ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

“৬ষ্ঠআন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি ও সিকিউরিটি এক্সপো-২০১৯” আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে

  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • / 310

প্রেস কাউন্সিলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের ভাষণ

বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ   আগামী ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য ২০১৯ উপলক্ষে আজকের প্রেস কাউন্সিলে উপস্থিত ইলকেট্রক্যিাল সফেটি অ্যান্ড সকিউিরটিি অফ বাংলাদশে (ঊঝঝঅই)-এর সভাপতি জনাব মোঃ মোতাহের হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক জনাব নাজমুল হুদা, ঊঈ কমিটির পরিচালকবৃন্দ।

এটি একটি উদ্বেগের বিষয় যে, দেশে প্রচলিত দুর্ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, নতুন ধরনের দুর্ঘটনা যোগ হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ধরন পরিবর্তন হচ্ছে। বলা যায়, দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে একটি বহুমাতৃকতা যোগ হয়েছে।

বহুতল ও বাণিজ্যিক ভবনের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং তাতে আধুনিক ডেকোরেশনে মানুষ বিপুল পরিমাণ উচ্চদাহ্য ব্যবহার করছে। ফলে আধুনিকতার সাথে বা উন্নয়নের সাথে সমানভাবে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে। তবে আশার কথা হলো, এসব দুর্ঘটনায় জীবন ও সম্পদের ক্ষতির পরিমাণ কিন্তু সমান হারে বাড়েনি, বরং কমেছে। ফায়ার সার্ভিসের কার্যকর উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতা যত বৃদ্ধি পাবে, অগ্নি নিরাপত্তা তত বৃদ্ধি পাবে এবং সংঘটিত দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তত কমানো সম্ভব হবে।

আপনারা জানেন, দুর্যোগ-ঝুঁকি হ্রাস এবং সংঘটিত দুর্যোগে জান-মালের ক্ষতি সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে কাজ করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। তবে এককভাবে শুধু ফায়ার সার্ভিসের জন্য এটি একটি দুরূহ কাজ। বেসরকারি উদ্যোগ একে সহজসাধ্য করে তুলতে পারে। দেশব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সেবা সংগঠনসহ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ইলকেট্রক্যিাল সফেটি অ্যান্ড সকিউিরটিি অফ বাংলাদশে (ঊঝঝঅই)-এর  আন্তর্জাতিক ফায়ার সেইফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি আয়োজন পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করছে বলে আমার দৃঢ় বিশ^াস। অগ্নি নির্বাপণের আধুনিক সরঞ্জাম ও টেকনোলজি সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভের ক্ষেত্রে

“৬ষ্ঠআন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি ও সিকিউরিটি এক্সপো-২০১৯” আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি মনে করি।
সকল দুর্যোগে লাইফ সেভিং ফোর্স হিসেবে কাজ করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করেছে। আপনাদের মনে থাকার কথা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি উপজেলায় ন্যূনতম একটি করে ফায়ার স্টেশন নির্মাণ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যে আমরা তিনটি প্রকল্প গ্রহণ করেছি। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের আগে সারা দেশে চালু ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা ছিল ২০৬টি। আর এখন এ সংখ্যা ৪০২টি। উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলে ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা ৫৫৪টি হবে। এই সংখ্যা পর্যায়ক্রমে আট শতাধিকে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। আমাদের আশা, ২০২০ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ন্যূনতম একটি করে ফায়ার স্টেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

