফ করা হয়। আইনগত ভাবে লে-অফ কালীন সময়ে ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান থাকলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিক ও কর্মচারীদের নভেম্বরে ক্ষতিপূরণ প্রদান করেনি।

লে-অফ ভাতা পরিশোধ করার জন্য কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, ইন্ডাষ্টিয়াল পুলিশ, বিজিএমইএসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠালেও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়নি।