স্টেশনের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ^মানের আধুনিক অগ্নি নির্বাপণ ও উদ্ধার সরঞ্জাম সংগ্রহ, পেশাগত বিষয়ে বিদেশে উন্নতমানের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ, ফায়ার সার্ভিসের নিজস্ব বার্ন ট্রিটমেন্ট হাসপাতাল স্থাপন, ট্রেনিং সাপোর্ট ফায়ার স্টেশনের জন্য পূর্বাচলে ১৭ একর এবং বিভাগীয় পর্যায়ে ৫ একর করে জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এসব কারণে আমাদের সেবার সামর্থ্য আগের তুলনায় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা এখন বহুমাত্রিক সেবাকাজে নিয়োজিত। অগ্নি নির্বাপণ ও উদ্ধার কাজের পাশাপাশি জঙ্গি দমন অভিযানে অংশগ্রহণ, রেসপন্স টাইম কমিয়ে আনতে সারা দেশের হাইওয়েসহ ৯০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে র‌্যাপিড রেসকিউ ইউনিট মোতায়েন, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস পরিচালনা, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ সংযুক্তি, পোশাক শিল্পের অগ্নি নিরাপত্তা প্রদান ইত্যাদির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি আমরা। ২০১৮ সালে আমরা পোশাক শিল্পে নিয়োজিত ১ লাখ ১৩ হাজার ৩২০ জনকে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক ২ দিনের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। এই শিল্পের ৮৪৬টি প্রতিষ্ঠানে মহড়া ও ৭৯টিতে সার্ভে করা হয়েছে। শিল্পখাতে নিরাপত্তা জোরদার করতে কর্মকর্তাদের জন্য ৬ মাসের “ফায়ার সেফটি ম্যানেজার কোর্স” ও “ফায়ার সায়েন্স অ্যান্ড অকুপেশনাল সেফটি কোর্স” নামের দুটি প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করেছি।

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, দেশের প্রতিটি দুর্যোগে কাজ করতে গেলেই আপনাদের সাথে আমাদের দেখা হয়। দুর্ঘটনার প্রকৃত চিত্র ও আমাদের কার্যক্রম তুলে ধরে আপনারা জাতিকে আশ্বস্ত করে থাকেন। দেশের যে কোনো বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আপনারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন এবং করেন। আপনাদের মাধ্যমে আমি সকলকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, জনগণ সচেতনভাবে আমাদের সাথে থাকলে সরকারের অন্যান্য সেবা বাহিনীকে সাথে নিয়ে আমরা দুর্যোগ-ঝুঁকি এবং সংঘটিত দুর্যোগে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে আশানুরূপ ভূমিকা পালন করতে পারবো। আমি আশা করি, ভলান্টিয়ার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দেশকে সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে সকলেই ভূমিকা পালনে প্রয়াসী হবেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

“৬ষ্ঠআন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি ও সিকিউরিটি এক্সপো-২০১৯” আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ   আগামী ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য ২০১৯ উপলক্ষে আজকের প্রেস কাউন্সিলে উপস্থিত ইলকেট্রক্যিাল সফেটি অ্যান্ড সকিউিরটিি অফ বাংলাদশে (ঊঝঝঅই)-এর সভাপতি জনাব মোঃ মোতাহের হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক জনাব নাজমুল হুদা, ঊঈ কমিটির পরিচালকবৃন্দ।

এটি একটি উদ্বেগের বিষয় যে, দেশে প্রচলিত দুর্ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, নতুন ধরনের দুর্ঘটনা যোগ হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ধরন পরিবর্তন হচ্ছে। বলা যায়, দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে একটি বহুমাতৃকতা যোগ হয়েছে।

বহুতল ও বাণিজ্যিক ভবনের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং তাতে আধুনিক ডেকোরেশনে মানুষ বিপুল পরিমাণ উচ্চদাহ্য ব্যবহার করছে। ফলে আধুনিকতার সাথে বা উন্নয়নের সাথে সমানভাবে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে। তবে আশার কথা হলো, এসব দুর্ঘটনায় জীবন ও সম্পদের ক্ষতির পরিমাণ কিন্তু সমান হারে বাড়েনি, বরং কমেছে। ফায়ার সার্ভিসের কার্যকর উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতা যত বৃদ্ধি পাবে, অগ্নি নিরাপত্তা তত বৃদ্ধি পাবে এবং সংঘটিত দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তত কমানো সম্ভব হবে।

আপনারা জানেন, দুর্যোগ-ঝুঁকি হ্রাস এবং সংঘটিত দুর্যোগে জান-মালের ক্ষতি সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে কাজ করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। তবে এককভাবে শুধু ফায়ার সার্ভিসের জন্য এটি একটি দুরূহ কাজ। বেসরকারি উদ্যোগ একে সহজসাধ্য করে তুলতে পারে। দেশব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সেবা সংগঠনসহ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ইলকেট্রক্যিাল সফেটি অ্যান্ড সকিউিরটিি অফ বাংলাদশে (ঊঝঝঅই)-এর  আন্তর্জাতিক ফায়ার সেইফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি আয়োজন পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করছে বলে আমার দৃঢ় বিশ^াস। অগ্নি নির্বাপণের আধুনিক সরঞ্জাম ও টেকনোলজি সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভের ক্ষেত্রে

“৬ষ্ঠআন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি ও সিকিউরিটি এক্সপো-২০১৯” আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি মনে করি।
সকল দুর্যোগে লাইফ সেভিং ফোর্স হিসেবে কাজ করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করেছে। আপনাদের মনে থাকার কথা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি উপজেলায় ন্যূনতম একটি করে ফায়ার স্টেশন নির্মাণ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যে আমরা তিনটি প্রকল্প গ্রহণ করেছি। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের আগে সারা দেশে চালু ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা ছিল ২০৬টি। আর এখন এ সংখ্যা ৪০২টি। উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলে ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা ৫৫৪টি হবে। এই সংখ্যা পর্যায়ক্রমে আট শতাধিকে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। আমাদের আশা, ২০২০ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ন্যূনতম একটি করে ফায়ার স্টেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

স্টেশনের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ^মানের আধুনিক অগ্নি নির্বাপণ ও উদ্ধার সরঞ্জাম সংগ্রহ, পেশাগত বিষয়ে বিদেশে উন্নতমানের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ, ফায়ার সার্ভিসের নিজস্ব বার্ন ট্রিটমেন্ট হাসপাতাল স্থাপন, ট্রেনিং সাপোর্ট ফায়ার স্টেশনের জন্য পূর্বাচলে ১৭ একর এবং বিভাগীয় পর্যায়ে ৫ একর করে জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এসব কারণে আমাদের সেবার সামর্থ্য আগের তুলনায় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা এখন বহুমাত্রিক সেবাকাজে নিয়োজিত। অগ্নি নির্বাপণ ও উদ্ধার কাজের পাশাপাশি জঙ্গি দমন অভিযানে অংশগ্রহণ, রেসপন্স টাইম কমিয়ে আনতে সারা দেশের হাইওয়েসহ ৯০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে র‌্যাপিড রেসকিউ ইউনিট মোতায়েন, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস পরিচালনা, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ সংযুক্তি, পোশাক শিল্পের অগ্নি নিরাপত্তা প্রদান ইত্যাদির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি আমরা। ২০১৮ সালে আমরা পোশাক শিল্পে নিয়োজিত ১ লাখ ১৩ হাজার ৩২০ জনকে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক ২ দিনের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। এই শিল্পের ৮৪৬টি প্রতিষ্ঠানে মহড়া ও ৭৯টিতে সার্ভে করা হয়েছে। শিল্পখাতে নিরাপত্তা জোরদার করতে কর্মকর্তাদের জন্য ৬ মাসের “ফায়ার সেফটি ম্যানেজার কোর্স” ও “ফায়ার সায়েন্স অ্যান্ড অকুপেশনাল সেফটি কোর্স” নামের দুটি প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করেছি।

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, দেশের প্রতিটি দুর্যোগে কাজ করতে গেলেই আপনাদের সাথে আমাদের দেখা হয়। দুর্ঘটনার প্রকৃত চিত্র ও আমাদের কার্যক্রম তুলে ধরে আপনারা জাতিকে আশ্বস্ত করে থাকেন। দেশের যে কোনো বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আপনারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন এবং করেন। আপনাদের মাধ্যমে আমি সকলকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, জনগণ সচেতনভাবে আমাদের সাথে থাকলে সরকারের অন্যান্য সেবা বাহিনীকে সাথে নিয়ে আমরা দুর্যোগ-ঝুঁকি এবং সংঘটিত দুর্যোগে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে আশানুরূপ ভূমিকা পালন করতে পারবো। আমি আশা করি, ভলান্টিয়ার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দেশকে সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে সকলেই ভূমিকা পালনে প্রয়াসী হবেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস